চাঁদপুর, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৬ আশ্বিন ১৪২৭, ৩ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৬। রজতশুভ্র স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশন-কারীরা যথাযথ পরিমাণে উহা পূর্ণ করিবে।


১৭। সেথায় তাহাদিগকে পান করিতে দেওয়া হইবে যান্জাবীল মিশ্রিত পানীয়,


১৮। জান্নাতের এমন এক প্রস্রবণের যাহার নাম সালসাবীল।


 


যে সরকার জনগণকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দান করবে, সেটাই যথার্থ সরকার।


-জে.এ.গুড চাইল্ড।


 


 


 


 


অত্যাচার কেয়ামতের দিন সমূহ অন্ধকারের কারণ হবে।


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জ পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নির্বাচন ভাবনা-৮
মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর ছেড়ে দিয়েছি
----------------যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী
প্রবীর চক্রবর্তী
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আসন্ন ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র ও কাউন্সিলর পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে পৌর এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন। নেতা-কর্মীদের নিয়ে চলছে উঠোন বৈঠক ও পথসভা। চলছে মোটর শোভাযাত্রা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের এই পদচারণার কারণে উচ্ছ্বসিত পৌরবাসীও। তাদের মধ্যেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা, প্রার্থীদের ভালো-মন্দ নিয়ে নানা কথাবার্তা। পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠও পাঠকদের মনের খোরাক মিটাতে মেয়র প্রার্থীদের নির্বাচন ভাবনা বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে।



রক্তে-মাংসে আওয়ামী লীগ বলতে ফরিদগঞ্জে যে কজন মানুষ রয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী। ৭২ বছরের এই মানুষটি জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে। বর্তমানে তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি এবং চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি। এছাড়া সেক্টর কমান্ডার ফোরাম ফরিদগঞ্জ শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।



১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যাকা-ের প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে পরদিন ফরিদগঞ্জে মিছিল ও পোস্টারিং কালো পতাকা উত্তোলনের কারণে তিনি পুলিশ হাতে গ্রেফতার হন। ২২ দিন রিমান্ডে নির্মম নির্যাতন শেষে কুমিল্লা সামারী মার্শাল ল কোর্টে মিথ্যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাড়ে ছয় বছরের কারাদ- পেয়ে ৪ বছর ৪ মাস কারাভোগ করতে হয় তাকে। একইভাবে ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে ফরিদগঞ্জে মিছিল বের করলে বিএনপি জামায়াতের হামলায় তিনিসহ ১৫ জন নেতা-কর্মী মারাত্মকভাবে আহত হন।



এর আগে পৌর এলাকার ভাটিরগাঁও গ্রামের মরহুম গোলাম রহমান পাটওয়ারীর ছেলে আবুল খায়ের পাটওয়ারীর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৬২ সালে। হামিদুল হক শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে ফরিদগঞ্জ থানায় নেতৃত্ব দেন তিনি। পরে ১৯৬৫ সালে ঢাকা তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন।



পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে সিগন্যাল কোরে শর্ট সার্ভিস কমিশনে যোগদান করেন। ১৯৬৭ সালে দুই মাসের ছুটিতে এসে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ফরিদগঞ্জের সকল নেতা-কর্মীসহ আইয়ুব বিরোধী জনসভা এবং ১৯৬৯ সালে রিজারভেশনে দেশে এসে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৭০ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে নিজ জেলায় নির্বাচনী কাজে অংশগ্রহণ করেন।



একই বছর ছাত্রলীগের সংগঠন সৃষ্টির লক্ষ্যে ফরিদগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।



১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সকল কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করার সাথে ৭ মার্চ সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক জনসভায় ২৫০ জন নেতাকর্মী নিয়ে যোগদান করেন তিনি। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে ফরিদগঞ্জ বিআরডিবি অফিসের সাইক্লোস্টাইল মেশিন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। যুদ্ধকালে এ মেশিন প্রেসের কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩/৪ এপ্রিল ফরিদগঞ্জ থানার অস্ত্র লুট করে ওই অস্ত্র দিয়ে ফরিদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ছাত্রদের প্রশিক্ষণ দেন। এছাড়া বাঙালি সেনাবাহিনী সদস্যরাসহ একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এবং যুদ্ধকালীন সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।



