চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২ ফাল্গুন ১৪২৬, ৩০ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৩। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নাই; সুতরাং মু'মিনগণ আল্লাহর উপর নির্ভর করুক।


১৪। 'হে মু'মিনগণ! তোমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্তুতিগণের মধ্যে কেহ কেহ তোমাদের শত্রু; অতএব তাহাদের সম্পর্কে তোমরা সতর্ক থাকিও। তোমরা যদি উহাদিগকে মার্জনা কর, উহাদের দোষ-ত্রুটি উপক্ষো কর এবং উহাদিগকে ক্ষমা কর, তবে জানিয়া রাখ, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


 


 


 


assets/data_files/web

আমার নিজের সৃষ্টিকে আমি সবচেয়ে ভালোবাসি।


-ফার্গসান্স।


 


 


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


 


ফটো গ্যালারি
শাহরাস্তিতে ডাকাতি মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড ৪ জনের যাবজ্জীবন
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শাহরাস্তি উপজেলার খেড়িহরে ডাকাতির মামলায় মজিবুর রহমান বেপারীকে মৃত্যুদ- ও মোঃ আবুল কাশেম, আনোয়ার হোসেন, মাহবুবুর রহমান ও কামালকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। একই সাথে প্রত্যেক আসামীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদ- দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আবুল কাশেমকে পৃথক ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদ- ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তার উভয় দ- একই সময়ে কার্যকর হবে। এ সময় এই মামলার ৫ আসামীর মধ্যে ৩ জনই পলাতক ছিলেন।



সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোঃ জুলফিকার আলী খাঁন এই রায় দেন। মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামী মুজিবুর রহমান খেড়িহর পূর্ব পাড়ার মঞ্জুর আহমেদের ছেলে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আবুল কাশেম মৃত হাসমত উল্যাহর ছেলে, আনোয়ার হোসেন মোঃ চাঁন মিয়ার ছেলে, মাহবুবুর রহমান মৃত আব্দুল্লাহ মাস্টারের ছেলে। তাদের বাড়ি খেড়িহর গ্রামে এবং কামাল কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার নর পাইয়া পূর্ব পাড়ার মৃত শাহ আলমের ছেলে।



মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক দেড়টায় উপজেলার খেড়িহর গ্রামের মোঃ ফারুকের বসতঘরে অধিকাংশ মুখোশধারী একদল ডাকাত অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ডাকাতি করতে আসে। ওই সময় ঘরে থাকা লোকজন টের পেয়ে ডাক-চিৎকার করলে জেঠাত ভাই তাজুল ইসলাম এগিয়ে আসে। তখন উপস্থিত ডাকাতরা তাজুলকে ইট পাটকেল মারে এবং গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। ঠিক ওই মুহূর্তে তাজুলের পিতা বুদরুছ ঘরের দরজা খুলে বের হলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এই সময় ডাকাতের তা-বে প্রত্যেক পরিবারের লোকজন এলোমেলো অবস্থায় ছুটাছুটি করলে ডাকাতরা ফারুকের ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগমকে অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।



অপরদিকে গুলিবিদ্ধ তাজুল ইসলামের পিতা বুদরুছকে আহত অবস্থায় স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক আব্দুর রহিমের কাছে নিয়ে যায়। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ওই দিনই শাহরাস্তি থানায় ৩৯৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।



মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহরাস্তি থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক মোঃ নুরুল আফসার ভূঁইয়া তদন্ত শেষে উল্লেখিত আসামীদের ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে প্রমাণ পাওয়ায় ২০০৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।



সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোঃ আমান উল্যাহ ও এপিপি অ্যাডঃ মোকতার আহমেদ অভি বলেন, মামলায় প্রথমে আসামী ৬জন থাকলেও আবুল খায়ের নামে একজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়। পরববর্তীতে মামলাটি দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর চলমান অবস্থায় ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে বিচারক ৩৯৬ ও ৪১২ ধারায় আসামীদেরকে পৃথক সাজায় দ-িত করেন। দ-িত আসামীদের মধ্যে মজিবুর রহমান, আবুল কাশেম ও আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছে। বাকি দুই আসামী মাহবুবুর রহমান ও কামালের উপস্থিতিতে এই রায় দেন বিচারক।



সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডঃ সেলিম আকবর, অ্যাডঃ আনোয়ার গাজী ও অ্যাডঃ রাজেশ মুখার্জী।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২৬৮৯৯
পুরোন সংখ্যা