চাঁদপুর, রোববার ৩১ মে ২০২০, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৭ শাওয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা ঃ


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


২০। 'আমি জানিতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হইতে হইবে।'


২১। সুতরাং সে যাপন করিবে সন্তোষজনক জীবন;


২২। সুউচ্চ জান্নাতে


 


আল হাদিস


 


যা ইচ্ছা আহার করতে পারো, যা ইচ্ছা পরিধান করতে পারো, যদি তোমাকে অপব্যয় ও গর্ব স্পর্শ না করে।


বাণী চিরন্তন


মধুর ব্যবহার লাভ করতে হলে মাধুর্যময় ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে আসতে হয়। -উইলিয়াম উইন্টার।


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

মহৎ মানুষেরা বিধাতার কল্পনার চমৎকার ফসল।


-পি জে বেইলি।


 


 


 


প্রত্যেক কওমের জন্য একটি পরীক্ষা আছে এবং আমার উম্মতদের পরীক্ষা তাদের ধন-দৌলত।


 


 


ফটো গ্যালারি
১০ দিনে একই পরিবারের তিনজনের মত্যু করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে চারজন
কচুয়ায় করোনা নিয়ে ছেলের মৃত্যুর পর উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন বাবা ও মা
রাকিবুল হাসান
৩১ মে, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মৃত্যুর স্বাদ সকলকেই গ্রহণ করতে হবে। তাই বলে এমন মৃত্যু কারোই কাম্য নয়। কচুয়ায় ১০ দিনের ব্যবধানে একই পরিবারের একমাত্র ছেলে, তার বাবা ও মা ৩ জনই মৃত্যুবরণ করলেন। করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে ওই পরিবারের জীবিত বাকি ৪ জন।



কচুয়া উপজেলার উত্তর গোহট ইউনিয়নের পালগিরি গ্রামের সরকার বাড়ির শাহাদাত হোসেন মানিক সরকার ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরি করতেন। স্ত্রী দু' ছেলে আর এক কন্যা সন্তান নিয়ে সেখানেই থাকতেন তিনি। গ্রামের বাড়িতে থাকতেন তার বৃদ্ধ মা ও বাবা।



সারাদেশে করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যখন বন্ধ ঘোষণা করা হয়, তখন তিনি তার কমস্থাল ঢাকা হতে স্ত্রী সন্তানসহ গ্রামের বাড়িতে আসেন।



গত ১৫ মে ঢাকা থেকে আসার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। অসুস্থতার বিষয়টি গোপন রেখে ১৯ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনা পরীক্ষায় তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।



শাহাদাত হোসেন মানিক সরকারের (৫০) মৃত্যুর ৮দিন পরেই ২৭ মে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান তার বাবা। ছেলের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বাবা বাচ্চু সরকার (৮০)। বাবার মৃত্যুর ৩ দিনের মাথায় করোনা উপসর্গ নিয়ে গতকাল ৩০ মে মারা যান তার বৃদ্ধা মা। স্বামী ও ছেলের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ফজিলেতুন্নেসা (৭০)।



পরিবারের একমাত্র সন্তান মানিক সরকারের মৃত্যুর পর বাবা ও মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পাশাপাশি আতঙ্কও বিরাজ করছে।



এদিকে পরিবারের অভিভাবক তিনজনের মৃত্যুর পর সেই পরিবারের অন্য সদস্যরা এখন আতঙ্কের মধ্যে আছেন। প্রতিটি মুহূর্ত যেনো তাদেরকে যমদূত তাড়া করছে। তারাও করোনা ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছেন।



কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ মোঃ সালাহ উদ্দিন মাহমুদ জানান, সকালে পারিবারিক সূত্রে ফজিলেতুন্নেসা অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে গৌরীপুর নামক স্থানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরো জানান, মানিক সরকারের স্ত্রী, ২ ছেলে এবং ১ কন্যাও করোনা ঝুঁকিতে রয়েছেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪৯৯৭২
পুরোন সংখ্যা