চাঁদপুর, শুক্রবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৯ ভাদ্র ১৪২৬, ১৩ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৬। উভয় উদ্যানে আছে উচ্ছলিত দুই প্রস্রবণ।


৬৭। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৬৮। সেথায় রহিয়াছে ফলমূল -খর্জুর ও আনার।


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কিশোর গ্যাঙ ও বখাটে টিনএজদের দমনে পুলিশ তৎপর তবে......
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরে সমপ্রতি কিশোর অপরাধী এবং বখাটে টিনএজদের উৎপাত খুব বেড়ে গেছে। পাড়া-মহল্লায় এদের সারাক্ষণ নির্বিঘ্ন আড্ডা শহরবাসীকে এক ভীতিকর অবস্থায় ফেলেছে। তাদের বিচরণ শুধু আড্ডার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মাদক সেবন ও বেচাকেনা, মারামারি, চুরি ছিনতাই, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করাসহ যতো ধরনের বখাটেপনা আছে, সব এই কিশোর গ্যাঙ ও বখাটে টিনএজরা করে থাকে। তবে সবচেয়ে দুশ্চিন্তা এবং ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে_এরা ক্ষমতাসীন দলের কোনো না কোনো নেতার কথিত বড় ভাইয়ের ছত্রছায়ায় থাকে। সেজন্যে তাদের কে কী বলবে? কোনো সচেতন মানুষ তাদের ডাক দিলে তাকে নাজেহাল হতে হয়, এমনকি কখনো হামলার শিকারও হতে হয়। পুলিশও যেনো একসময় তাদের কাছে অসহায় হয়ে যায়। কারণ, ওই যে বড় ভাইদের হস্তক্ষেপ! এমনই কিছুটা ক্ষোভের কথা জানালেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসিম উদ্দিন।



ওসি নাসিম উদ্দিন কিছুদিন আগে দিনের বেলা শহরের পাড়া-মহল্লায় হানা দেন তার ফোর্স নিয়ে। উদ্দেশ্য হচ্ছে বখাটে টিনএজদের শায়েস্তা করা। অর্থাৎ যারা দিনের বেলা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে পাড়া মহল্লায়, অলিগলিতে আড্ডা দেয় এবং মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা এবং এ পথ থেকে ফিরে আসতে তাদের হুঁশিয়ার করে দেয়া। দেখা গেছে যে, যে সব ছেলে স্কুল ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আড্ডা দিচ্ছে, বখাটেপনা করছে, মাদক নিচ্ছে, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করছে, তাদেরকে ওসি তাঁর ফোর্স নিয়ে পাকড়াও করেছেন, শাসিয়েছেন এবং সাবধান করে দিয়েছেন যেনো দ্বিতীয়বার আর তাদেরকে এসব জায়গায় না দেখা যায়। আর যাদেরকে তিনি আটক করে থানায় নিয়ে গেছেন, তাদের অভিভাবকদের ডেকে এনে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এখানেও দেখা গেলো কথিত সেই বড় ভাইদের হস্তক্ষেপ। তাদেরকে ছেড়ে দিতে সুপারিশ। এতে তিনি দুঃখ পান এবং নিরুৎসাহিত হন। তাই তিনি দুঃখ করে বললেন, 'নেতাদের তদবিরে পারছি না'। এই মনোকষ্ট থেকেই হয়তবা তিনি ওই অভিযান বন্ধ করে দিয়েছেন। অথচ পুলিশের এই অভিযানের খবর শুনে শহরবাসী প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছে। আশান্বিত হয়েছে যে, এবার হয়তো বখাটেরা দমবে। কিন্তু বহুল প্রত্যাশিত এ অভিযান থমকে যাওয়ায় শান্তিপ্রিয় মানুষগুলো যেনো আরো অসহায় হয়ে পড়লো। তারা আরো ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো। এসব বখাটে ও কিশোর গ্যাঙের উপর রাজনৈতিক ছত্রছায়া থাকে এটি তারা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছেন না। জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের মূল সংগঠন এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের ভাবতে এবং ভূমিকা রাখতে শহরবাসী অনুরোধ জানিয়েছেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭৪৮৮০
পুরোন সংখ্যা