চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২০, ১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জিলকদ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কাজী ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী লায়ন কাজী মাহাবুবুল হক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ----রাজেউন) || চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলম মুত্যুবরণ করেছেন। বাদ আসর তালতলা করিম পাটোয়ারী বাড়ির মসজিদ প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৭-সূরা মুর্সালাত


৫০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬। ওযর-আপত্তি রহিতকরণ ও সতর্ক করার জন্য


৭। নিশ্চয়ই তোমাদিগকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা অবশ্যম্ভাবী।


৮। যখন নক্ষত্ররাজির আলো নির্বাপিত হইবে,


 


assets/data_files/web

যে ব্যাপারকে নিয়ন্ত্রণ করবার ক্ষমতা আমার নেই, তা নিয়ে আমি কখনো ভাবি না।


-বুথ টাসিংটন।


 


 


 


আল্লাহর আদেশ সমূহের প্রতি প্রগাঢ় ভক্তি প্রদর্শন এবং যাবতীয় সৃষ্ট জীবের প্রতি সহানুভূতি-ইহাই ইসলাম।


 


ফটো গ্যালারি
বুড়িগঙ্গায় মুন্সীগঞ্জের লঞ্চডুবি : ৩২ মৃতদেহ উদ্ধার
চাঁদপুর রূটের ময়ুর-২ লঞ্চ আটক চালক পলাতক
মিজানুর রহমান
৩০ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বুড়িগঙ্গায় মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা 'মর্নিং বার্ড' নামের একটি যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে। লঞ্চে ৬০/৬৫ জন যাত্রী ছিল জানা গেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, লঞ্চে শতাধিক যাত্রী ছিল। গতকাল ২৯ জুন সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বুড়িগঙ্গার শ্যামবাজার এলাকায় ঢাকা-চাঁদপুর রূটের এমভি ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় এ লঞ্চডুবির দুর্ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও অনেকে এখনও নিখোঁজ আছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট, নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের সদস্য ও স্থানীয়রা। কোস্টগার্ডও উদ্ধার তৎপরতায় সহযোগিতা করছে।



এদিকে ঘাতক ময়ূর-২ লঞ্চটি আটক করা হয়েছে এবং চালক পলাতক রয়েছে।



ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে মর্নিং বার্ড নামের একটি ছোট লঞ্চ ঢাকায় আসছিল। সদরঘাটে যাওয়ার দুইশত গজ দূরে শ্যামবাজার এলাকায় চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ লঞ্চ ঘাটে প্লেস করার সময় সংঘর্ষ হয়। এ সময় মনিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়। নিহতরা সবাই মুন্সিগঞ্জের।



রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক : লঞ্চডুবিতে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



২৯ জুন সোমবার পৃথক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন। এছাড়া নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।



প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, উদ্ধারকাজের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী।



৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার : লঞ্চডুবির ঘটনায় ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ২৯ জুন সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতর কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার লিমা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



তিনি বলেন, 'এ পর্যন্ত মোট ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত একজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।' মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৯ জন, নারী ৮ জন এবং ৩ জন শিশু। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনও জানা যায়নি।



দেড় লাখ টাকা করে পাবে মৃতদের পরিবার : লঞ্চডুবির ঘটনায় মৃত পরিবারকে দেড় লাখ টাকা করে দেয়া হবে। লঞ্চডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে এ ঘোষণা দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া লাশ দাফনের জন্য নগদ ১০ হাজার টাকা করে দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।



পোস্তগোলা ব্রিজের নিচে আটকে গেল উদ্ধারকারী জাহাজ : লঞ্চডুবির ঘটনার পরপরই নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় আসছিল বলে জানা গেছে। তবে বিকেল হলেও তখনও ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেনি জাহাজটি। উদ্ধারকারী এ জাহাজটি ঘটনাস্থলে আসার পথে পোস্তগোলা ব্রিজর নিচে আটকে গেছে বলে জানা গেছে।



সংশ্লিষ্টরা জানান, নদীর পানির উচ্চতা বেশি হওয়ায় জাহাজটি আসতে পারছে না। উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে না পৌঁছতে পারায় সনাতন পদ্ধতিতে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।



জীবিত উদ্ধার হওয়া যাত্রীর বর্ণনা : 'কীভাবে লঞ্চটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ল' এ বিষয়ে ডুবে যাওয়া লঞ্চের জীবিত উদ্ধার হওয়া যাত্রী মোঃ মাসুদ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, 'ঘাটে ভেড়ার জন্য আমাদের লঞ্চ (মর্নিং বার্ড) সোজা আসছিল। অন্য একটা লঞ্চ ত্যাছড়াভাবে (বাঁকা) রওনা দিয়েছে। ত্যাছড়াভাবে রওনা দেয়াতে ওই লঞ্চটা ধাক্কা দিয়েছে আমাদের লঞ্চের মাঝে। ধাক্কা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চটা কাইত হয়ে ডুবে গেছে। তলায় যেতে ১০ সেকেন্ডও সময় নেয়নি।'



নিজের অবস্থান বর্ণনা দিয়ে ওই যাত্রী বলেন, 'আমি কেবিনে ছিলাম। গ্লাস খুলে আমি বের হইছি। ভেতরে আমার আপন দুই মামা ছিলেন। তারা তো বের হতে পারেননি। তাদের খোঁজ করছি।' তার নিখোঁজ থাকা দুই মামা হলেন- আফজাল শেখ ও বাচ্চু শেখ।



দুই মামার খোঁজে সদরঘাটের জেটিতে অবস্থান করা মোঃ মাসুদ জানান, রাজধানীর ইসলামপুরের গুলশানআরা সিটিতে কাপড়ের ব্যবসা করেন তিনি। প্রতিদিন তিনি সকালে মুন্সিগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে কাপড়ের দোকান করেন। গতকাল রোববার (২৮ জুন) ময়মনসিংহ থেকে তার দুই মামা তাদের মুন্সিগঞ্জের বাসায় বেড়াতে যান। তাদের নিয়ে সকালে লঞ্চের একটি কেবিনে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। কিন্তু লঞ্চ পাড়ে ভেড়ার আগ মুহূর্তেই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২০৭৮
পুরোন সংখ্যা