চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ ২০২০, ১২ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৩-সূরা মুয্যাম্মিল


২০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


২০। তোমার প্রতিপালক তো জানেন যে, তুমি জাগরণ কর কখনও রাত্রির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কখনও অর্ধাংশ এবং কখনও এক তৃতীয়াংশ এবং জাগে তোমার সংগে যাহারা আছে তাহাদের একটি দলও এবং আল্লাহই নির্ধারণ করেন দিবস ও রাত্রির পরিমাণ। তিনি জানেন যে, তোমরা ইহা পুরাপুরি পালন করিতে পারিবে না, অতএব আল্লাহ তোমাদের প্রতি ক্ষমাপরবশ হইয়াছেন। কাজেই কুরআনের যতটুকু আবৃত্তি করা তোমার জন্য সহজ, ততটুকু আবৃত্তি কর, আল্লাহ জানেন যে, তোমাদের মধ্যে কেহ কেহ অসুস্থ হইয়া পড়িবে, কেহ কেহ আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানে দেশ ভ্রমণ করিবে এবং কেহ কেহ আল্লাহর পথে সংগ্রামে লিপ্ত হইবে। কাজেই তোমরা কুরআন হইতে যতটুকু সহজসাধ্য আবৃত্তি কর। অতএব সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহকে দাও উত্তম ঋণ। তোমরা তোমাদের নিজেদের মঙ্গলের জন্য ভাল যাহা কিছু অগ্রিম প্রেরণ করিবে। তোমরা তাহা পাইবে আল্লাহর নিকট। উহা উৎকৃষ্টতর এবং পুরস্কার হিসাবে মহত্তর। আর তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর আল্লাহর নিকট; নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


 


 


assets/data_files/web

জনসমর্থনহীন সরকারের পতন অবধারিত।


-জ্যোতি বসু।


 


 


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনার হরতাল!
জনমানবশূন্য শহর সব কিছু স্থবির
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শহরে নেই কোনো ধরনের যানবাহন। নেই কোনো জনমানব। সকল ধরনের দোকানপাট, মার্কেট, শপিংমল, ছোটখাটো দোকান, এমনকি হোটেল রেস্তোঁরাও বন্ধ। সড়ক, মহাসড়ক এবং শাখা সড়ক সব ফাঁকা। কোনো যানবাহন তো দূরের কথা মানুষজনও নেই রাস্তায়। স্মরণাতীতকালে কোনো হরতালেও যানবাহনশূন্য ও জনমানবশূন্য শহর দেখা যায় নি। গতকাল বুধবার এই পরিস্থিতি দেখা গেলো চাঁদপুর শহরে। আর গতকালই শেষ নয়, অনির্দিষ্টকালের জন্য দেখা যাবে এ পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতি বড় কোনো রাজনৈতিক দলের ডাকা হরতাল বা সরকার বিরোধী বড় ধরনের কোনো কর্মসূচির কারণে নয়। 'করোনা ভাইরাস' নামে বিশ্বব্যাপী মহামারী আতঙ্কের কারণে। তাই তো মানুষজন বলছে, করোনার হরতালের কাছে সব হরতাল হার মেনেছে।



বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ১৮০টি দেশ করোনায় আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশে এটি যাতে মহামারী আকার ধারণ না করে সে জন্যে সরকার সতর্কতামূলক ব্যাপক ব্যবস্থা নিয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরও মানুষকে যখন ঘরবন্দী করা যাচ্ছিল না, তখনই সরকার মাঠে সেনাবাহিনী নামিয়ে দিয়েছে। সিভিল প্রশাসনের পাশে থেকে সেনাবাহিনী সহযোগিতা করবে। এখানেই শেষ নয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ম্যাসেজ আসার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ভূমিকা নিয়ে মাঠে নামে। সন্ধ্যায় তারা শুধু কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। একইভাবে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলও বন্ধ করে দেয়া হয়। রাতে জেলা প্রশাসক থেকে জরুরি ঘোষণা দেয়া হয়, কোনো মানুষ যেনো একেবারেই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় না নামে। গতকাল বুধবার থেকে রাস্তায় কোনো ধরনের সিএনজি অটোরিকশা এবং অটোবাইক চলাচল করবে না। ঔষধের দোকান, কাঁচা বাজার এবং খাবার দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সরকারের এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে গতকাল সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাস্তায় খুব কঠোর ভূমিকায় ছিলো। পুলিশের পাশাপাশি সেনা সদস্য এবং ব্যাটেলিয়ন আনসার সদস্যরাও মাঠে ছিলো সক্রিয়। তাদের তৎপরতায় কোনো মানুষ রাস্তায় নামতে সাহস পায় নি। সব ধরনের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো। কোনো ধরনের যানবাহন রাস্তায় নামে নি। বিশেষ প্রয়োজনে মানুষ রাস্তায় নামলেও তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসার মুখোমুখি হতে হয়েছে। আর সন্ধ্যার পর তো পুরো শহর যেনো ছিলো ভুতুড়ে পরিবেশ।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ২,৫৫,১১৩ ১,৯৫,৬২,২৩৮
সুস্থ ১,৪৬,৬০৪ ১,২৫,৫৮,৪১২
মৃত্যু ৩৩৬৫ ৭,২৪,৩৯৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৩৯৪২
পুরোন সংখ্যা