চাঁদপুর, শুক্রবার ৮ নভেম্বর ২০১৯, ২৩ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


০১। আল্লাহ অবশ্যই শুনিয়াছেন সেই নারীর কথা, যে তাহার স্বামীর বিষয়ে তোমার সহিত বাদানুবাদ করিতেছে এবং আল্লাহর নিকটও ফরিয়াদ করিতেছে। আল্লাহ তোমাদের কথোপকথন শোনেন, আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।


 


 


 


 


assets/data_files/web

কুৎসিত মন একটি সুন্দর মুখের সমস্ত সৌন্দর্য কেড়ে নেয়। -স্পেন্সার।


 


 


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে তার ভালো ও পরিচ্ছন্ন কথা বলা উচিত অথবা নীরব থাকা বাঞ্ছনীয়। পরিচ্ছন্ন কথা হচ্ছে দান কাজের সমতুল্য।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
আল্লামা রুহুল্লাহ (রঃ)-এর আজ ২২তম ওফাত দিবস
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
০৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেলা গাউছিয়া কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি এবং ঐতিহাসিক বেগম জামে মসজিদের দীর্ঘ ২৬ বছরের (১৯৬৪-১৯৯০) ইমাম ও খতিব হযরতুল আল্লামা মাওঃ রুহুল্লাহ (রঃ)-এর ২২তম ওফাত দিবস আজ ৮ নভেম্বর। ১৯৯৭ সালের এদিনে তিনি ঢাকা শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। ইন্তেকালের আগ পর্যন্ত তিনি চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার ওছমানিয়া ফাযিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগে অধ্যাপনার দায়িত্বে ছিলেন।



চাঁদপুরের সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন জীবদ্দশায় সুন্নাতে নববীর উপর নিজের গোটা জীবনকে পরিচালিত করে গেছেন। তাঁর ইলমের প্রাজ্ঞতা এবং আমলের পরিপূর্ণতার কারণে অন্য ধর্মের মানুষও তাঁর প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। এমনকি ইসলামের অন্য ভ্রান্ত মতাবলম্বীরাও তাঁর জ্ঞান এবং ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করতো। চাঁদপুর শহরে তাঁকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বীজ বপনকারী বলা হয়।



তাঁর চার ছেলের মধ্যে বড় ছেলে আবু জাফর মোঃ হাবিবুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিভাগে অনার্স, মাস্টার্স ডিগ্রি কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক হিসেবে প্রথম চাকুরি জীবন শুরু করেন এবং সর্বশেষ কৃষি ব্যাংকের এজিএম হিসেবে চাকুরি থেকে অবসর নেন। মেজো ছেলে অধ্যক্ষ আনম মহিবুল্লাহ ফরিদগঞ্জ চান্দ্রা ছামাদিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে আছেন, ৩য় ছেলে আবুল হাসানাত হোমিও চিকিৎসক এবং ছোট ছেলে এএইচএম আহসান উল্লাহ ঢাকা মোহাম্মদপুর কামিল মাদ্রাসা থেকে কামিলে হাদিস বিভাগ নিয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে প্রথমে সদর উপজেলার রামপুর আলিম মাদ্রাসার আরবি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর স্বেচ্ছায় সে চাকুরি ছেড়ে দিয়ে সাংবাদিকতা পেশায় আসেন এবং পাশাপাশি ম্যারিজ রেজিস্ট্রার (কাজী) হিসেবে সরকার থেকে নিয়োগ পান। তিনি বর্তমানে চাঁদপুর কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক। তাঁর মেয়ের জামাতারাও একেকজন বিজ্ঞ আলেম, পীর সাহেব, ব্যবসায়ী এবং চাকুরিজীবী।



তাঁর এই ওফাত দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর শহরে পারিবারিকভাবে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে এবং প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে গ্রামের বাড়িতে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯২৪৬২
পুরোন সংখ্যা