চাঁদপুর, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
মতলবের চারটভাঙ্গায় জলাশয়কে কেন্দ্র করে মারামারি
নিজস্ব প্রতিনিধি
২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব দক্ষিণের চারটভাঙ্গা গ্রামে মাছের জলাশয়কে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গত ১৯ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার চারটভাঙ্গা উত্তরপাড়া সুখলাল মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।



সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার চারটভাঙ্গা উত্তরপাড়া সুখলাল মাস্টার বাড়ির শ্যাম দাস প্রধান চারটভাঙ্গা শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরের নামে থাকা একটি পুকুর বাৎসরিক লীজ নেন। ওই পুকুরে দেশী প্রজাতির মাছ প্রবেশের জন্য পুকুরের পাড় (জান) কেটে রাখেন শ্যাম দাস। উক্ত জানে জাল দিয়ে মাছ প্রবেশে বাধার সৃষ্টি করে একই এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মনির হোসেন মাঝি। পরে ওই জাল সরিয়ে দিতে গেলে মনির হোসেন শ্যাম দাসকে বেধড়ক মারধর করে আহত করেন। শ্যাম দাসের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।



এ ঘটনায় ওই এলাকার এক যুবক পুলিশের ৯৯৯ নাম্বারে কল করলে তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।



শ্যাম দাসের ছেলে রুই দাস জানান, আমাদের পুকুরের 'জানে' মনির হোসেন জোরপূর্বক জাল দিয়ে মাছ প্রবেশে বাধার সৃষ্টি করে। পরে আমার বাবা বাধা দিতে গেলে মনির হোসেন, তার ভাই বিল্লাল হোসেন, বাবা সিদ্দিকুর রহমান, মনির হোসেনের স্ত্রী লাভলী বেগম, বোন পারভীনসহ ১০/১৫ জন মিলে আমার বাবাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে বাবার ডাক-চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করে মতলব হাসপাতালে নিয়ে যাই।



সরেজমিনে গিয়ে মনির হোসেনকে পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে মনির হোসেনের স্ত্রী লাভলী বেগম জানান, আমরা শ্যাম দাসকে মারধর করিনি।



মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ স্বপন কুমার আইচ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১০০৮০৫২
পুরোন সংখ্যা