ঢাকা, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০, ৪ কার্তিক ১৪২৭, ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
নিষেধাজ্ঞা ভেঙ্গে পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ শিকার
জেলেদের নিধনযজ্ঞের মধ্যেই চলছে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান
মিজানুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ইলিশের প্রজনন মৌসুমের ২২ দিন সরকার মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করলেও তা মানছেন না জেলেরা। চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ এই তিন জেলার অগণিত জেলে পদ্মা-মেঘনা নদীতে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে।



চাঁদপুর জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক দেওয়ান জানান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু দুর্নীতিপরায়ণ লোকের কারণে জেলে নামধারী দুষ্কৃৃতকারীরা নদীতে মাছ ধরার সাহস পাচ্ছে। নীলকমল, আলু বাজার, চাঁদপুর সদর ও মোহনপুরে নৌ পুলিশ নদীতে ঠিকমতো টহল দিচ্ছে না। যেসব স্থানে জেলে বেশি নদীতে নামছে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে পুলিশ ক্যাম্প করা দরকার। অনেক জেলে টোকেনের মাধ্যমে ইলিশ শিকার করছে। নদীর চতুর্দিক থেকেই জেলেরা নেমে যদি এভাবেই ইলিশ শিকার করে তাহলে প্রশাসন করছেটা কি। ফিশারী দপ্তরও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। কুমিল্লা, দাউদকান্দি, মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর থেকে বরফ পাচার হচ্ছে চরাঞ্চলে।



চাঁদপুর জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, তারা অবৈধ ইলিশ আহরণ বন্ধে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্যে নদীগুলোয় টহল দেয়া হচ্ছে।



এদিকে মা ইলিশ সংরক্ষণে কোস্টগার্ডেরও টহল অব্যাহত আছে। একজন এডিসির নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের স্বেচ্ছাসেবক টীমও প্রতিদিন নদীতে নামছে।



গতকাল ৫৫ জন জেলেকে জেল জরিমানা করার পাশাপাশি নৌকা ও জাল জব্দ করা এমনকি জাল পোড়ানো হয়েছে। এর আগের দিন কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ ৩৬ জেলেকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে।



প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘবদ্ধ হয়ে অসাধু লোভী জেলেরা পদ্মা ও মেঘনা নদীর বিভিন্ন খালের মুখ থেকে নদীতে যাচ্ছে। সরকার দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু লোক অবৈধ মাছ শিকারে প্রভাব খাটাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতারা এবং জেলা পুলিশের থানা ফোর্সও এ বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখছে না।



খোদ চাঁদপুর নৌ থানার আশপাশে রাজরাজেশ্বর চর, তরপুরচন্ডী, আনন্দবাজার, পুরাণবাজারের হরিসভা, রণাগোয়াল, বাবুর্চিঘাট, দোকানঘর, রামদাসদীখাল, সাখুয়াখাল, হরিণা ও আলুবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আশপাশ ইব্রাহিমপুর, মেঘনারচর, ফেরিঘাটের খাল, নন্দেশখার খাল, গোবিন্দিয়া পুরাতন বেড়িবাঁধ, লক্ষ্মীপুর চেয়ারম্যানঘাট, বহরিয়া, সাখুয়া, আখনেরহাট দিয়ে দেদারচে ইলিশ শিকার এবং নদীরপাড়েই বেচাকেনা হচ্ছে।



সবচেয়ে বেশি জেলে নামছে শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ নৌ সীমানার পদ্মা নদীতে। এখানে আহরিত প্রচুর ইলিশ মজুতও করা হয়।



যেসব জেলে নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরছে তারা সবই বিভিন্ন মৎস্য আড়তের অধীনের জেলে বলে জানা যায়।



পর্যবেক্ষক মহলের মতে, প্রশাসন যে অভিযান করছে, তা বিক্ষিপ্ত। মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারছে না। মরা ইলিশের উপর চলছে অভিযান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কিছু জেলেকে গ্রেফতার, জাল পোড়ানো আর এতিমখানা মাদরাসায় জব্দকৃত ইলিশ বিতরণের মধ্যেই চাঁদপুরে প্রতিবছর মা ইলিশ রক্ষার গতানুগতিক কার্যক্রম চলে আসছে।



কোনো জেলেই যাতে নদীতে এই সময় নামতে সাহস না পায় ওই ধরনের কঠোর পরিস্থিতি কোনো বছরই তৈরি হয়নি। তাই ইলিশ প্রজননের এই সময়টা যেন এখানে অসাধু জেলেদের ইলিশ ধরার সিজন হয়ে যায়। আর একশ্রেণির মানুষের অবৈধ মাছ খাওয়া ও টাকা কামানো ধান্দায় পরিণত হয় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানকে ঘিরে।



উল্লেখ্য, ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ করেছে সরকার।



এই ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও বিনিময় আইনত দ-নীয় অপরাধ।



আইন অমান্যকারীকে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদ- অথবা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দ-ে দ-িত করার বিধান আছে।



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৮-সূরা নাবা'


৪০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৩। সমবয়স্কা উদ্ভিন্ন যৌবনা তরুণী।


৩৪। এবং পূর্ণ পানপাত্র।


৩৫। সেথায় তাহারা শুনিবে না অসার ও মিথ্যা বাক্য;


৩৬। ইহা পুরস্কার, যথোচিত দান তোমার প্রতিপালকের,


 


সংসারে কারো ওপর ভরসা করো না, নিজের হাত এবং পায়ের ওপর ভরসা করতে শেখো।


-শেক্সপিয়ার।


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৪,৩৬,৬৮৪ ৫,৫৪,২৮,৫৯৬
সুস্থ ৩,৫২,৮৯৫ ৩,৮৫,৭৮,৭০৩
মৃত্যু ৬,২৫৪ ১৩,৩৩,৭৭৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮৬০২১
পুরোন সংখ্যা