চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২ জুলাই ২০২০, ১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জিলকদ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৪। যখন উহারা প্রতিশ্রুত শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, বুঝিতে পারিবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়া দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প।


২৫। বল, 'আমি জানি না তোমাদিগকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা কি আসন্ন, না আমার প্রতিপালক ইহার জন্য কোন দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করিবেন।'


 


 


assets/data_files/web

ভিক্ষাবৃত্তি পতিতাবৃত্তির চেয়েও খারাপ।


-লেলিন।


 


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


 


 


চাঁদপুর আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা সেবার হালচাল-৩
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এ পর্যন্ত স্যাম্পল দিয়েছে ১৯৩৬ জন পজিটিভ রিপোর্ট ২৬৪
ইনশাআল্লাহ এ মাস থেকে চাঁদপুরেই কোভিড-১৯ পরীক্ষা হবে : বিএমএ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহমুদুন্নবী মাসুম
এএইচএম আহসান উল্লাহ
০২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত কি না তা শনাক্ত করতে এ পর্যন্ত চাঁদপুর জেলার সাড়ে চার সহস্রাধিক মানুষের স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর সিংহভাগই চাঁদপুর সদর হাসপাতালে দেয়া। এই স্যাম্পল সংগ্রহ করার কাজে যুক্ত আছেন সাতজন। করোনাকালে করোনার সম্মুখযোদ্ধা বলা হয় যারা নমুনা বা স্যাম্পল সংগ্রহ করেন। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি কাজ। করোনার লক্ষণ যাদের মধ্যে দেখা যায়, তাদের থেকেই স্যাম্পল নেয়া হয়। আর স্যাম্পল নেয়ার সময়ই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকতে হয় স্যাম্পল সংগ্রহকারীদের। তাদের পায়ের তালু থেকে মাথা পর্যন্ত অর্থাৎ আপাদমস্তক সুরক্ষিত পোশাক দ্বারা আবৃত থাকতে হয়। এতো সুরক্ষিত থাকার পরও কয়েকজন ইতিমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে আবারো স্যাম্পল সংগ্রহ করার কাজে যুক্ত হয়ে গেছেন। বলতে গেলে করোনার সাথে যুদ্ধ করে জয়ী হয়ে পুনরায় সে যুদ্ধে শামিল হওয়া।



চাঁদপুর জেলার কোভিড-১৯-এ সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে স্যাম্পল সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয় ৩ মার্চ থেকে। সে থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত এ জেলার ৪ হাজার ৬শ' ৭২ জনের স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়। গড়ে প্রতিদিন এক শ'র মতো স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তবে এই স্যাম্পল ঢাকা প্রতিদিন পাঠানো হয় না। একদিন পর একদিন পাঠানো হয়। আবার মাঝেমধ্যে স্যাম্পল সংগ্রহ করার কাজ বন্ধও রাখা হয়। সেটি হয় বিশেষ কারণবশত।



জেলার আট উপজেলা থেকে সংগ্রহ করা স্যাম্পল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে একত্র করা হয়। এরপর এখান থেকে নির্ধারিত গাড়িতে করে ঢাকা পাঠিয়ে দেয়া হয়। ঢাকা দুই জায়গায় চাঁদপুরের স্যাম্পল পরীক্ষা করা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে রিপোর্ট আসতে থাকে।



পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, চাঁদপুর জেলায় এ পর্যন্ত যে সাড়ে চার হাজারেরও অধিক স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে, তার মধ্যে এক তৃতীয়াংশেরও বেশি চাঁদপুর সদর হাসপাতাল তথা আড়াই শ' শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে দেয়া। এ সংখ্যাটি হচ্ছে ১ হাজার ৯শ' ৩৬। গতকাল পর্যন্ত এই ১৯৩৬ জনের স্যাম্পল চাঁদপুর সদর হাসপাতালে সংগ্রহ করা হয়। এ তথ্য জানালেন হাসপাতালের আরএমও ডাঃ সুজাউদ্দৌলা রুবেল। যিনি এই হাসপাতালে স্যাম্পলদাতাদের সকল তথ্য সংরক্ষণ করেন এবং এটি নিয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করেন। তিনি আরো জানান, উক্ত ১৯৩৬ জনের স্যাম্পলের মধ্যে গতকাল পর্যন্ত রিপোর্ট এসেছে ১ হাজার ৭শ' ৯৫ জনের। রিপোর্ট পেন্ডিং আছে ১ শ' ৪১ জনের। প্রাপ্ত রিপোর্টের মধ্যে পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে ২শ' ৬৪ জনের। এ হিসেবে পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪.৭%।



ডাঃ রুবেল আরো জানান, চাঁদপুর সদর হাসপাতালে স্যাম্পল সংগ্রহ করছেন সাতজন। এঁরা হচ্ছেন আঃ মালেক মিয়াজী, মনির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, খান মোঃ রিয়াজ, সোলেমান, ফয়েজ আহমেদ ও নাজির আহমেদ। এঁদের মধ্যে কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, সুস্থ হয়ে পুনরায় কাজেও যোগাদান করেছেন।



চাঁদপুর জেলা বিএমএ'র সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহমুদুন্নবী মাসুম বলেন, আর অল্প ক'দিন চাঁদপুরের মানুষদেরকে একটু ধৈর্য ধরতে হবে। রিপোর্ট প্রাপ্তি নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা আর বেশিদিন করতে হবে না। চলতি জুলাই মাস থেকেই চাঁদপুরে কোভিড-১৯-এর টেস্ট শুরু হয়ে যাবে। আমাদের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির বদান্যতায় তাঁর শ্রদ্ধেয় পিতা ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহযোগিতায় চাঁদপুরে কোভিড-১৯ টেস্টিং ল্যাবের কার্যক্রম চালু হতে যাচ্ছে এই মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে। কাজও খুব দ্রুতগতিতে চলছে। আশা করা যাচ্ছে ১০ জুলাইর মধ্যে যে স্থানে ল্যাবটি হবে, সেটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে। এরপর এক সপ্তাহের মধ্যেই মেশিন স্থাপনসহ সব কাজ শেষ করা যাবে আশা করছি। এরপরই আমাদের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ডাঃ দীপু মনি আপা এসে ল্যাবটি উদ্বোধন করে দিয়ে যাবেন। সেদিন থেকেই চাঁদপুরে কোভিড-১৯ টেস্ট করার কাজ শুরু হয়ে যাবে।


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ২,২৩,৪৫৩ ১,৬২,২০,৯০০
সুস্থ ১,২৩,৮৮২ ৯৯,২৩,৬৪৩
মৃত্যু ২,৯২৮ ৬,৪৮,৭৫৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫১৭১০২২
পুরোন সংখ্যা