চাঁদপুর, শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৮ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • মতলব উত্তরের আমিরাবাদ এলাকায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মুল বেড়িবাঁধে মেঘনার আকস্মিক ভাঙ্গন শুরু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৪। সনি্নহিত বৃক্ষচায়া তাদের উপর থাকিবে এবং উহার ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাহাদের আয়ত্তাধীন করা হইবে।


১৫। তাহাদিগকে পরিবেশন করা হইবে রৌপ্যপাত্রে এবং স্ফটিকের মত স্বচ্ছ পানপাত্রে-


 


 


assets/data_files/web

সৌভাগ্য ও প্রেম নির্ভীকের সঙ্গী।


-ফ্রাশ।


 


 


 


ক্ষমতায় মদমত্ত ও জালেমের জুলুমবাজির প্রতিবাদে সত্য কথা বলাও মতের প্রচারই সর্বোৎকৃষ্ট জেহাদ ।


 


 


ফটো গ্যালারি
ভুয়া দলিলে দিনমজুরের শেষ সম্বল বিক্রি মিথ্যে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের পরাণপুর গ্রামের অসহায় দিনমজুর আঃ কুদ্দসের একখ- সম্পত্তিই তার সম্বল। পৈত্রিক ভিটাবাড়ি না থাকায় অন্যের দয়ায় একটি কুঁড়েঘরই তার মাথা গোঁজার আশ্রয়। জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে কুদ্দুসের পরাণপুর রাস্তার পূর্ব পাশে বিলে সাবেক ১২২ হালে ১২৬নং পরাণপুর মৌজার সিএস ৪২,৩১ দাগে ৩০ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছিলো। মাথা গোঁজার কোনো আশ্রয় না থাকায় গ্রামবাসীর আর্থিক সহযোগিতায় তিনি পৈত্রিক জমি ভরাট করে একটি ঘর নির্মাণ করছেন। ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি ওই সম্পত্তি খারিজ করতে কচুয়া স্থানীয় তহসিল অফিসে গিয়ে জানতে পারেন তার পৈত্রিক দখলীয় সম্পত্তি একই উপজেলার লুন্তি গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে আলী আজগরের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়ে আছে।



রেকর্ড সংশোধনের জন্যে আঃ কুদ্দুস চাঁদপুরে রেকর্ড সংশোধনী মামলা দায়ের করেন। রেকর্ড সূত্রে মালিক হয়ে আলী আজগরের তার পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে পরাণপুর গ্রামের জামাল হোসেন ও তার স্ত্রী ঝরণা বেগমের নিকট বিক্রি করে দেয়।



পরাণপুর গ্রামের অসহায় দিনমজুর আঃ কুদ্দসের দাবি, আমার পৈত্রিক জমি ভুলক্রমে আলী আজগরের নামে রেকর্ড হওয়ার পর সে জায়গা অন্যত্র বিক্রি করে। সে আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪৭৮১৯
পুরোন সংখ্যা