চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১০ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮০। ইহা জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।


৮১। তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?


৮২। এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছো!


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

হিংসা একটা দরজা বন্ধ করে অন্য দুটো খোলে।


-স্যামুয়েল পালমার।


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ উদ্ধার
ফরহাদ চৌধুরী
১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়ায় মুনি্ন বেগম (২৫) নামে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ নিখোঁজের ১২ঘন্টা পর তাকে উদ্ধার করেছে কচুয়া থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মুনি্নকে তার বাবার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।



কচুয়া উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের দারাশাহী তুলপাই গ্রামের সৌদি প্রবাসী কামালের স্ত্রী মুনি্ন বেগম কচুয়া পৌরসভার পলাশপুরের মাতৃছায়া নীড়ের মাহবুবের বাড়ির তৃতীয় তলায় ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া করে বসবাস করতো। ৮ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে মুনি্নর বোনসহ পরিবারের লোকজন তার বাসায় এসে বাহির থেকে দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে মুনি্নকে তারা বাসায় পায়নি। এ সময় ঘরের মেঝে ও বাথরুমে রক্ত দেখতে পান তারা। বাসার আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। মুনি্নর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকার কারণে তার সাথে যোগাযোগও করতে পারেনি তার পরিবারের লোকজন। তাকে আশপাশের সকল ক্লিনিক ও হাসপাতালে খুঁজেও পাওয়া যায়নি। সংবাদ পেয়ে কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ রাসেল ও কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়ালী উল্লাহ (অলি) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মুনি্নর বাসা পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে তার খোঁজে অভিযান চালায় কচুয়া থানা পুলিশ।



কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়ালী উল্লাহর (অলি) নির্দেশে সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) শিমুল পলাশপুর এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে সন্ধান নিয়ে জানতে পারেন ওইদিন সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গৃহবধূ মুনি্ন পলাশপুর মমিনের বাড়িতে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে মমিন ও তার পরিবারকে না জানিয়ে মুনি্ন মমিনের বাড়ি ত্যাগ করে। মমিন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মুনি্নকে পায়নি। পরে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় কচুয়া থানার পুলিশ মুনি্নর বাবার বাড়ি পথপুর গ্রামের লোকজন মারফত জানতে পারে মুনি্ন তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। এ সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মুনি্নর বাবার বাড়িতে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে সে কচুয়া টাওয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে মুনি্নর বোন, মমিন এবং মমিনের স্ত্রীকে আটক করে কচুয়া থানা পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।



হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুনি্নর সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। মুনি্ন প্রতিবেদককে বলেন, তার বাসার মেঝেতে কীভাবে রক্ত আসলো, আসবাবপত্র কীভাবে এলামেলো হলো ও তিনি কীভাবে মমিনের বাসায় গেলেন এবং ীকভাবে তার বাবার বাড়িতে গেলেন এ ব্যাপারে কিছুই মনে করতে পারছেন না। মমিনের সাথে তার কোনো সম্পর্ক আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মমিনকে আমি চিনি না। মমিন ও তার স্ত্রীর সাথে কথা হলে তারা জানায়, সকালে কাজের উদ্দেশ্যে মমিনের স্ত্রী বাসা থেকে চলে যান। মমিন ও তার দুই সন্তান বাসায় ছিল। অসুস্থ অবস্থায় মুনি্ন তাদের বাসায় এসে অবস্থান করে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণে মমিন মুনি্নকে তার বাসায় থাকতে দেয়।



মুনি্নর পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, মুনি্ন মানসিকভাবে অসুস্থ এবং মুনি্নর পরিবারের দাবি কয়েক বছর পূর্বে মুনি্নর উপর জি্বনের আছর হয়। তারপর থেকেই মুনি্ন মাঝেমাঝে উল্টাপাল্টা আচরণ করে। কিন্তু কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। এ ব্যাপারে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়ালী উল্লাহ (অলি) এ প্রতিবেদককে জানান, মুনি্নকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্যে কচুয়া টাওয়ার হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। মুনি্ন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সুস্থ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনার তদন্ত চলছে। তন্তদ রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৭৬৮৬৫
পুরোন সংখ্যা