চাঁদপুর, রোববার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • অনিবার্য কারণে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির আজকের চাঁদপুর সফর স্থগিত করা হয়েছে
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৫। আকাশম-লী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁহারই এবং আল্লাহরই দিকে সমস্ত বিষয় প্রত্যাবর্তিত হইবে।


০৬। তিনিই রাত্রিকে প্রবেশ করান দিবসে এবং দিবসকে প্রবেশ করান রাত্রিতে এবং তিনি অন্তর্যামী।


 


 


 


assets/data_files/web

মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে আমি নিজের অভিভাবক। -নিকেলাস রান্ড।


 


 


যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্য সৌভাগ্যশালী হয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
হাজীগঞ্জে বিভিন্ন পরিবারের মাঝে পাকা ও টিনের বসতঘর তৈরি উদ্বোধন
অসহায়দের ঘর করে দেয়া সরকারের ব্যতিক্রমর্ধী উন্নয়ন
-----------------------------মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি
কামরুজ্জামান টুটুল
২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


'জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবিরামভাবে দেশে যে উন্নয়ন করে চলেছেন, তা বিশ্বে আজ রোল মডেলে পরিণত হচ্ছে। দেশ যেভাবে উন্নয়নের দিকে ধাবিত হচ্ছে, তাতে করে আমাদের গড় আয়ু ও মাখাপিছু আয় সবই বেড়েছে।' গতকাল শনিবার হাজীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে অসুস্থ ও অসহায়দের মাঝে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত বসতঘরের চাবি বুঝিয়ে দেয়ার সময় এ কথাগুলো বলেন চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।



বাকিলা ইউনিয়নের খলাপাড়া দাস বাড়িতে একটি ঘর বুঝিয়ে দেয়ার সময় মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত এই কিংবদন্তি আরো বলেন, দুঃস্থ ও অসহায়দের পাকা কিংবা টিনের বসতঘর তৈরি করে তা বুঝিয়ে দেয়া সরকারের এক ব্যতিক্রম ধরনের উন্নয়নের অংশ। আমাদের উদ্বোধনকৃত ঘরগুলোর মধ্যে দুর্যোগ সহনীয় টয়লেট, গোসলখানা, রান্নাঘরসহ চৌচালা টিনশেড পাকা ঘর আর টয়লেট ও ফ্লোর পাকা টিনের চৌচালা বসতঘরগুলোর কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, যা আমরা ঘরের মালিককে বুুঝিয়ে দিচ্ছি। যাদের বসত বাড়ি আছে কিন্তু ঘর করার মতো সামর্থ্য নেই তাদের আমাদের সরকার এই ঘর করে দিচ্ছে।



নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি বলেন, আমাদের হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিকে আমরা বহু আগে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করেছি। একটা সময় আমি এলাকায় আসলে বিদ্যুৎ প্রাপ্তির সুপারিশ পত্রের স্বাক্ষর দিতে হতো। আর এখন এ জাতীয় কোনো সুপারিশ নিয়ে কেউ আসে না। দুই উপজেলার মধ্যে যৎসামান্য অংশবিশেষ সড়ক কাঁচা থাকতে পারে। উপজেলার ভিতর দিয়ে চলে যাওয়া প্রধান সড়কগুলো ছাড়াও ছোট সড়কগুলো বহু পাকা হয়েছে। আবার অনেকগুলো পাকার সাথে সাথে রিপেয়ারিং করা হয়েছে।



উপজেলার বাকিলা ইউনিয়ন, কালচোঁ উত্তর ও কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন এবং ৫নং হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেয়ার সময় তাঁর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মোঃ মাইনুদ্দীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বৈশাখী বড়ুয়া, জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন মিয়াজী, সহ-সভাপতি আলী আশরাফ দুলাল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক মুরাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রহমান মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাজী জসিম, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মির্জা শিউলি, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল হাদি, মাহফুজুর রহমান ইউছুফ পাটওয়ারী, মানিক হোসেন প্রধানীয়া, গোলাম মোস্তফা স্বপন, সফিকুল ইসলাম মীর, জাকির হোসেন লিটু, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মাসুদ ইকবাল, যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন সোহেল, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাছান রাবি্বসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী।



উল্লেখ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে দুর্যোগ সহনীয় চৌচালা পাকা টিনের ঘর, টয়লেট, রান্নাঘরসহ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ২৪টি ও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে টয়লেটসহ ভিটি পাকা চৌচালা ৩১০টি বসতঘর ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল শনিবার বেশ কয়েকটি ঘর স্থানীয় সাংসদ বাড়ি বাড়ি গিয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে বুঝিয়ে দেন। বাকী ঘরগুলোর চাবি আজ (বোরবার) উপজেলা পরিষদে বুঝিয়ে দেয়া হবে।



এর আগে একই দিন সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি উচ্চ মাধ্যমিক প্রকল্পের আওতায় আয়বর্ধণ অনানুষ্ঠানিক কারিগরি প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে উপজেলা ই-সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাতা, উপকরণ ও সনদপত্র বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানের ওই অংশের সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু। অনুষ্ঠানে উপজেলার ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ জন করে মোট ২০জন অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ এবং প্রশিক্ষণ উপকরণ প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ১১ জন বালক এবং ৯ জন বালিকা। এদের মধ্যে ১০ জনকে ড্রেস মেকিং এবং ১০ জনকে ডাটা এন্ট্রি এন্ড প্রসেসিং প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৫৯৩৪০
পুরোন সংখ্যা