১৯৭২ সালে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে বেশ কিছু নেতা-কর্মী নিয়ে ফরিদগঞ্জ থেকে তেজগাঁও পুরাতন বিমান বন্দরে উপস্থিত হয়ে জাতির পিতাকে স্বাগত জানান। এর পরেই দেশ পুনর্গঠনে স্থানীয় রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।



১৯৭৩ সালে তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালে বাকশালের সক্রিয় কর্মী হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮১ সালে ঢাকায় হোটেল ইডেনের মাঠে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে যোগদান করেন। যেই অধিবেশনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।



১৯৮২-১৯৮৩ সালে ফরিদগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার সাথে সাথে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯১ সালে ফরিদগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।



২০১১ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের সফল কাউন্সিল সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে বিএনপি-জামায়াত সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে আগুন সন্ত্রাস ও ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচালের জন্য সহিংসতা স্থানীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিরোধ করেন।



তার সাংগঠনিক দৃঢ়তায় ১৯৭৩ সালের পর ফরিদগঞ্জ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিজয় হয়। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংবাদিক মুহম্মদ শফিকুর রহমানের বিজয় নিশ্চিত করতে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসাবে আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ-সংগঠনকে নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে বিজয় নিশ্চিত করেন। আওয়ামী লীগের নিজস্ব কার্যালয় না থাকায় দুই বছর পূর্বে নিজের উদ্যোগে ৭ লাখ টাকা ব্যয় করে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস নির্মাণ করেন তিনি।



রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি ১৯৭০ সালে ফরিদগঞ্জ সদরে শর্ত সাপেক্ষে জমি বন্দোবস্ত নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করে ফরিদগঞ্জ মহাবিদ্যালয় স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭২-৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর নামে ২ একর ৬৭ শতাংশ জমি ক্রয় করে তার উপর বঙ্গবন্ধু মহাবিদ্যালয়টি স্থানান্তর করেন। ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই জমির দলিল হস্তান্তর করেন। যা বর্তমানে ফরিদগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ নামে পরিচিত।



এছাড়া তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির সাবেক চেয়ারম্যান, চাঁদপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের পরিচালক এবং ফরিদগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও ভাটিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে দক্ষতার সাতে দায়িত্ব পালন করেন। সম্প্রতি করোনাকালে তিনি নিজের মুক্তিযোদ্ধা সম্মানিভাতা দিয়ে পৌর এলাকার এক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।



পারিবারিক জীবনে স্ত্রী তানিয়া খাতুন ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজের লাইব্রেরিয়ান, ছেলে রাহুল পাটওয়ারী



ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার এবং মেয়ে অ্যাডঃ নাজমুন নাহার ফরিদগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।



বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের আলোকিত মানুষটি ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে কেন মাঠে রয়েছেন সেই কথা জানাতে তিনি চাঁদপুর কণ্ঠের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।



চাঁদপুর কণ্ঠ : আসন্ন ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন সমাগত। আপনি সেই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। কেন?



আবুল খায়ের পাটওয়ারী : প্রথমেই ধন্যবাদ দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠকে। আমার মতো একজন ক্ষুদ্র মানুষকে সাক্ষাৎকারের জন্যে নির্বাচিত করায়। দেখুন আমি আজন্ম আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কাজ করে চলেছি। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৬২ সাল থেকে রাজপথে ছিলাম। আজও সেইখানে রয়েছি। দলের প্রয়োজনে যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে অবস্থান করেই কাজ করেছি। পদের প্রতি মোহিত না হয়ে জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে আজ পর্যন্ত কাজ করছি। দল আমাকে দীর্ঘসময় পরে উপজেলা পর্যায়ের সভাপতি ও পরবর্তীতে জেলা পর্যায়ের সহ-সভাপতি নির্বাচিত করে। প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যক্তির একটি ইচ্ছা থাকে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সেই দিক থেকে আমার ইচ্ছে রয়েছে। সেজন্যে আমি বিগত পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। এবার আমি মনোনয়নের বিষয়টি পুরোপুরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার উপর ছেড়ে দিয়েছি। তিনি যদি মনে করেন, জীবনের এই পড়ন্ত বিকেলে আমাকে প্রয়োজন, তবে আমি সানন্দচিত্তে তা গ্রহণ করবো।



চাঁদপুর কণ্ঠ : পৌর নির্বাচনে আপনি দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করবেন, না স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন?



