চাঁদপুর, শুক্রবার ৮ নভেম্বর ২০১৯, ২৩ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


০১। আল্লাহ অবশ্যই শুনিয়াছেন সেই নারীর কথা, যে তাহার স্বামীর বিষয়ে তোমার সহিত বাদানুবাদ করিতেছে এবং আল্লাহর নিকটও ফরিয়াদ করিতেছে। আল্লাহ তোমাদের কথোপকথন শোনেন, আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।


 


 


 


 


assets/data_files/web

কুৎসিত মন একটি সুন্দর মুখের সমস্ত সৌন্দর্য কেড়ে নেয়। -স্পেন্সার।


 


 


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে তার ভালো ও পরিচ্ছন্ন কথা বলা উচিত অথবা নীরব থাকা বাঞ্ছনীয়। পরিচ্ছন্ন কথা হচ্ছে দান কাজের সমতুল্য।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে বিএনপির আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
বন্দী গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আরেকটি সংহতি ও বিপ্লবের প্রয়োজন
-------------শরীফ মোঃ ইউনুছ
স্টাফ রিপোর্টার
০৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গতকাল ফরিদগঞ্জ উপজেলা, পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী এমএ হান্নান প্রতিষ্ঠিত আশেক আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ মোঃ ইউনুছের সভাপ্রধানে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি মজিবুর রহমান (দুলাল)-এর পরিচালনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়। এই দিবসের আলোচনায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মতিন ও পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক উপজেলা বিএনপির সদস্য মোঃ মহসিন মোল্লা, ডাঃ একে আজাদ, মোঃ মফিজ চৌধুরী, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর, উপজেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ দেলোয়ার হোসেন সোহেল, মোঃ আব্দুল খালেক।



উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ মোঃ ইউনুছ তাঁর সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালে যেভাবে দেশের জনগণের বাক্স্বাধীনতা হরণ করে এক দলীয় শাসন কায়েম করে মানুষের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিলো, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ভুলুণ্ঠিত করে মানুষের প্রতিবাদের স্বাধীনতা বাক্রুদ্ধ করে রেখেছিলো, প্রতিবাদ করলেই গুম, খুন করা হতো, বর্তমান সরকার তার চেয়ে ভয়াবহভাবে আজ দেশ পরিচালনা করছে। যে দেশের নব্বই ভাগ লোক ইসলাম ধর্ম পালন করে সেই দেশে বুয়েটের ছাত্র আবরার নামাজ পড়ার দায়ে খুন হতে হলো। এদেশে ধর্মভীরু মুসলমানরা আজ আতংকিত। ধর্ম-কর্ম পালন করলেই জামাত-শিবির আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।



সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান বকুল, মোঃ খশরু মোল্লা, বাদল ঢালী, ফজলুর রহমান বাচ্চু, মোঃ আবু সায়েদ পাটোয়ারী, মোঃ নাজিম উদ্দিন ভঁূইয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ ওমর ফারুক, বিল্লাল ভূঁইয়া, খোরশেদ আলম, আব্বাস গাজী, শাহ আলম কিরণ, ফারুক হোসেন, খন্দকার মোক্তার হোসেন, নেছার গাজী, খন্দকার হুমায়ুন, আনোয়ার হোসেন কালু, শাহ আলম, বিল্লাল বেপারী, মোঃ শফিকুর রহমান, শাহাজাহান গাজী, আবু তাহের পাটোয়ারী, মোঃ শাহিন মোল্লা, মোঃ ইমাম হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বুলু, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ শফিউল্যাহ, উপজেলা যুবদল নেতা মোঃ হাসান, বকুল, মোঃ আমিন, আমির হোসেন, ছাত্রদল নেতা মোঃ মঞ্জুর আলম, ভাগিনা রুবেল, ইমরান হোসেন স্বপন, রাফিকুল ইসলাম, আল-আমিন মোল্লা, মোঃ মাসুম মোল্লা, অনিক হোসেন প্রমুখ।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯১৯১৫
পুরোন সংখ্যা