চাঁদপুর, শুক্রবার ১৭ জানুয়ারি ২০২০, ৩ মাঘ ১৪২৬, ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬১-সূরা সাফ্ফ


১৪ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮। উহারা আল্লাহর নূর ফুৎকরে নিভাইতে চাহে কিন্তু আল্লাহ তাঁহার নূর পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত করিবেন, যদিও কাফিররা উহা অপছন্দ করে।


 


ব্যবসায়ীদের নিজস্ব কোনো দেশ নেই। - জেফারসন।


 


 


যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্য সৌভাগ্যশালী হয়।


 


 


ফটো গ্যালারি
অসময়ের বৃষ্টিতে ফরিদগঞ্জে ইটভাটা মালিকদের অপূরণীয় ক্ষতি
এমরান হোসেন লিটন
১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ফরিদগঞ্জ উপজেলায় অসময়ের বৃষ্টিতে ২০টি ইটভাটায় প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইটভাটার মালিকরা। উপজেলার গল্লাক, কামতা , মুন্সিরহাট, গাজীপুরসহ আরো কয়েক জায়গায় প্রায় ২০টি ইটভাটা রয়েছে। এইসব ইটভাটায় চলতি শীত মৌসুমের বৃষ্টিতে এবং পাশাপাশি রোদ না থাকায় প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে আগুন নিভে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।



শীত মৌসুমে উপজেলার প্রায় ২০টি ইটভাটায় পুরোদমে চলছিলো ইট তৈরির কাজ। ব্যস্ত সময় পার করছিলো ইট তৈরির কারিগররা। কিন্তু হঠাৎ করে অসময়ের বৃষ্টিতে ইটভাটাগুলোর তৈরিকৃত কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ইটভাটার মালিকরা। এতে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। ফলে লোকসান গুণতে হচ্ছে ইটভাটা মালিকদের। সেই সঙ্গে মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে নতুন ইট তৈরি করতে পারছেন না মালিকরা। ইটভাটার মালিকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও ব্যাংক ঋণ নিয়ে হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।



লাইসেন্স পাওয়া পলাশ এন্ড ব্রাদার্স ইট ভাটার মালিক আলহাজ্ব মফিজুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে এ প্রতিনিধিকে বলেন, ধার দেনা করে এবং ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ইটভাটা দিয়েছি। অসময়ের বৃষ্টির ফলে সব শেষ হয়ে গেলো। বৃষ্টির কারণে তার এ বছর প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে তিনি জানান। সুবিদপুর ইটভাটার মালিক মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, আমরা প্রত্যেকেই ব্যাংক লোনের উপর নির্ভরশীল এবং বিভিন্ন সমিতি ও প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ব্রিকফিল্ড পরিচালনা করি। কিন্তু এ বছর অসময়ের বৃষ্টির কারণে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। যার কারণে তার ৪০/৫০ লাখ টাকা লস হবে বলে তিনি জানান। এরকম আরো ৮-১০ জন ইট ভাটার মালিকের সাথে কথা হলে প্রত্যেকের একই ধরনের কথা পাওয়া যায়।



জানা যায়, ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে সরকার বড় ধরনের সুবিধা নেয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অচিরেই ক্ষতিগ্রস্ত ইটভাটাগুলোর তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন ইটভাটার মালিকরা।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২১৯৫৫৮
পুরোন সংখ্যা