চাঁদপুর, বুধবার ২২ জানুয়ারি ২০২০, ৮ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • জমে উঠেছে চাঁদপুরের আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬২-সূরা জুমু 'আ


১১ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে আল্লাহর, যিনি অধিপতি, মহাপবিত্র, পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।


 


 


মনে প্রশান্তি থাকলেই বিশ্রাম সুখময় হয়। -রবার্ট ডাব্লিউ সারভিস।


 


 


রসূলুল্লাহ (দঃ) বলেছেন, নামাজ আমার নয়নের মণি।


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে একই স্থানে যুবলীগের দুই গ্রুপের সভা আহ্বান শেষ পর্যন্ত একটিও হয়নি
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরে জেলা যুবলীগের একাংশের বর্ধিত সভা এবং সদর উপজেলা ও পৌর যুবলীগের যৌথ সভা একই স্থানে আহ্বান করায় কোনো গ্রুপেরই সভা হয় নি। তবে কোনো ধরনের সংঘাতও হয় নি। পরিস্থিতি অাঁচ করতে পেরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মোঃ আসাদুজ্জামান ও মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে পর্যাপ্ত পুলিশ ছিলো। পরে অবশ্য জেলা যুবলীগের একাংশের আহ্বানে বর্ধিত সভা হয়েছে বড় স্টেশন এলাকায় এবং সদর ও পৌর যুবলীগের যৌথ সভা হয়েছে সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। আর এই উভয় গ্রুপের সভা হওয়ার কথা ছিলো চাঁদপুর পৌর পাঠাগারে।



চাঁদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়ার আহ্বানে জেলা যুবলীগের (একাংশের) বর্ধিত সভা আহ্বান করা হয় চাঁদপুর পৌর পাঠাগারে। এ সভার তারিখ ও সময় ছিলো গতকাল ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১০টায়। অপরদিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা ও পৌর যুবলীগ যৌথ সভার আহ্বান করে একইদিন একই সময় একই স্থানে। সদর এবং পৌর যুবলীগের সভাটি ছিলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে।



এদিকে যুবলীগের দুই গ্রুপের সভা একই সময় একই স্থানে হওয়ার বিষয়টি প্রশাসন জানতে পেরে পাঠাগার এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়।



গতকাল সকাল সাড়ে দশটার দিকে পৌর পাঠাগার এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সেখানে অনেক পুলিশ সদস্য রয়েছেন। তাদের নেতৃত্বে আছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মোঃ আসাদুজ্জামান। সাথে ছিলেন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসিম উদ্দিন। সেখানে দেখা যায় জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী মাঝি, জেলা যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম শেখ বাদল, আব্দুল গণি, জাহাঙ্গীর হোসেন বেপারী, পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান বজু মোল্লা, সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন মিয়াজী, বর্তমান আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সুমন, যুগ্ম আহ্বায়ক শিমুল হাসান সামনু, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক শেখ, যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন বাবু পাটওয়ারীসহ জেলা, সদর ও পৌর যুবলীগের আরো অনেক নেতা-কর্মীকে। তখন সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সুমনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা আরো এক সপ্তাহ আগে সদর ও পৌর যুবলীগের যৌথ সভা আহ্বান করি। স্থান দেয়া হয় পৌর পাঠাগারে। সভাটি ছিলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে। সকাল ১০টায় ছিলো আমাদের পূর্ব নির্ধারিত এ সভা। আমরা সকালে এসে দেখি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়ার নেতৃত্বে যুবলীগের একটি অংশ এখানে মিটিং করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিষয়টি আমাদের কাছে ভালো লাগে নি। পরে আমরা পৌর পাঠাগারে সভা করি নি এবং কালু ভূঁইয়ার নেতৃত্বের অংশও সভা করে নি। এ সময় জেলা যুবলীগের কয়েকজন নেতা বলেন, উনি তো (কালু ভূঁইয়া) এখন আওয়ামী লীগ বা যুবলীগের কেউ নন। তিনি এখন আনারস লীগ। তিনি নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছেন।



এদিকে মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়ার সাথে সন্ধ্যায় কথা হলে তিনি জানান, আমরা আগেই পাঠাগারে বর্ধিত সভা করার জন্য অনুমতি নিয়েছি। কিন্তু বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত এড়াতে আমরা সেখানে আর সভা করি নি। পরে আমরা বড় স্টেশন এলাকায় সে সভা করেছি।



অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, কোথাও কোনো সভা সমাবেশ হলে পুলিশ সেখানে অবস্থান নেবে এটাই স্বাভাবিক। পাঠাগার এলাকায়ও তা-ই হয়েছে। এখানে সভা হবে জেনে আমরা অবস্থান নিয়েছি। যারা সভা করবেন তাদের অনেকে এখানে আসলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সভা হয় নি বলে জেনেছি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৬৩৪২৭
পুরোন সংখ্যা