চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৮ ভাদ্র ১৪২৬, ১২ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৫। যাহারা আল্লাহ ও তাহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাহাদিগকে অপদস্থ করা হইবে যেমন অপদস্থ করা হইয়াছে তাহাদের পূর্ববর্তীদিগকে; আমি সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করিয়াছি; কাফিরদের জন্যে রহিয়াছে লাঞ্চনাদায়ক শাস্তি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

কোনো কোনো সময় প্রকৃতি বিদ্রোহ করলে মানুষ তার সুযোগ গ্রহণ করে। -ইয়ং।


 


 


দাতার হাত ভিক্ষুকের হাত অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি স্বাবলম্বী ও তৃপ্ত হতে চায়, আল্লাহ তাকে স্বাবলম্বন ও তৃপ্তি দান করেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হলো পবিত্র আশুরা
স্টাফ রিপোর্টার
১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


১০ মহররম মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) পবিত্র আশুরা দিবস চাঁদপুরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে উদ্যাপন করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ৯ ও ১০ মহররম রোজা পালনসহ নফল ইবাদত-বন্দেগী এবং ওয়াজ-নসিহতের মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করে। চাঁদপুরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার মসজিদ, মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন আশুরার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।



চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নস্থ ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র আশুরা দিবস পালিত হয়েছে। দরবার শরীফের খাজা আহমদ শাহ (রঃ) জামে মসজিদে ওই দিন রাতভর অসংখ্য মুসলি্ল ইবাদতে মশগুল ছিলেন। এখানে বয়ান করেন হাফেজ মোঃ আব্দুস সালাম ও হাফেজ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস। মসজিদের খতিব ও দরবার শরীফের পরিচালক পীরজাদা মাওঃ খাজা মোঃ জোবায়ের মিলাদ-কিয়াম, মাজার জিয়ারত শেষে মোনাজাত করেন। পরে উপস্থিত সকল মুসলি্লকে তবররুক দেয়া হয়।



চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যানঘাটস্থ বাইতুল আমান জামে মসজিদে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে সোমবার বাদ আছর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওয়াজ ও মিলাদ মহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশুরার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওঃ মোঃ সাইফুদ্দিন খন্দকার। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে ইসলামের সুমহান আদর্শের পতাকা সমুন্নত রাখতে ১০ দিন অবরুদ্ধ থেকে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ)সহ ৭২ জন তাঁর সহচর নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। তবুও মদ্যপ, ব্যভিচারী ও বেনামাজী ইয়াজিদকে ইসলামের খলিফা ঘোষণা করে তার হাতে বাইয়াত হওয়ার অন্যায় দাবির কাছে তিনি নতি স্বীকার করেননি। এভাবেই তিনি উম্মতে মোহাম্মাদীর সামনে কোনো ধরনের অন্যায়, জুলুম ও অত্যাচারের কাছে নতি স্বীকার না করার দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করে যান। মসজিদের সভাপতি মৌলভী মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে মিলাদ-কিয়াম পরিচালনা করেন হাফেজ মোঃ আতিকুল্লাহ। পরে দেশের ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন মাওঃ মোঃ সাইফুদ্দিন খন্দকার।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৬৩৪৯১
পুরোন সংখ্যা