চাঁদপুর, বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৫। যাহারা আল্লাহ ও তাহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাহাদিগকে অপদস্থ করা হইবে যেমন অপদস্থ করা হইয়াছে তাহাদের পূর্ববর্তীদিগকে; আমি সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করিয়াছি; কাফিরদের জন্যে রহিয়াছে লাঞ্চনাদায়ক শাস্তি।


 


 


 


 


কোনো কোনো সময় প্রকৃতি বিদ্রোহ করলে মানুষ তার সুযোগ গ্রহণ করে। -ইয়ং।


 


 


দাতার হাত ভিক্ষুকের হাত অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি স্বাবলম্বী ও তৃপ্ত হতে চায়, আল্লাহ তাকে স্বাবলম্বন ও তৃপ্তি দান করেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণের মাধ্যমে এলাকায় ন্যায় ও শান্তি স্থাপন করতে হবে
--------উপ-সচিব মোহাম্মদ শওকত ওসমান
২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গত ১৮ নভেম্বর সকালে মতলব-উত্তর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী গ্রাম আদালত বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ। মতলব দক্ষিণের নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা হকের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শওকত ওসমান। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকার, গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর (ডিএফ) নিকোলাস বিশ্বাস, প্রকল্পের সহযোগী সংস্থার উপজেলা সমন্বয়কারী সগীর আহম্মেদ সরকার এবং নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।



অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপসচিব মোহাম্মদ শওকত ওসমান বলেন, গ্রাম আদালত সক্রিয়করণের মাধ্যমে এলাকায় ন্যায় ও শান্তি স্থাপন করতে হবে। জাতিসংঘ ২০১৬ সালে মোট ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। এরমধ্যে ১৬ নম্বর লক্ষ্যটি হল সমাজে ন্যায় ও শান্তি স্থাপন করা। গ্রাম আদালত এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ আন্তরিকতার সাথে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণের কাজে নিয়োজিত হলে সহজেই বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের ঘোষিত এই লক্ষ্যমাত্রাটি অর্জন করতে পারবে। এজন্য আমাদের সবাইকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। আজ এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকার ইউনিয়নের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদালত পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। এখন দরকার এই প্রশিক্ষণ-লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে গ্রাম আদালত সক্রিয় করার মাধ্যমে এলাকার জনসাধারণকে বিচারিক-সেবা প্রদান করা। এজন্যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে এবং সমাজে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।



মতলব দক্ষিণের নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা হক বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে এলাকার ছোট-খাট বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে। বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে মানুষের কষ্ট লাঘব করার জন্য সদাশয় সরকার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে আইন করে গ্রাম আদালত চালু করেছে। ২০০৬ সালে জাতীয় সংসদে এই গ্রাম আদালত আইন পাস করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত সক্রিয় করার কোনো বিকল্প নেই; কারণ উচ্চ আদালতে লক্ষ লক্ষ মামলা বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। এজন্যে স্থানীয়ভাবে স্বল্প সময়ে ও সহজে নামমাত্র মূল্যে এলাকার মানুষের সর্বোচ্চ ৭৫,০০০ টাকা মূল্যমানের মামলা নিষ্পত্তি করার জন্য দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত চালু করা হয়েছে।



ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ১৮-২১ নভেম্বর গ্রাম আদালত বিষয়ক এই বিশেষ প্রশিক্ষণে মতলব-দক্ষিণ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ৪৪ জন ইউপি সদস্য মোট দু'টি ব্যাচে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করবেন। সোমবার ১ম ব্যাচের প্রশিক্ষণে খাদেরগাঁও ও নারায়ণপুর ইউনিয়নের মোট ২২ জন ইউপি সদস্য অংশগ্রহণ করেছেন। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে এই প্রশিক্ষণ চলছে।



প্রশিক্ষণে যে সকল বিষয় উপস্থাপন করা হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে : বিকল্প বিরোধ নিস্পত্তি (এডিআর), গ্রাম আদালত আইন ও বিধিমালা, গ্রাম আদালতের ধাপসমূহ, শুদ্ধাচার, মূল্যবোধ ও গ্রাম আদালত; জেন্ডার ও গ্রাম আদালত। প্রশিক্ষণে গ্রাম আদালতের উপর একটি ভিডিও-শো প্রদর্শন সহ গ্রাম আদালতের মক-ট্রায়াল করা হয়, যেখানে ইউপি সদস্যবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩২১৬১
পুরোন সংখ্যা