চাঁদপুর, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২০, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, ৯ জিলহজ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৪। যখন উহারা প্রতিশ্রুত শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, বুঝিতে পারিবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়া দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প।


২৫। বল, 'আমি জানি না তোমাদিগকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা কি আসন্ন, না আমার প্রতিপালক ইহার জন্য কোন দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করিবেন।'


 


 


ভিক্ষাবৃত্তি পতিতাবৃত্তির চেয়েও খারাপ।


-লেলিন।


 


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


 


 


ফটো গ্যালারি
রাত পোহালেই ঈদ
নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মতো পশুর দামও কম দেখা নেই আশানুরূপ ক্রেতাসাধারণের
বিমল চৌধুরী
৩১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আযহা। প্রতি বছরই ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে দোকানদারদের মাঝে বাড়তি মুনাফা বা বেশি আয় করার যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যেতো, এবার তা তেমন করে চোখে পড়েনি। ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতি আর নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম নিম্নমুখী হওয়ায় অনেক ব্যবসায়ীই আশানুরূপ ব্যবসা করতে না পেরে হতাশ। বিপণীবিতানগুলোতে একাধারে যেমন ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতি কম, তেমনিই দাম কমেছে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, সেমাই, ডাল, তেল, মসলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর। বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের মধ্য দিয়েই পবিত্র ঈদুল ফিতর সম্পন্ন হলেও লকডাউনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেও সে সময় বিপণীবিতানগুলোসহ মার্কেটগুলোতে বর্তমান সময়ের তুলনায় ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতি ছিলো অনেক বেশি। তবে পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। আশানুরূপ ক্রেতা না পেয়ে অনেকটাই হতাশাবোধ করেছেন ব্যবসায়ীগণ। একই পরিস্থিতি চোখে পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও।



চাঁদপুর জেলার পাইকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুরাণবাজারে গিয়েও দেখা যায় পাইকারি কেনা-বেচা অনেকটা কম। গত রোজার বাজারের তুলনায় বর্তমান সময় জিনিসপত্রের দাম অনেকটাই কম বলে জানান পুরাণবাজারের মুদিখানা সামগ্রীর পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী হুমায়ুন আহমেদ। তিনি বলেন, রোজার ঈদে জিনিসপত্রের দাম বেশি থাকলেও ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতি ছিলো অনেকটাই বেশি, আর বেচা-কেনাও ছিল অনেকটা ভালো। যা এই ঈদে তেমন নেই।



পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমান সময় চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও অন্যান্য নিত্যসামগ্রীর দাম গত রোজার ঈদের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। প্রতি কেজি চিনি ৫৬ টাকা, দারচিনি ২৮০ টাকা, এলাচি ২৩০০ টাকা, লং ৭০০ টাকা, জিরা ২৭০ টাকা, কিসমিস ২৫০ টাকা, সয়াবিন তেল ৮৬ টাকা, সরিষার তেল ১০০ টাকা, মসুর ডাল ৬৫ হতে ১০০ টাকা, মুগ ডাল ১০০ হতে ১২০ টাকা, ছোলার ডাল ৭০ টাকা, পেঁয়াজ ২৫ টাকা, রসুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আদা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে দাম কমেছে সেমাইর। যে লাচ্ছি সেমাই বিক্রি হয়েছে রোজার ঈদে ৮০ হতে ৮৫ টাকা, এ সময় তা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। আর পশুর দামও তুলনামূলকভাবে অনেকটা কম বলেই জানিয়েছেন ক্রেতাসাধারণ।



আশানুরূপ ক্রেতার দেখা এবং হাটে আনা গরুর উচিত মূল্য না পেয়ে অনেকটাই হতাশা প্রকাশ করেছেন গরু নিয়ে আসা বেপারীগণ।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ২,৫৫,১১৩ ১,৯৫,৬২,২৩৮
সুস্থ ১,৪৬,৬০৪ ১,২৫,৫৮,৪১২
মৃত্যু ৩৩৬৫ ৭,২৪,৩৯৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৫০২০
পুরোন সংখ্যা