চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪। ইহা এইজন্য যে, উহারা আল্লাহ ও তাঁহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল, এবং কেহ আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করিলে আল্লাহ তো শাস্তিদানে কঠোর।


 


 


আকৃতি ভিন্ন ধরনের হলেও গৃহ গৃহই। -এন্ড্রি উল্যাং।


 


 


স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।


 


 


ফটো গ্যালারি
হাসপাতালে মেয়েকে দেখতে এসে মায়ের মৃত্যু
শওকত আলী
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


অসুস্থ মেয়ে রুমানা বেগম (২২)কে মা নূরজাহান বেগম দিনাজপুর থেকে হাসপাতালে দেখতে এসে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের ভেতরে। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে আগত রোগী ও স্বজনরা হাসপাতালের গাইনী বিভাগে এসে ভিড় করে। এ সময় মানুষজনের মধ্যে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ঘটনা জেনে হাসপাতালে এসে ভিড় জমায় চাঁদপুরে বসবাসরত নিহতের আত্মীয়-স্বজন। তখন নিহতের স্বামী ও মেয়ে রুমানার কান্নায় হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। বুকফাটা কান্নায় তাদের মুর্ছা যেতে দেখা যায়। এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশিবুল আহসান চৌধুরী আসিফ বলেন, মেয়েকে দেখতে এসে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে মারা যাওয়া নূরজাহান বেগমের পূর্বেই উচ্চ রক্তচাপ অথবা হার্টের সমস্যা ছিল।



ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চাঁদপুর শহরের নতুনবাজার ট্রাকরোড বটতলা এলাকায় বসবাস করেন নূরজাহান বেগমের মেয়ে রুমানা বেগম ও তার স্বামী মমিনুল ইসলাম। রুমানার শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় এবং সে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কারণে তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের গাইনী বিভাগে চিকিৎসার জন্যে ভর্তি করা হয়। রুমানার চিকিৎসা চলাবস্থায় তার মা তাকে দেখার জন্যে রোববার দুপুরে দিনাজপুর থেকে ঢাকা হয়ে লঞ্চে চড়ে চাঁদপুর আসেন। রুমানার বাবা ওহিদুল ইসলাম জানান, তিনি লঞ্চঘাটে থাকা অবস্থায় জানতে পারেন মেয়ে রুমানার অবস্থা অনেক খারাপ, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তখন মেয়েকে দেখতে মা ছুটে আসেন হাসপাতালে। দুপুর সোয়া ১টায় হাসপাতালে এসে তিনি জানতে পারেন মেয়ের শারীরিক অবস্থা অনেক খারাপ তাকে সিজার করতে হবে। এসব জেনে চিন্তাযুক্ত হয়ে পড়েন মা। এরই মধ্যে নূরজাহান বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি ফ্লোরে ঘুরে পড়েন।



খবর পেয়ে হাসপাতালের আরএমও ডাঃ আশিবুল আহসান চৌধুরী আসিফ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন নূরজাহান বেগমের মৃত্যু হয়েছে। তারপরও দীর্ঘ সময় অঙ্েিজন দেয়া হয়। পরে ইসিজি করে নূরজাহানের মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হন।



দুপুরেই নূরজাহানের আত্মীয় স্বজনরা হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ নিয়ে যান বলে হাসপতাল কর্তৃপক্ষ জানায়। তার মেয়ের জামাতা মমিনুল ইসলাম জানান, নিহতের লাশ বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সযোগে তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৫৬১২৮
পুরোন সংখ্যা