আবুল খায়ের পাটওয়ারী : আমি আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বাইরে কোন চিন্তা করিনি। আমার আদর্শ ও মনেপ্রাণে সর্বত্রই জাতির পিতা বিরাজমান। দলের প্রতি আমার বিশ্বস্ততা রয়েছে বলেই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কষ্ট করেও টিকে রয়েছি। দলই আমার কাছে সবকিছু। দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে এমন দিনও গেছে পরিবারের কথাই ভুলে গেছি। ফলে স্বতন্ত্র নয়, দলই আমার কাছে মুখ্য।



চাঁদপুর কণ্ঠ : দলীয় মনোনয়ন না পেলে আপনি নির্বাচন করবেন কি না? সেক্ষেত্রে দল মনোনীত প্রার্থীকে আপনি সমর্থন দিবেন, না নীরব ভূমিকা পালন করবেন?



আবুল খায়ের পাটওয়ারী : আমি আগেই বলেছি, দলের বাইরে যাবার আমাদের সুযোগ নেই। ফলে কোনো কারণে যদি দল আমার পরিবর্তে কাউকে মনোনয়ন দেয়, তবে অবশ্যই নৌকার বিজয় নিশ্চিতেই কাজ করবো।



চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার মতে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার প্রধান সমস্যাগুলো কী কী? বিদ্যমান পৌর পরিষদ কি সেসব সমস্যা সমাধানে পারঙ্গমতার পরিচয় দিয়েছে?



আবুল খায়ের পাটওয়ারী : আপনি যদি পার্শ্ববর্তী কোনো পৌরসভায় যান, তাহলে দেখবেন পৌর এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বইছে। সেই দিক থেকে ফরিদগঞ্জ অবশ্যই পিছিয়ে রয়েছে। পুরো পৌরএলাকার অনেক সড়ক এখানো কাঁচা। পৌরসভার নিজস্ব ভবন নেই। নেই পার্ক, শিশুদের খেলাধূলার জন্য নেই মানসম্পন্ন মাঠ। বিনোদনের জন্য নেই ব্যবস্থা। নেই পৌর কবরস্থান। পৌর শ্মশান থাকলেও এর উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ নেই। একটু বৃষ্টি হলেই পুরো পৌর এলাকা পানিতে টইটম্বুর হয়ে যায়। ডাকাতিয়া নদীকে নিয়ে কোন পরিকল্পনা না থাকায় ক্রমশই দখল হচ্ছে। বর্তমান পরিষদ নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছুড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত। ফলে কী হয়েছে তা বলার প্রয়োজন নেই।



চাঁদপুর কণ্ঠ : একটি আধুনিক পৌরসভা গড়তে আপনার পরিকল্পনা কী থাকবে?



আবুল খায়ের পাটওয়ারী : দেখুন ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকাটিকে ডাকাতিয়া নদী চারদিকে ঘিরে আছে। ইতিপূর্বে সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া পুরো ডাকাতিয়া নদীকে বাঁচাতে এবং সৌন্দর্য বর্ধন করে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ৪৬৯ কোটি টাকার প্রকল্প জমা দিয়েছিলেন। আমার পরিকল্পনা অন্তত পৌর এলাকার ডাকাতিয়া অংশটুকুকে সেই আদলে তৈরি করতে প্রকল্প গ্রহণ করবো। কৃষি জমি নষ্ট না করে গ্রাম হবে শহরের বাস্তবায়ন করতে বহুতল ভবন তৈরির প্রকল্প নেবো। এছাড়া মাস্টার প্ল্যান করেই কাজ করবো।



চাঁদপুর কণ্ঠ : মেয়র পদে আপনি মনোনয়ন পেলে কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে বিজয়ী হবার ব্যাপারে কতোটুকু আশাবাদী?



আবুল খায়ের পাটওয়ারী : গত একযুগ ধরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থেকে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। প্রতিটি এলাকায় কিছু না কিছু উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। তাই আগামী ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আবারো নৌকার বিজয় হবেই।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৪২৮৫৩
পুরোন সংখ্যা