চাঁদপুর, শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ আশ্বিন ১৪২৭, ৭ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১। তাহাদের আবরণ হইবে সূক্ষ্ম সবুজ রেশম ও স্থুল রেশম, তাহারা অলংকৃত হইবে রৌপ্য নির্মিত কংকনে, আর তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে পান করাইবেন বিশুদ্ধ পানীয়।


২২। অবশ্য, ইহাই তোমাদের পুরস্কার এবং তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা স্বীকৃত।


 


 


ভয়কে যারা মানে তারাই জাগিয়ে রাখে ভয়।


-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


 


 


 


যে ব্যক্তি নীরবতা অবলম্বন করেছে সে মুক্তি লাভ করেছে।


 


ফটো গ্যালারি
মাস্ককেই ঢাল মনে করছেন ড. বিজন
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীববিজ্ঞানী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন কিট আবিষ্কারক দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুরে ফিরে গিয়ে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন সে দেশের একটি হোটেলে। কোয়ারেন্টাইন সময়ে তিনি করোনা থেকে সুরক্ষার বিভিন্ন উপায় নিয়ে ভাবছেন। করোনা থেকে মাস্ক কীভাবে রক্ষা করতে পারে, সে বিষয় নিয়ে সমপ্রতি তিনি জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপ করেছেন।



ড. বিজন কুমার শীল জাগো নিউজকে বলেন, "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জুতা আবিষ্কার' কবিতাটা হয়তো আপনাদের জানা। তারপরও কবিতাটা একটু বলি সংক্ষেপে-'গোবু রায়কে রাজা বললেন, মাটিতে পা ফেলামাত্র তার পায়ে ধুলা লাগে। পায়ে যেন ধুলা না লাগে সেই ব্যবস্থা করতে। রাজা তার সিদ্ধান্তে স্থির থাকায় গোবু রায় ভারী দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। মন্ত্রী/পণ্ডিতদের নিয়ে সভা করেন। সিদ্ধান্ত হয়, ঝাড়ু দিয়ে দুনিয়া থেকে সব ধুলা সরিয়ে দেবেন। ঝাড়ু দিতে গিয়ে রাজার শরীরও ধুলায় ঢেকে যায়। পুরো রাজ্য ধুলাময় হয়ে যায়। রাজ্য সর্দি-জ্বরে ভরে যায়। ফলে ধুলা সরাতে পানি ঢাললে পুরো রাজ্য কাদাময় হয়ে যায়। গোবুর চিন্তা আরও বেড়ে যায়।"



"জ্ঞানীগুণীরা এবার পরামর্শ দেন, মহী মাদুর দিয়ে রাজপ্রাসাদ ঢেকে দেয়ার। কোনো ছিদ্র যেন না থাকে। তারপর রাজা ঘরে থাকলে ধুলা লাগার কোনো সুযোগ থাকবে না। কিন্তু রাজা বললেন, তিনি বাইরে না বের হলে রাজ্য চলবে কীভাবে? তাই এ প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। মন্ত্রী/পণ্ডিতদের এবার প্রস্তাব, চামড়া দিয়ে পৃথিবীর সব মাটি ঢেকে ফেলবেন। এতে আর ধুলাও থাকবে না, রাজার পায়ে ধুলা লাগবেও না। কিন্তু এত যোগ্য চামার ও চামড়া তো জুটে না। তখন চামারদের কুলপতি ঈষৎ হেসে বললেন, পুরো পৃথিবী না ঢেকে চামড়া দিয়ে পা ঢেকে দিলেই তো হয়। তাহলেই তো রাজার পায়ে আর ধুলা লাগবে না।"



অণুজীববিজ্ঞানী ড. বিজন বলেন, 'কিছু কিছু সময় সমস্যার সমাধান অনেক জ্ঞানী/গুণী/পণ্ডিতরাও দিতে পারেন না। (আর) চামারের মতো সমাজের অতি সাধারণ মানুষও অনেক বড় সমস্যার সমাধান অতি সহজে দিতে পারেন।'



'এবার বলি কেন এ কবিতার কথা বললাম। চামড়া দিয়ে পুরো পৃথিবী না ঢেকে শুধু পা ঢাকলে যেমন ধুলা থেকে রেহাই পাওয়া যায়, তেমনি করোনাভাইরাস পুরো পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে যাওয়ায় এখন এটাকে আর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই মুখ যদি মাস্ক দিয়ে ঢেকে ফেলা যায়, তাহলে করোনা থেকে মানুষ সহজেই মুক্তি পাবে। এজন্য সবার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা উচিত। সবাইকে মাস্ক পরতে আরও উদ্বুদ্ধ করতে হবে।'



করোনার এই ক্রান্তিকালে মাস্ক পরার গুরুত্ব নিয়ে ড. বিজন কুমার শীল আরও বলেন, 'মাস্ক পরানোর বিষয়গুলো মানুষকে ভালোভাবে বোঝানো উচিত। প্রয়োজনে আইনও প্রয়োগ করা যেতে পারে। শারীরিকভাবে হেনস্তা না করে জরিমানার ব্যবস্থা করতে পারে সরকার। এসব করলে মাস্ক পরা অনেকটাই নিশ্চিত করা যাবে। ফলে করোনা থেকে সুরক্ষাও মিলবে।'



ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় সিঙ্গাপুর চলে গেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন কিট আবিষ্কারক দলের প্রধান ড. বিজন কুমার শীল। ২০ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।



সিঙ্গাপুর থেকে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন ড. বিজন। তিনি গণবিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে শিক্ষকতা করছিলেন। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি তা শনাক্তে অ্যান্টিজেন্ট ও অ্যান্টিবডি কিটের উদ্ভাবন করেন। তবে তা এখনো অনুমোদন দেয়নি সরকার।



গত জুলাইয়ে তার ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। তারপর ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো উত্তর দেয়া হয়নি। ফলে কাজ করতে না পেরে এক ধরনের বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়েছেন ড. বিজন। ওয়ার্ক ভিসার অনুমতি পেলে তিনি আবার বাংলাদেশে কাজে ফিরতে পারবেন।



সূত্র : জাগো নিউজ।



 


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৩২৭৪৫
পুরোন সংখ্যা