চাঁদপুর, শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩। আল্লাহ উহাদের নির্বাসনের সিদ্ধান্ত না করিলে উহাদিগকে পৃথিবীতে অন্য শাস্তি দিতেন; পরকালে উহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি।


 


 


 


assets/data_files/web

ভালোবাসা মানুষকে শিল্পী করতে পারে কিন্তু প্রাচুর্য বাধার সৃষ্টি করে।


-ওয়াশিংটন অলস্টন।


 


 


কৃপণতা একটি ধ্বংসকারী স্বভাব, ইহা মানুষকে দুনিয়া এবং আখেরাতের উভয় লোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা
রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে উপজেলার ১৭ বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করার ক্ষমতা চেয়ারম্যানদের দেয়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার
১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ানের সভাপ্রধানে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদা পলিন, উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন সজীব, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইউব আলী বেপারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানা, উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডাঃ এমএ গফুর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামাল উদ্দিন, উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, ১নং বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন খান শামীম, ২নং আশিকাটি ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, ৩নং কল্যাণপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাখাওয়াত হোসেন রনি পাটওয়ারী, ৫নং রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন পাটওয়ারী, ৬নং মৈশাদী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শিল্পী বেগম, ৭নং তরপুরচ-ী ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজী, ৯নং বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম মিজি, ১১নং ইব্রাহীমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ কাশেম খান, ১৩নং হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান ছাত্তার রাঢ়ী, ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ হযরত আলী বেপারী, উপজেলার সিএ দিদার হোসেন প্রমুখ। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন ইউপি সচিব উপস্থিত ছিলেন।



সভার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে_২০১০ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী উপজেলার ১৭টি বিভাগের যাবতীয় কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব চেয়ারম্যানদের উপর দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের থেকে ওইসব বিভাগের কার্যক্রম অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। অর্থাৎ উপজেলার ১৭টি বিভাগের কার্যক্রমে চেয়ারম্যানদের সরাসরি অংশীদারিত্ব থাকতে হবে। এ বিষয়ে সচেতন এবং সচেষ্ট হতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া সফরমালী বাজারের টোল ব্যক্তিবিশেষ কীভাবে আদায় করে আত্মসাৎ করছে এ বিষয়টি দেখার জন্যে ইউএনওকে বলা হয়। সভায় বলা হয়, যে কোনো টোল বা ইজারা আদায় করবে সরকার। এখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আদায় করে তা আত্মসাৎ করতে পারে না।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৬৮১২
পুরোন সংখ্যা