চাঁদপুর, বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৫। যাহারা আল্লাহ ও তাহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাহাদিগকে অপদস্থ করা হইবে যেমন অপদস্থ করা হইয়াছে তাহাদের পূর্ববর্তীদিগকে; আমি সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করিয়াছি; কাফিরদের জন্যে রহিয়াছে লাঞ্চনাদায়ক শাস্তি।


 


 


 


 


কোনো কোনো সময় প্রকৃতি বিদ্রোহ করলে মানুষ তার সুযোগ গ্রহণ করে। -ইয়ং।


 


 


দাতার হাত ভিক্ষুকের হাত অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি স্বাবলম্বী ও তৃপ্ত হতে চায়, আল্লাহ তাকে স্বাবলম্বন ও তৃপ্তি দান করেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
লবণের দাম বাড়ার আশঙ্কা পুরোপুরি গুজব
চাঁদপুর কণ্ঠ ডেস্ক
২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


লবণ বিপণনকারী শীর্ষ চার কোম্পানি বলেছে, দেশে লবণের কোনো ঘাটতি নেই। বরং বাড়তি লবণ নিয়ে কোম্পানিগুলো ও চাষিরা বিপাকে আছেন। দাম বাড়ার আশঙ্কা পুরোটাই গুজব।



ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হঠাৎ করেই লবণ কেনার হিড়িকের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিগুলো এসব কথা জানায়। দেশে লবণ সরবরাহকারী শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এসিআই সল্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীর বলেন, এটি সম্পূর্ণ গুজব। সরবরাহের কোনো সমস্যা নেই। আমরা একটি পয়সাও দাম বাড়াইনি। তিনি বলেন, ক্রেতাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।



মোল্লা সল্টের মহাব্যবস্থাপক আবদুল মান্নান বলেন, তিনি এখন কক্সবাজারে রয়েছেন। সেখানে চাষিদের কাছেই চার লাখ টনের মতো লবণ মজুত আছে। তিনি আরও বলেন, বাজারে লবণের দাম নেই। লবণের চাহিদা কম। এ কারণে অনেক চাষি এখনো নতুন মৌসুমের লবণ চাষ শুরু করেননি।



আবদুল মান্নান বলেন, আমরা দাম বাড়াইনি। সরবরাহ ঠিক আছে। মিল আগামী দুই মাস চালানোর মতো লবণ আমাদের হাতে আছে।



কনফিডেন্স সল্টের মহাব্যবস্থাপক মোঃ সামসুদ্দিন বলেন, ঘাটতি তো নেই-ই, উল্টো বিক্রি কম। এর কারণ শুল্কমুক্ত বন্ডের লবণ বাজারে চলে আসছে। দেশি কৃষক ও মিল মালিকেরা বিপাকে আছেন। তিনি আরও বলেন, মিলগুলোও খুব খারাপ অবস্থায় আছে।



এদিকে শিল্প মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে সাড়ে ছয় লাখ মেট্রিক টনের বেশি ভোজ্যলবণ মজুত রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের লবণচাষিদের কাছে ৪ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন এবং বিভিন্ন লবণ মিলের গুদামে ২ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন লবণ মজুত রয়েছে।



মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, দেশে প্রতি মাসে ভোজ্য লবণের চাহিদা কমবেশি এক লাখ মেট্রিক টন। অন্যদিকে, লবণের মজুত আছে সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন।



পূবালী সল্টের মালিক পরিতোষ কান্তি সাহা বলেন, আমার কাছে যারাই লবণের কথা জানতে চাইছে, তাদের বলছি, কত লাগবে নেন। কোনো অভাব নেই। তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে অপরিশোধিত লবণের বস্তা (৭৫ কেজি) ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। এ দামে কৃষকের খরচই ওঠে না।



বাজারে এখন বিক্রি কোম্পানির সবচেয়ে ভালো মানের লবণের প্যাকেটের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) লেখা ৩৫ টাকা। আর সাধারণ লবণের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২৫ টাকা। পরিতোষ কান্তি সাহা এর বেশি দামে লবণ না কিনতে পরামর্শ দেন ক্রেতাদের।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩১৭০৮
পুরোন সংখ্যা