চাঁদপুর, রোববার ২৯ মার্চ ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬, ০৩ শাবান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্‌কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৭। 'হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত!


২৮। 'আমার ধন-সম্পদ আমার কোন কাজেই আসিল না।


২৯। 'আমার ক্ষমতাও বিনষ্ট হইয়াছে।'


 


 


assets/data_files/web

শ্রেষ্ঠ বইগুলি হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বন্ধু।


-লর্ড চেস্টারফিল্ড।


 


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর শহরে মসজিদের একাংশ ভেঙ্গে দেয়ায় মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভ
২৯ মার্চ, ২০২০ ১৫:৪২:৫৮
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া মমিন পাড়াস্থ বহরদার বাড়ি রোডে আব্দুস সামাদ জামে মসজিদের একাংশ ভেঙ্গে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দা  ইসহাক মোল্লা ও তার পুত্র সাঈদুল ইসলাম মোল্লা।  এ নিয়ে স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মসজিদ ভাঙ্গার  বিষয়টি স্থগিত করে দেয়।

স্থানীয়রা জানায়, ২০১৬ সালে মমিন পাড়া বহরদার বাড়ি রোডে স্থানীয়রা মিলে আলাপ-আলোচনা করে ইসহাক মোল্লার দানকৃত জমিতে আব্দুস ছামাদ নামে সকলের দানের টাকায় মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে স্থানীয়রা শান্তিপূর্ণভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে আদায় করে আসছেন। পরবর্তীতে প্রতি জুমায় মুসল্লি বেশি হওয়ার কারণে মসজিদের একটি বারান্দা নির্মাণ করা হয়। কয়েক বছর যেতেই মসজিদের দান বাক্সের টাকা নিয়ে মসজিদ কমিটির সাথে ইসহাক মোল্লার বাকবিত-া হয়। কারণ দান বাক্সের জমানো টাকা ইসহাক মোল্লা মসজিদের কাজে ব্যয় না করে নিজে খরচ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই কমিটির সাথে কয়েক বছর পূর্বে বাকবিত-া হলে তিনি ওই সময়  একদিন মসজিদে তালা লাগিয়ে দেন। তারই সূত্র ধরে ২৮ মার্চ রোববার সকালে ইসহাক মোল্লা ও তার ছেলে সাঈদুল মসজিদের বারান্দার চালের টিন, জানালা,  বেড়া এবং সিলিং ফ্যান খুলে ফেলেন।  ব্যক্তিগত আক্রোশে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গার কারণে স্থানীয়রা চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশকে জানালে থানার এসআই সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তা ভাঙ্গা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী ফারুক হোসেন জানান, আমি একজন প্রবাসী। মসজিদটি উদ্বোধন হওয়ার সময় আমাকে জানালে আমি ২টি মাইকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দেই। তবে তাদের সমস্যার কারণে আরও অনেক কিছু দেওয়ার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আর কিছুই দেই নি।

আরও কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে আলাপ হলে জানা যায়, পারিবারিক সমস্যার সাথে মসজিদকে না জড়ানো ভাল। যেহেতু তারা ৩ ভাই মসজিদ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ও করেছেন। তাই নিজেরা বসে তা সমাধান করা ভাল। আর মুসল্লিদের স্বার্থে মসজিদ নিয়ে দ্বন্দ্ব না করাই ভাল বলে মনে করছি। আমরা এ মসজিদ ভাঙ্গার পক্ষে নই।

মসজিদের খতিব হাফেজ মাওঃ দ্বীন ইসলাম জানান, ২০১৬ সালে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে আমি নামাজ পড়াচ্ছি। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে ইসহাক মোল্লা শনিবার সকালে মসজিদের বাহিরের ছাপড়াটি ভেঙ্গে ফেলেন। প্রায় ৮ মাস পূর্ব থেকে মসজিদের বাইরে নামাজ পড়া বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় মুসল্লিদের দাবি, যারা একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিজেদের ব্যক্তিগত আক্রোশে ভেঙ্গে ফেলেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইসহাক মোল্লা বলেন, আমরা তিন ভাই মিলে তিন শতাংশ জমি দিয়ে সবার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে মসজিদটি নির্মাণ করি। পরবর্তীতে জুমার নামাজে মুসল্লি বেড়ে যাওয়ায় মসজিদের বারান্দাটিও আমার জায়গায় নির্মাণ করি। তারা বলেছিলেন, পরবর্তীতে আমার দু শতাংশ জমি বুঝিয়ে দিবেন। কিন্তু আজো তা নিয়ে বসি বসি করে বসা হয়নি। সেজন্যে আমি আমার জমি থেকে মসজিদের বারান্দাটি সরানোর জন্য চাল,  বেড়া এবং সিলিং ভেঙ্গে ফেলি।

চাঁদপুর মডেল থানার এসআই মোঃ বেলাল হোসাইন জানান, আমি খবর পেয়ে মসজিদটি না ভাঙ্গার জন্য বলে এসেছি। এটি যেহেতু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সেজন্যে তাদেরকে বলেছি, ৮নং এবং ৯নং ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলরদের সাথে আলোচনা করে তা মিমাংসা করার জন্য। আগামী শুক্রবারে তারা উভয় পক্ষ বসবেন বলে জানিয়েছেন।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭১৯২১
পুরোন সংখ্যা