চাঁদপুর, রোববার ১০ নভেম্বর ২০১৯, ২৫ কার্তিক ১৪২৬, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৫। নিশ্চয়ই আমি আমার রাসূলগণকে প্রেরণ করিয়াছি স্পষ্ট প্রমাণসহ এবং তাহাদের সংগে দিয়াছি কিতাব ও ন্যায়নীতি, যাহাতে মানুষ সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে। আমি লৌহও দিয়াছি যাহাতে রহিয়াছে প্রচ- শক্তি ও রহিয়াছে মানুষের জন্য বহুবিধ কল্যাণ। ইহা এইজন্য যে, আল্লাহ প্রকাশ করিয়া দেন কে প্রত্যক্ষ না করিয়াও তাঁহাকে ও তাঁহার রাসূলগণকে সাহায্য করে। আল্লাহ শক্তিমান, পরাক্রমশালী।


 


 


 


অপ্রয়োজনে প্রকৃতি কিছুই সৃষ্টি করে না। -শংকর।


 


 


কবর এবং গোসলখানা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়াই নামাজের স্থান।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল : চাঁদপুরে প্রস্তুত ৩১১ আশ্রয় কেন্দ্র ও ১১৭ মেডিকেল টিম
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল'-এর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে চাঁদপুরের প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। নদী পাড় ও চরাঞ্চলের মানুষজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্যে মাইকিং করা হয়েছে। চাঁদপুর শহরেও পৌরসভার পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। জেলায় ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র ও ১১৭টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গতকাল ৯ নভেম্বর শনিবার সকাল থেকে এ জেলায় ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ছিলো।



চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান জানিয়েছেন, সরকারি-বেসরকারি ১ হাজার ১৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং গ্রাম পুলিশের ৭৫০ জন সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলার জন্যে এ মুহূর্তে ১৮৪ টন চাল, এক লাখ ৬১ হাজার টাকা, ৭৩৪ বান্ডেল টিন ও পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।



জেলা প্রশাসক আলো জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধে জেলার সব সরকারি-বেসরকারি দফতরকে, বিশেষ করে দুর্যোগ অধিদফতর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি, বিআইডবিস্নউটিএ, নৌ-পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, আবহাওয়া অফিস, রোভার স্কাউট ও রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের প্রস্তুত ও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। মানুষের জানমালের যেনো কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। জেলা ও উপজেলার সব বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর ও দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্যে বলা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলায় গতকাল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।



হাইমচরের ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ জিএম আমির হোসেন বলেন, 'আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি। সকাল থেকেই নদীপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষজনকে সচেতন করার কাজ করছি। আশ্রয়কেন্দ্রে আসার জন্য বলেছি। মাইকিংও করা হয়েছে।'



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৪৭৪৭৪
পুরোন সংখ্যা