চাঁদপুর, রোববার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭, ৯ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। ইহা এক উপদেশ, অতএব যাহার ইচ্ছা সে তাহার প্রতিপালকের দিকে পথ অবলম্বন করুক।


৩০। তোমরা ইচ্ছা করিবে না যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।


৩১। যিনি যাহাকে ইচ্ছা তাঁহার অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন, কিন্তু যালিমরা-উহাদের জন্য তো তিনি প্রস্তুত রাখিয়াছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।


 


 


প্রার্থনা হবে দিনের চাবি এবং রাত্রের তালা স্বরূপ।


-টমাস ফুলার।


 


 


 


 


মজুরের গায়ের ঘাম শুকাবার আগেই তার মজুরি দিয়ে দাও।


 


 


ফটো গ্যালারি
আজ মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও ভাষাসৈনিক আবুল কাশেম চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরের গর্ব ভাষাসৈনিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আবুল কাশেম চৌধুরীর আজ (২৭ সেপ্টেম্বর) ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০০ সালের এইদিনে রাত ১০টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আজ রোববার বাদ আসর মরহুমের নিজ বাড়ি সংলগ্ন পুরাণবাজার চৌধুরী বাড়ি জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুুধ্যায়ীদের উপস্থিত থাকার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বড় ছেলে মোঃ নকীবুল ইসলাম চৌধুরী অনুরোধ জানিয়েছেন।



বর্ণাঢ্য সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আবুল কাশেম চৌধুরী চাঁদপুরের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তার পিতার নাম আমিনুল হক চৌধুরী, পিতামহ আমজাদ আলী ছিলেন ওই এলাকার জমিদার। কাশেম চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি কাগমারি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫১-৫৫ সালে চাঁদপুর শহর যুবলীগের সভাপতি, একই সময়ে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি, ১৯৫৫-৭১ সাল পর্যন্ত মহকুমা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৯৭২ থেকে ৯০ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৯০ সাল থেকে মৃত্যর আগ পর্যন্ত তিনি চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। পাকিস্তান সরকারের রোষানলে পড়ে ১৯৫৪ সালে তিনি ৭ মাস কারাবরণ করেন।



রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক, শিক্ষা এবং ধর্মীয় কর্মকা-ে জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিনি আমিনুল হক পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তাদের পরিবারের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গণি মডেল হাইস্কুল এবং নুরিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনি ১৬ বছর ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি পুরাণবাজার জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১০১১৩১০
পুরোন সংখ্যা