চাঁদপুর, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৩ আশ্বিন ১৪২৭, ২৯ মহররম ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৯-সূরা নাযি 'আত


৪৬ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫। অতঃপর যাহারা সকল কর্ম নির্বাহ করে।


৬। সেই দিন প্রথম শিংগাধ্বনি প্রকম্পিত করিবে,


৭। উহাকে অনুসরণ করিবে পরবর্তী শিংগাধ্বনি,


৮। কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,


 


 


assets/data_files/web

যারা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হতে চায় না, তারা কোনোদিন লাভবান হতে পারে না।


-ডেভিড জেফারসন।


 


 


 


 


কাউকে অভিশাপ দেওয়া সত্যপরায়ণ ব্যক্তির উচিত নয়।


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর শহরে নতুন আরো তিনশ' অটোর লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে!
গোলাম মোস্তফা
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরজুড়ে অটোবাইকের দৌরাত্ম্যে এমনিই মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার উপর আরো তিনশ' অটো যোগ হচ্ছে। কী যে দুর্বিষহ অবস্থা হবে তা শহরবাসী ভাবছে। বলা হয় 'এখন অটোরিকশার শহর চাঁদপুর, মানুষের বসবাসের উপযোগী শহর নয়।'



এদিকে এখন যে পরিমাণ অটোবাইক রয়েছে তার থেকে আরো তিনশ'র লাইসেন্স নতুন করে দেয়া হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট শাখা একশ'র কথা স্বীকার করেছে। জানা যায়, চাঁদপুর পৌরসভার সড়কগুলোতে প্রায় ৯ হাজারের মতো ইজিবাইক, অটোরিকশা ও পায়ে চালিত রিকশা চলাচল করছে। এর মধ্যে ৫ হাজারের উপরে রয়েছে ইজিবাইক। এসবের মধ্যে আড়াই হাজারের মতো ইজিবাইকের লাইসেন্স রয়েছে। বাকিগুলো লাইসেন্সবিহীন। এ অবস্থায় আরো তিনশ' অটোর লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে। এখনই পুরো শহরে সময়ে-অসময়ে যানজট লেগে থাকে। এর সাথে আরো যদি তিনশ' যুক্ত হয় লাইসেন্সধারী, এর সাথে আরো বাড়বে লাইসেন্সবিহীন। তখন যে শহরের অবস্থা কী হবে তা বলা বাহুল্য।



এদিকে ইজিবাইক চালানো ড্রাইভার কোনো বয়সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অপ্রাপ্ত বা ছোট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক যে কোনো মানুষ এ ইজিবাইকের চালক। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।



চাঁদপুর পৌরসভার লাইসেন্স শাখা সূত্রে জানা যায়, লাইসেন্সকৃত ইজিবাইকের সংখ্যা চাঁদপুর শহরে রয়েছে ২৭০০টি। এদিকে এটিকে ব্যবহার করে লাইসেন্সবিহীন চলছে আরো কয়েক হাজার।



লাইসেন্স শাখা হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে শহরে পায়ে চালানো বা প্যাডেল রিকশার সংখ্যা লাইসেন্সকৃত রয়েছে ১০০০। রিকশায় মোটর লাগিয়ে 'মোটর রিকশা' নামে অবৈধভাবে চলছে আরও ৩ হাজারের মতো। এক কথায় চাঁদপুর পৌর এলাকায় ৬ হাজারের মতো ইজিবাইক এবং ৩ হাজার রিকশা ও অটোরিকশাসহ মোট ৯ হাজার শুধু ছোট যানবাহন চলাচলের পরেও আবারো ৩০০ ইজিবাইকের নতুন লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্তটি পৌর পরিষদের কোন্ যৌক্তিকতায় পড়ে এমন প্রশ্ন সচেতন জনগণের।



এদিকে অবৈধভাবে চলাচলকারী এ যানবাহনগুলোর বিরুদ্ধে পৌরসভার লাইসেন্স শাখার পক্ষ থেকে অনেকটা লোক দেখানো অভিযান মাঝেমধ্যে চালানো হতো। তা এখন বন্ধ রয়েছে। একটি সূত্র জানায়, চাঁদপুর পৌরসভার লাইসেন্স শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেনের যোগসাজশে শহরে অনেক অবৈধ যানবাহন চলাচল করে আসছে। আর এজন্যে তিনি মাসোহারা নেন। এ মাসোহারা উত্তোলনের দায়িত্বে লাইসেন্স শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পূর্বে ইজিবাইক লাইসেন্স ও বাৎসরিক নবায়ন ফি ১৭০০০ টাকা ছিলো। বর্তমানে করোনার কারণে তা ১৫০০০ টাকা করা হয়েছে। আর লাইসেন্স পেতে হলে মেয়র চাঁদপুর পৌরসভা বরাবরে আবেদন ফরম নিয়ে আবেদন করে থাকে। সেই সাথে ইজিবাইকটি ক্রয়ের রশিদ, লাইসেন্স গ্রহিতার ছবি এবং তার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি দিতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করেও অনেকে লাইসেন্স পেতে পায়ের জুতার তলা ক্ষয় করতে হয়। আর ওই শাখার ২/৪ জন কর্মকর্তা রয়েছে তাদের সাথে মিনিমাইজ করলে অর্থাৎ কমপক্ষে ১ থেকে ৫ হাজার টাকা গুণলে খুব সহজে পাওয়া যায় লাইসেন্স।



আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, লাইসেন্স শাখার বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো রয়েছে ইজিবাইকের লাইসেন্স দেয়া বন্ধ। অথচ প্রতিনিয়তই সেখানে গোপনে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে এ ইজিবাইকের লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে।



জানা যায়, পৌর পরিষদ নতুন তিনশ' ইজিবাইকের লাইসেন্স দিবে বলে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তার মধ্যে শতাধিক লাইসেন্স দেয়া হয়েছে।



এ সকল বিষয়ে লাইসেন্স শাখার প্রধান মোশাররফ হোসেন পাটোয়ারীর সাথে কথা হলে দেখা যায়, তার বসার স্থানের উপরে সাদা কাগজে লেখা 'লাইসেন্স দেয়া বন্ধ রয়েছে'। তিনি নিজেই কাগজ দেখান। এরপরও ১০০ লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তিনি জানান।



এ বিষয়ে চাঁদপুর পৌরসভার সচিব আবুল কালাম আজাদ ভঁূইয়া বলেন, আগে পায়ে চালিত লাইসেন্সকৃত রিকশা ছিলো এ পৌরসভার সাড়ে চার হাজার। বর্তমানে রয়েছে মাত্র ১০০০। আর ইজিবাইক লাইসেন্সকৃত সংখ্যা ২৭০০। নতুন করে ৩০০ দিলে তিন হাজার হবে। তিনি বললেন, এটা তেমন বেশি নয়, পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত।



 



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৭৭৫৫৫
পুরোন সংখ্যা