চাঁদপুর, শুক্রবার ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৭-সূরা মুল্ক


৩০ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৬। যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি, উহা কত মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল।


 


 


assets/data_files/web

আমার নিজের সৃষ্টিকে আমি সবচেয়ে ভালোবাসি।


-ফার্গসান্স।


 


 


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


 


ফটো গ্যালারি
পেঁয়াজ-রসুনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা চাঁদপুরে ৯ হাজার মেট্রিক টন
শওকত আলী
১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলার ৭ উপজেলায় এ বছর পেঁয়াজ-রসুনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ২শ' ২৮ মেট্রিক টন এবং চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৪শ' হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে। এ মৌসুমে হাইমচরে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ-রসুনের চাষাবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে বলে জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।



দেশের বিভিন্ন জেলার তুলনায় জরিপে দেখা গেছে, চাঁদপুর দেশের অন্যতম নদীবিধৌত কৃষিপ্রধান অঞ্চল। পদ্মা, মেঘনা, মেঘনা-ধনাগোদা ও ডাকাতিয়া নদী এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় কৃষি উৎপাদনে নদী অববাহিকায় ব্যাপক ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। নদীর তীরসংলগ্ন এলাকাগুলোতে ব্যাপকহারে এর চাষাবাদ ও উৎপন্ন হয়ে থাকে। চাঁদপুরে ধান, পাট, আলু, সয়াবিন, পেঁয়াজ-রসুন, ভুট্টা ও রসুন-পেঁয়াজ চাষাবাদ হয়ে থাকে বলে কৃষি বিভাগের তথ্য সূত্রে জানা যায়।



চাঁদপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শাহরাস্তি উপজেলা ব্যতীত ৭ উপজেলায় এবার পেঁয়াজ-রসুনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ২২৮ মেঃ টন এবং চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৪শ' হেক্টর। এ মৌসুমে চাঁদপুরের হাইমচরে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ-রসুনের চাষাবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে। এর মধ্যে পেঁয়াজের উৎপাদন হলো ৬ হাজার ১২৮ মেঃ টন এবং চাষাবাদ হলো ৯শ' হেক্টর। রসুনের উৎপাদন হলো ৩ হাজার ১শ' মেঃ টন এবং চাষাবাদ হলো ৫শ' হেক্টর।



কৃষি অফিস জানায়, চাঁদপুর সদরে পেঁয়াজ-রসুনের চাষাবাদ লক্ষ্যমাত্রা ১৩০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৬২ মে.টন। মতলব উত্তরে চাষাবাদ হয়েছে ১৪০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩২ মেঃ টন। মতলব দক্ষিণে চাষাবাদ ৭৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫৮ মেঃ টন। হাজীগঞ্জে চাষাবাদ ১০৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৭৭ মেঃ টন। কচুয়ায় চাষাবাদ ৩০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৩ মেঃ টন। ফরিদগঞ্জে চাষাবাদ ১০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ মেঃ টন এবং হাইমচরে চাষাবাদ ৯১০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯০৩ মেঃ টন।



চাঁদপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুর রশিদ জানান, চাঁদপুরে পণ্য পরিবহনে সুবিধা, কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ, কৃষি বিভাগের উৎপাদনের প্রযুক্তি প্রদান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নত, কৃষি উপকরণ পেতে সহজলভ্যতা, বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষিবিদদের সঠিক পরামর্শ এবং ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ প্রদানের কারণে চাঁদপুরের চাষীরা ব্যাপক হারে পেঁয়াজ-রসুন ও সরিষার চাষ করছে। এতে চাষীরা ব্যাপক লাভবানও হচ্ছে বলে জানান। এ বছর আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূল থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা আরো বেশি অর্জিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮২৩৬৯
পুরোন সংখ্যা