চাঁদপুর, রোববার ৭ জুন ২০২০, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৪ শাওয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


১। বল, আমার প্রতি ওহী প্রেরিত হইয়াছে যে, জিন্নদের একটি দল মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করিয়াছে এবং বলিয়াছে, 'আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করিয়াছি,


২। যাহা সঠিক পথনির্দেশ করে; ফলে আমরা ইহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি। আমরা কখনও আমাদের প্রতিপালকের কোন শরীক স্থির করিব না,


 


 


assets/data_files/web

প্রার্থনা ও প্রশংসা এই দুটো জিনিস স্বয়ং বিধাতাও পছন্দ করেন।


-সুইডেন বাগ।


 


 


 


 


 


ধর্মের পর জ্ঞানের প্রধান অংশ হচ্ছে মানবপ্রেম-আর পাপী পুণ্যবান নির্বিশেষে মানুষের মঙ্গল সাধন।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা সন্দেহে শ্মশান কমিটির বাধা, পুলিশের সহায়তায় দাহ
কামরুজ্জামান টুটুল
০৭ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হাজীগঞ্জ বাজারের স্বর্ণকার পট্টির স্বর্ণ ব্যবসায়ী রনজিৎ রায় করোনা উপগর্গে মারা গেছেন শনিবার রাতে। হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় বাসা হওয়ার কারণে পৌর শ্মশানে দাহ করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তার পরিবার, কিন্তু তাতে বাধ সাধে শ্মশান কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা। শেষ পর্যন্ত অসহায় রণজিতের পরিবার তার লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় মাঝপথে পুলিশ লাশ ফিরিয়ে এনে সেই শ্মশানেই দাহ করে। এদিক এ ঘটনায় স্থানীয় হিন্দুদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।



হাজীগঞ্জ শ্রী শ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউড় আখড়ার পরিচালনা পর্ষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন পাল জানান, রায় কুটির শিল্পের মালিক ও আখড়া কার্যকরী কমিটির সদস্য রঞ্জিৎ কুমার রায় (৬ জুন) রাত ২টার সময় হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। সকালে তার মৃতদেহ দাহ করার জন্যে হাজীগঞ্জ পৌর মহা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শ্মশান কমিটি মৃতদেহ দাহ কাজে টালবাহানা করে। প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে পরিবারের লোকজনকে শ্মশান কমিটির সভাপতি কোনো পাত্তা দেননি। নিহতের ছোট ভাই শ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদকের কাছে মৃতদেহ দাহের অনুমতির জন্য গেলে তিনি শ্মশান কমিটির সভাপতি অপন সাহার কাছে যেতে বলেন।



অপন সাহার কাছে অনুমতি চাইলে তিনি জানান, আমি শ্মশান সংস্কারে অনেক টাকা খরচ করেছি। এখানে সব মৃতদেহ দাহ করা হয় না।



এরপর নিহতের পরিবার তার মৃতদেহ নিয়ে তাদের গ্রামের বাড়ি উপজেলার ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের রায়চোঁর উদ্দেশ্যে রওনা হয়।



বিষয়টি জানতে পারেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) আফজাল হোসেন। তিনি নিজে কচুয়ায় সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় তাৎক্ষণিক হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জয়নাল-১ কে পাঠান নিহত রঞ্জিতের গ্রামের বাড়িতে। সেখান থেকে রঞ্জিতের লাশ ফেরত আনা হয় এবং হাজীগঞ্জ শ্মশানে পুলিশের উপস্থিতিতে দাহ কাজ সম্পন্ন করা হয়।



এ বিষয়ে শ্মশান কমিটির সভাপতি অপন সাহাকে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তার ফোনটি তিনি রিসিভ করেননি। তবে শ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিহতের ভাইকে জানিয়েছে, লাশ দাহ কাজের বিষয়ে সভাপতিকে জানাতে হবে।



এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) আফজাল হোসেন জানান, বিষয়টি জেনে আমি সাথে সাথে জয়নাল সাহেবকে পাঠাই এবং বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়ে দেই।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৯৮২৩৩
পুরোন সংখ্যা