চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১১ শাওয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


১। বল, আমার প্রতি ওহী প্রেরিত হইয়াছে যে, জিন্নদের একটি দল মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করিয়াছে এবং বলিয়াছে, 'আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করিয়াছি,


২। যাহা সঠিক পথনির্দেশ করে; ফলে আমরা ইহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি। আমরা কখনও আমাদের প্রতিপালকের কোন শরীক স্থির করিব না,


 


 


assets/data_files/web

প্রার্থনা ও প্রশংসা এই দুটো জিনিস স্বয়ং বিধাতাও পছন্দ করেন।


-সুইডেন বাগ।


 


 


 


 


 


ধর্মের পর জ্ঞানের প্রধান অংশ হচ্ছে মানবপ্রেম-আর পাপী পুণ্যবান নির্বিশেষে মানুষের মঙ্গল সাধন।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনায় লকডাউন না মানার ফল !
হাজীগঞ্জে একের পর এক বাজার বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে
০৪ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কামরুজ্জামান টুটুল



হাজীগঞ্জে করোনা পজিটিভ নিয়ে ব্যবসায়ী মারা যাওয়া, করোনা উপসর্গে মারা যাওয়া এবং করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ার কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন সাধারণ জনতাসহ ব্যবসায়ীগণ। বিশেষ করে বেশি পরিমাণে ব্যবসায়ী আক্রান্ত ও মৃত্যুবরণ করার পর থেকে বাজারগুলোতে লকডাউনে চলে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যে উপজেলার নামকরা বাজারগুলো লকডাউনে চলে গেছে।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২ জুন থেকে আগামী ১০ জুন হাজীগঞ্জ বাজার, গত ৩ জুন থেকে আগামী ১২ জুন বলাখাল বাজার ও গত ৩ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বাকিলা বাজারে লকডাউন চলমান রয়েছে। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে উপজেলার রামপুর বাজার। এই সকল বাজারের কোনো না কোনো ব্যবসায়ীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ। কেউ কেউ ইতিমধ্যে মারা গেছেন।



দেশের অন্য সকল এলাকার মতো এই সকল বাজারের কোনো ব্যবসায়ী সরকারের ঘোষিত লকডাউন মানেননি। রমজান মাস জুড়ে ঈদের বেচাকেনা করেছেন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত। লকডাউনকে ফাঁকি দিতে হাজীগঞ্জ বাজারে ভোররাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলেছে।



এই সকল বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে রাখার কারণে ক্রেতা সমাগম হয়েছে অন্য সকল ঈদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। সেই সময়ে বাজারগুলোতে লকডাউন কার্যকর করতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট অক্লান্ত পরিশ্রম করে সফলতা আনতে পারেনি। যার কারণে ঠিক ঈদের পর পর পুরো হাজীগঞ্জে করোনা রোগী অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে থাকে। করোনা উপসর্গে ১ দিনে ৪ জন পর্যন্ত মারা গেছে। সর্বশেষ গতকাল বুধবার করোনা উপসর্গে মারা গেছেন দুই জন। মারা যাওয়া ও করোনা পজিটিভ হওয়াদের মধ্যে অনেকেই ব্যবসায়ী।



সুত্র জানায়, গত কয়েকদিন আগে হাজীগঞ্জ বাজারের প্রসিদ্ধ কাপড় ব্যবসায়ী বণিক স্টোরের মালিক মারা যাওয়ার পরে তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।



করোনা উপসর্গে মারা যান হাজীগঞ্জ বাজারের পুস্তক ব্যবসায়ী ১জন, পরিবহন ব্যবসার সাথে সংযুক্ত ১ জন, ফলের আড়তদার ১ জন, বাকিলা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ১জন। করোনা পজিটিভ হওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন রামপুর বাজারের কর্মকার ১ জন, বলাখাল বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ১ জন, বাকিলা বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী ১ জন। মূলত স্থানীয়ভাবে স্ব-স্ব বাজারের ব্যবসায়ীদের আক্রান্ত দেখা দিলেই স্থানীয়ভাবে বাজারগুলো লকডাউনে চলে যায়।



এদিকে বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হাজীগঞ্জ বাজার, বাকিলা বাজার, বলাখাল বাজার, রামপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতি লকডাউনে যে প্রক্রিয়ায় গেছে তা কার্যকর হবে বলে আশা করা যায়। এ থেকে হয়তো এলাকাভিত্তিক করোনা রোগীর হার কিছুটা কমে আসবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাই লকডাউনকে মানলে হয়তো সৃষ্টিকর্তা কিছুটা হলেও সবাইকে রক্ষা করবেন।



আরেকটি সূত্র জানায়, সরকার যখন লকডাউন দিয়েছে তখন পুলিশ কোনোভাবে এদেরকে নিয়ন্ত্রণে নিতে বা রাখতে পারেনি। যখন নিজেরা মরা শুরু করেছেন তখন তাদের টনক নড়েছে। সরকার যখন লকডাউন দিয়েছে তখন তারা লকডাউন মানেননি। সরকার যখন লকডাউন তুলে নিয়েছে এখন তারা নিজেরা লকডাউন দিচ্ছে। এটা কিন্তু আইন ভঙ্গের শামিল।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৬২২১৮
পুরোন সংখ্যা