চাঁদপুর, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২১ চৈত্র ১৪২৬, ০৯ শাবান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা শত ছাড়ালো : চাঁদপুরে আরো ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, জেলা মোট আক্রান্ত ১৮০
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা ঃ


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


২০। 'আমি জানিতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হইতে হইবে।'


২১। সুতরাং সে যাপন করিবে সন্তোষজনক জীবন;


২২। সুউচ্চ জান্নাতে


 


আল হাদিস


 


যা ইচ্ছা আহার করতে পারো, যা ইচ্ছা পরিধান করতে পারো, যদি তোমাকে অপব্যয় ও গর্ব স্পর্শ না করে।


বাণী চিরন্তন


মধুর ব্যবহার লাভ করতে হলে মাধুর্যময় ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে আসতে হয়। -উইলিয়াম উইন্টার।


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

যে যা বলে বলুক, তুমি তোমার নিজের পথে চল।


-দান্তে।


 


 


পুরাতন কাপড় পরিধান করো, অর্ধপেট ভরিয়া পানাহার করো, ইহা নবীসুলভ কার্যের অংশ বিশেষ।


 


ফটো গ্যালারি
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় চাঁদপুর সদর ও হাইমচরে ত্রাণ বিতরণের মহাযজ্ঞ চলছে
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥
০৪ এপ্রিল, ২০২০ ১৫:৫১:০৫
প্রিন্টঅ-অ+


 বিশ্বজুড়ে মহামারী আতঙ্ক করোনা ভাইরাসের আগ্রাসনে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। থমকে গেছে সব কিছু। বাংলাদেশে ভয়ঙ্কর এই ভাইরাসের থাবা যখন শুরু হয়, তখন থেকেই সরকার বেশ তৎপর। প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল সেক্টরকে কাজে লাগিয়ে এই মহামারীর থাবা থেকে জাতিকে রক্ষা করতে সরকার মরিয়া হয়ে উঠে। অবশ্য বর্তমান সময় পর্যন্ত বলা যায় সরকার সফল হয়েছে।

এদিকে এই মহামারীর থাবা থেকে জাতিকে রক্ষার জন্যে গত ২৪ মার্চ থেকে দেশে বলতে গেলে অঘোষিত কারফিউ চলছে। চাঁদপুর জেলাও এর বাইরে নয়। ২৪ মার্চ সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে যায় অঘোষিত কারফিউ। সব দোকানপাট ও হোটেল-রেস্তোঁরাও বন্ধ করে দেয়া হয় এবং ছোট ছোট যানবাহন চলাচলও বন্ধ করে দেয়া হয়। মানুষজন সব আতঙ্কিত হয়ে বাসা-বাড়ির দিকে ছুটতে থাকে। সন্ধ্যার পর পুরো শহর ফাঁকা হয়ে যায়। পরদিন ২৫ মার্চ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুব কঠোর অবস্থানে চলে যায়। করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে যে মহৌষধ ঘরে থাকা, এটি বাস্তবায়ন করতে প্রশাসন কঠোর ভূমিকা নেয়। শুধু ঔষধের দোকান ও কাঁচা বাজার ছাড়া সব দোকান বন্ধ থাকে।

২৪ মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ১২দিন মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী, দিনমজুর মানুষগুলো নিদারুণ কষ্টের মধ্যে পড়ে। আর এই কঠিন মুহূর্তেই চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির পক্ষ থেকে বিতরণ শুরু হয় ত্রাণ সামগ্রী। অসহায়, দুঃস্থ ও গরিব মানুষের পাশাপাশি যেসব মানুষ দিনমজুর শ্রমজীবী ছিলো তাদের মাঝেও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এই কার্যক্রম চলছে এবং যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততদিন এভাবে ত্রাণ পেতেই থাকবে বলে জানান ডাঃ দীপু মনির একান্ত আস্থাভাজন নেতারা। তাঁরা বলেন, এটি আমাদের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ। তাঁর শাসনামলে একটি লোকও না খেয়ে থাকবে না। তবে এবার ত্রাণ দেয়ার পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের। অর্থাৎ যারা এর প্রাপ্য, তাদের বাড়ি বাড়ি, ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কারণ, সরকারের নির্দেশনা রয়েছে ঘর থেকে বের না হওয়া। এটি রক্ষার্থেই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ এবং ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর কাউন্সিলররা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিরামহীনভাবে এই খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দেয়ার কাজটি করছেন। এ যেনো ত্রাণ বিতরণের এক মহাযজ্ঞ চলছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা ও পৌর এলাকায় এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করছেন জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, শিক্ষামন্ত্রীর চাঁদপুরস্থ প্রতিনিধি অ্যাডঃ সাইফুদ্দিন বাবু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জহির উদ্দিন মিয়াজীসহ আরো নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ নিজেরা প্রত্যেকের ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি ওয়ার্ড নেতাদের মাধ্যমেও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

হাইমচরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারীর তত্ত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। শিক্ষামন্ত্রীর বরাদ্দ ছাড়াও অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, নূর হোসেন পাটোয়ারী এবং আইয়ুব আলী বেপারী ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেককে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন।

অ্যাডঃ সাইফুদ্দিন বাবু জানান, চাল ছাড়াও ডাল, আলু, লবণ, তেলও দেয়া হয়েছে। এটি চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।

এদিকে দলীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও প্রশাসনিকভাবে জেলা প্রশাসক ব্যাপকভাবে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালান। তিনি ‘ত্রাণ যাবে বাড়ি’ প্রোগ্রামের আওতায় মোটর সাইকেল চালনায় একটি স্বেচ্ছাসেবী গ্রুপ করে বাড়ি বাড়ি ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮৭৭৪১
পুরোন সংখ্যা