চাঁদপুর, বুধবার ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


০৭। তোমরা আল্লাহ ও তাহার রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং আল্লাহ তোমাদিগকে যাহা কিছুর উত্তরাধিকারী করিয়াছেন তাহা হইতে ব্যয় কর। তোমাদের মধ্যে যাহারা ঈমান আনে ও ব্যয় করে, তাহাদের জন্য আছে মহাপুরস্কার।


 


 


মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে আমি নিজের অভিভাবক। -নিকেলাস রান্ড।


 


 


যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্য সৌভাগ্যশালী হয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুুর শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকায় স্ত্রী সালমা বেগম (৩৮)কে শ্বাসরোধ করে হত্যার অপরাধে স্বামী গফুর মিজিকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোঃ জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় দেন।



হত্যার শিকার সালমা চাঁদপুর শহরের উত্তর শ্রীরামদী মাদ্রাসা রোডের মৃত খালেক বেপারীর মেয়ে। গফুর মিজি ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ভাটিয়ালপুর এলাকার চির্কা চাঁদপুর গ্রামের মৃত রহমান মিজির ছেলে। তিনি পেশায় শ্রমিক।



মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে সালমার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম (১৯) বোনের বাসায় আসে। রাতের খাবার শেষে সাইফুল পাশের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৩৫মিনিটে ঘরে আসে গফুর মিজি। তখন স্ত্রী তাকে বলেন, আপনি রাতে দেরি করেন আসেন কেন? এত রাতে বাইরে কী করেন। এই নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিত-া হয়।



পরদিন ২১ অক্টোবর ভোর ৬টায় সালমার ছোট ভাই সাইফুল ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার বোনের মরদেহ মেঝেতে পড়ে আছে এবং গলাতে ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। তাৎক্ষণিক সে চাঁদপুর মডেল থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।



এই ঘটনায় ২১ অক্টোবর চাঁদপুর মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়। ২০১৬ সালের ৩০ জুন ময়নাতদন্ত পাওয়ার পর পুলিশ নিশ্চিত হয় সালমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। সেই আলোকে ১ জুলাই সালমার মা রহিমা বেগম (৫৫) গফুর মিজিকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আসামী গফুর মিজিকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।



মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হালিম সরকার তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১ নভেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।



সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডঃ মোঃ আমান উল্যাহ বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামীর উপস্থিতিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদ- প্রদান করা হয়।



সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মোঃ সাইফুল ইসলাম শেখ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১০০৮৮৩৯
পুরোন সংখ্যা