চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২০, ১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জিলকদ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


৫। অথচ আমরা মনে করিতাম মানুষ এবং জিন্ন্ আল্লাহ সম্বন্ধে কখনও মিথ্যা আরোপ করিবে না।


৬। 'আরও এই যে, কতিপয় মানুষ কতক জিন্ন্রে শরণ লইত, ফলে উহারা জিন্নদের আত্মম্ভরিতা বাড়াইয়া দিত।'


 


assets/data_files/web

কথার শক্তিকে না জেনে মানুষকে জানা অসম্ভব।


-কনফুসিয়াম।


 


 


 


 


যে নামাজে হৃদয় নম্র হয় না, সে নামাজ খোদার নিকট নামাজ বলিয়াই গণ্য হয় না।


 


 


ফটো গ্যালারি
পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করে ৪০ বছর পর সম্পত্তি ফিরে পেলেন ফরিদগঞ্জের আঃ ছাত্তার
এমরান হোসেন লিটন
৩০ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অভিযোগ করে ৪০বছর পরে সম্পত্তি ফিরে পেলেন হতদরিদ্র দিনমজুর আব্দুস সাত্তার। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২নং বালিথুবা ইউনিয়নের সরখাল গ্রামের হাজী বাড়িতে।



লিখিত অভিযোগের আলোকে জানা যায়, সরখাল হাজী বাড়ির হতদরিদ্র দিনমজুর আব্দুস সাত্তার (৮০) পিতা মৃত আব্দুর রহমান ১৯৭৭ সালে সানাউল্লাহ পিতা-মৃত মোখলেসুর রহমান, সাং-কৃষ্ণপুর ফরিদগঞ্জ চাঁদপুর গং-এর নিকট হতে চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত ফরিদগঞ্জ থানাধীন কিং ৭২নং দলমগর মৌজার ৯নং খতিয়ানভুক্ত রায়তিস্বত্ব ২৪৮ দাগে নাল ১আনা ২৭ শতাংশ অন্দরে নাল মোট ১৩ শতাংশ ভূমি এবং পূর্ববর্তী মৌজার ৮নং খতিয়ানভুক্ত রায়তি স্বত্ব ১৯১, ১৯৪, ১৯৮, ২০২ দাগসহ সর্বমোট ২৩ দাগের অন্দরে সাড়ে সাত শতাংশ ভূমি ক্রয় করে দখল করে আসছিলেন। কিন্তু কিছুদিন পরই একই বাড়ির আনোয়ার আলী ও তাঁর ছয় ছেলে উক্ত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে নেয়। আব্দুস সাত্তার দিনমজুর ছিলেন এবং তার ছেলে সন্তানেরা ছোট থাকায় গত ৪০ বছরে কোনোভাবে ঐ সম্পত্তি পুনরায় দখল করতে না পারায় এলাকার সালিসগণের শরণাপন্ন হন। কিন্তু তারাও আনোয়ার হোসেনের পেশীশক্তির কাছে বারবার হেরে যান এবং অপমানিত হন। এভাবে গত ৪০ বছর চলে যায়। এরই মধ্যে আঃ ছাত্তারের ছেলে সন্তানেরা বড় হয়ে উঠে এবং আব্দুস সাত্তার কোনোরকম উপায়ন্তর না পেয়ে কোনো রকম পেশীশক্তিতে না গিয়ে আইনকে শ্রদ্ধা করে চাঁদপুর পুলিশ সুপারের কাছে গত ১৫-১০-২০১৯ সালে একটি অভিযোগ করেন।



অভিযোগের আলোকে চাঁদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় হতে ফরিদগঞ্জ থানাকে দায়িত্ব দেয়া হয় এবং সেখান থেকে বিবাদীপক্ষের আক্তার হোসেন, আবুল হোসেন, মনির হোসেন সহ বাদীপক্ষকেও খবর দেয়া হয়। বিবাদী পক্ষ থানায় না গিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান এইচএম হারুনের শরণাপন্ন হন। বিবাদীপক্ষের অনুরোধক্রমে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অভিযোগকে সম্মান দেখিয়ে চেয়ারম্যান এইচএম হারুন থানা থেকে দায়িত্ব নিয়ে দুই পক্ষের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেন। মোট ৮কার্যদিবসে সমস্যাটি সমাধান করতে সমর্থ হন। সরখাল গ্রামের এবং অত্র ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে প্রায় ৫০জন একত্রিত হয়ে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সম্পত্তি বাদীপক্ষের সম্পত্তি বলে প্রমাণিত করেন এবং চেয়ারম্যানসহ অন্যরা উপস্থিত থেকে বাদীপক্ষকে ঐ সম্পত্তি দখল করে বুঝিয়ে দেন।



এ সময় চেয়ারম্যান হারুনকে দুই পক্ষের মধ্যে যারা সহযোগিতা করেছেন তারা হলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী হারেস মিয়াজি, খোকন কারী, সাবেক মেম্বার আবুল হোসেন মজুমদার, মহসিন তপাদার, সাইফুল ইসলাম খান, বাবলু মেম্বার, মানিউল ইসলাম, গিয়াস উদ্দিন, সেলিম মিয়াজী, বাবুল মিয়া, রোকনউদ্দিন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।



অত্র এলাকার বহুল আলোচিত এই ঘটনাটি দীর্ঘ সময় ব্যয় করে সুষ্ঠু সমাধান করে দেয়ার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান ও দুই পক্ষের সহযোগীদের এলাকাবাসী ধন্যবাদ জানান। এ সময় অনেককেই বলতে শোনা গেছে, চেয়ারম্যান এইচএম হারুন সঠিক বিচার করে দেখিয়ে দিলেন, দেশে এখনো সঠিক আইন এবং বিচার আছে।



বাদী আব্দুস সাত্তার জানান, এসপি মহোদয় এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। তারা আমার সম্পত্তিটুকু উদ্ধার করে দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এবং এই এলাকায় সঠিক আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে গেলেন।



আবদুস সাত্তারের ছেলে হাছান মাহমুদ বলেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে আমরা জেনেছি বিবাদীপক্ষ আমাদের ক্ষতি করার জন্য অন্য কূটকৌশল নিচ্ছে। এজন্য তারা ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ১,৯০,০৫৭ ১,৩০,৪২,৩৪০
সুস্থ ১,০৩,২২৭ ৭৫,৮৮,৫১০
মৃত্যু ২,৪২৪ ৫,৭১, ৬৮৯
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৮৪২০৯
পুরোন সংখ্যা