চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্‌র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


৫। তোমরা যে খর্জুর বৃক্ষগুলি কর্তন করিয়াছ এবং যেগুলি কা-ের উপর স্থির রাখিয়া দিয়াছ, তাহা তো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে; এবং এইজন্য যে, আল্লাহ পাপাচারীদিগকে লাঞ্ছিত করিবেন।


 


 


assets/data_files/web

আকৃতি ভিন্ন ধরনের হলেও গৃহ গৃহই। -এন্ড্রি উল্যাং।


 


 


স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদঞ্জের ঘনিয়া দরবার শরীফ ও মাদ্রাসা এতিমখানা কমপ্লেক্স
পুকুরে মাছ চাষে ইউরিয়া সার ব্যবহার করার পরিণতি
পুরো পুকুরের পানি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগে
কামরুজ্জামান টুটুল
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া ছাইদিয়া ফাযিল মাদ্রাসা ও কারিগরি কলেজ এবং ঘনিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেঙ্ েসংলগ্ন আখন্দ বাড়ির (পীর সাহেব) পুকুরে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে মাছ চাষের কারণে পুকুরের পানি প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে পানির রং পরিবর্তনসহ ওই পানি গন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে পানি ব্যবহারকারী মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মুসলি্লদের বিভিন্ন রকমের চর্মরোগ দেখা দিতে শুরু করেছে। এ ঘটনায় গত ক'দিন ধরে দরবার শরীফ কমপ্লেঙ্, মাদ্রাসা, এতিমখানা, বোডিং, মসজিদের মুসলি্লসহ স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।



স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘনিয়া ছাঈদিয়া ফাযিল মাদ্রাসা ও কারিগরি (বিএম) কলেজ এবং ঘনিয়া ছাঈদিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা সংলগ্ন মসজিদের সামনে একটি পুকুর রয়েছে। যে পুকুরের মালিক আখন্দ বাড়ির (পীর সাহেবের বাড়ি) লোকজন। এ পুকুরে হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিয়মিত ৩ শতাধিক মানুষ গোসল করেন। এ ছাড়াও মাদ্রাসার ৭শ' শিক্ষার্থীসহ এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ ওই পুকুরে নামাজের ওজু করেন। যা এখন সব বন্ধ রয়েছে। এতে মাদ্রাসার শত শত ছাত্রসহ এলাকাবাসী মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।



প্রায় ৪ মাস পূর্বে পুকুরের ইজারাদার ইউরিয়া সার ব্যবহার করার কারণে পুকুরের পানিতে অতিরিক্ত সবুজ শ্যাওলা জমে যায়। এই শ্যাওলা দীর্ঘদিন জমে থাকার কারণে পুকুরের পানি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং এ পানি ব্যবহারের কারণে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী বিভিন্ন চর্মরোগের শিকার হচ্ছেন। কিন্তু পুকুরের ইজারাদার আজিজ উল্যাহ্ আখন্দ শ্যাওলা দূরীকরণে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে স্থানীয়রা ও কমপ্লেঙ্ কর্তৃপক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।



স্থানীয়রা আরো জানান, ইজারাদার আজিজ উল্যাহ্ আখন্দ ওই বাড়ির তিনটি পুকুর ইজারা নিয়েছেন। তিনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে মসজিদ সংলগ্ন পুকুরে ইউরিয়া সার ব্যবহার করেছেন। অথচ বাকি দু'টি পুকুরে অজিউল্ল্যাহ সার ব্যবহার না করার কারণে ওই দুটি পুকুরের পানি ভালো রয়েছে।



ঘনিয়া সাঈদিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এমটিএম ফেরদাউস বলেন, এর আগেও এই পুকুরে ইউরিয়া সার ব্যবহার করার কারণে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর দুভেআগ পোহাতে হয়েছে। এখন আবারো ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে গত চার মাস যাবৎ আমাদের শিক্ষার্থীদের মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।



এ বিষয়ে পুকুর ইজারাদার আজিজ উল্যাহ্ আখন্দ বলেন, এটি মাদ্রাসার পুকুর নয়, আখন্দ বাড়ির পুকুর। আমি পুকুর তিনটি ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করেছি। সুতরাং আমি লাভের চিন্তা করবো, তবে কারো ক্ষতি করে নয়।



অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি তিনটি পুকুরেই সার ব্যবহার করেছি। মসজিদ সংলগ্ন পুকুরে কেনো অতিরিক্ত শ্যাওলা পড়েছে। বাকি দুটিতে পড়ে নাই কেনো তা আমি জানি না। আমি মৎস্য অফিসে কথা বলেছি। তারা বলেছে, পুকুরে অতিরিক্ত সাবান ব্যবহারের কারণে অতিরিক্ত শ্যাওলা পড়েছে। তাই মৎস্য অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী গত ১৫ দিন আমি পুকুরে মাছের খাদ্য দিচ্ছি না।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৬৮৩৫
পুরোন সংখ্যা