চাঁদপুর, রোববার ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
সামপ্রতিক সময়ে ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের বিভিন্ন তথাকথিত অনিয়মের বিষয়ে সমপ্রতি অনুসন্ধান প্রতিবেদন নামে যে বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার
বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৯ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বারবার পত্র-পত্রিকায় তৎকালীন সময়ের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব রাজ্জাকুল হায়দার খান শিমুর পরিবার কলেজ প্রতিষ্ঠাতা নিয়ে যে মনগড়া ও ভিত্তিহীন দাবি জানিয়ে আসছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কলেজ কর্তৃপক্ষ তার মিথ্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছে সে সাথে ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের প্রকৃত ইতিহাস জানা ও বোঝার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে। তারা বা তার পরিবার স্থানীয় পত্রিকায় যে বিবৃতি প্রদান করছে তার বিষয়ে আমরা কলেজ পরিবার তার সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা প্রদান করি এবং এ বিষয়ে আর কোনো ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন কলেজ কর্তৃপক্ষ মনে করে না। কারণ উক্ত বিষয় নিয়ে বিগত ১৬/০৪/২০১৯ সালে চাঁদপুরের স্থানীয় পত্রিকা চাঁদপুর কণ্ঠ, চাঁদপুর বার্তা, চাঁদপুর সংবাদ, চাঁদপুর দর্পণ এবং ১৮/০৪/২০১৯খ্রিঃ চাঁদপুর প্রবাহ, চাঁদপুর সংবাদসহ প্রায় সকল পত্রিকা, তারও আগে আরও একবার প্রায় সকল পত্রিকায় এবং ২০২০ সালের বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে বহুবার বিবৃতি এবং প্রতিবাদ দেয়া হয়েছে। তারপরও বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব রাজ্জাকুল হায়দার খান শিমু পরিবারের নামে তথাকথিত জ্ঞানপাপী কিছু ব্যক্তি আছেন যারা মূর্খের মত বারবার সত্য ঘটনা আড়াল করে মিথ্যা ঘটনাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। তার/তাদের উদ্দেশ্যে বলা, কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের দাতাসদস্যবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কালের সাক্ষী প্রায় সবাই জনাব সুজিত রায় নন্দী যে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি তা তাদের প্রেস নোটে উল্লেখ করেছেন, তা গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে। জনাব রাজ্জাকুল হায়দার খান শিমু, তিনি তার জীবিত থাকাবস্থায়ও কয়েকবার জনাব সুজিত রায় নন্দীকে প্রতিষ্ঠাতা করার ব্যাপারে প্রস্তাব দেন, তা কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের দাতাসদস্যবৃন্দসহ সবাই স্বীকার করেন। তারপরও কলেজ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে কয়েক বার আপনাদের হাতে নূ্যনতম কোনো প্রকার ডকুমেন্টস্ থাকলে তাসহ কলেজে যোগাযোগ করতে বলা হলে আপনারা তা না করে যে বিচারের সংস্কৃতি চালু করে চলেছেন তা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়ও বটে। জনাব সুজিত রায় নন্দী কখনও হঠাৎ করে প্রতিষ্ঠাতা হন নি বা তিনি প্রতিষ্ঠাতা হতেও ইচ্ছুক ছিলেন না। তার অসামান্য অবদানের সামান্য স্বীকৃতি স্বরূপ কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে প্রতিষ্ঠাতা করে এবং তা কলেজের সকল নিয়মকানুন পূরণ করেই করে, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠাতা করণ আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রমাণ স্বরূপ বলতে হলে তিনি এ যাবৎ কলেজকে নগদ অনুদান বাবদ ৪৬,৫৩,৭৭৬/- (ছেচলি্লশ লাখ তেপ্পান্ন হাজার সাতশ' ছিয়াত্তর হাজার) টাকা, কলেজ ছাত্রাবাসের জন্যে জমি প্রদানসহ আরও জমি নিজ অর্থায়নে ক্রয় করে কলেজর নামে দেবার প্রতিশ্রুতি দেন। যারা জনাব রাজ্জাকুল হায়দার খান শিমুকে প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে আসছেন তাদেরকে বলতে হয়, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হতে হলে যে নূ্যনতম অবদান রাখা লাগে তার সামান্য পরিমাণ যদি তিনি কলেজের জন্য করে থাকেন তাহলে তা নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আসুন, ন্যায় বিচার পাবেন। আশা করি পারবেন না। তাই বলছি, সুজিত রায় নন্দীর মত এত বড় মনমানসিকতার একজন ম্যাজিকম্যানকে কলেজ পরিবার প্রতিষ্ঠাতা পেয়ে ধন্য মনে করছে। কলেজের শিক্ষক পরিষদও এ ব্যাপারে মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ করছে। এতে করে কোনো সমস্যা হয় বলে কলেজ শিক্ষকবৃন্দ মনে করেন না। তারপরও শিক্ষকদের জড়িয়ে যে মিথ্যা সংবাদ করা হয়েছে উক্ত পত্রিকার মাধ্যমে তারও কঠোরভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তার আরও একটি বিষয় নিয়ে আপনারা উল্লেখ করেছেন যে, কলেজের মূল ফটকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির নাম সাঁটানো নিয়ে। কলেজের মূল ফটকে নাম সাঁটানো নিয়েও আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটে নি, সকল নিয়ম পালন করেই নাম সাঁটানো হয়। যখন নাম সাঁটানো হয়েছে তখন তো কেউ কোনো প্রতিবাদ করেন নি বা আইনের আশ্রয় নেন নি। এখন কেনো এত কথা আপনাদের মনে আসে? আপামর জনতা সবাই একবাক্যে স্বীকার করে যে, ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজ মানেই তো সুজিত রায় নন্দী (দাদার) কলেজ। তো এ সকল মীমাংসিত ইস্যু নিয়ে অহেতুক মিথ্যার আশ্রয় না নেয়ার উদাত্ত আহ্বান জানাই, পাশাপাশি যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



নিবেদক : কলেজ কর্তৃপক্ষ।



জিডি ৮৯৮/২০২০।



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৮২-সূরা ইন্ফিতার


১৯ আয়াত, ১ রুকু, মক্কী


১৬। এবং উহারা উহা হইতে অন্তর্হিত হইতে পারিবে না।


১৭। কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?


১৮। আবার বলি, কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কি জান?


১৯। সেই দিন একে অপরের জন্য কিছু করিবার সামর্থ্য থাকিবে না; এবং সেই দিন সমস্ত কর্তৃত্ব হইবে আল্লাহর।


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


আমার মুক্তি আলোয়...।


-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


 


 


 


 


 


 


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, মানুষের মধ্যে তিনি উত্তম পুরুষ।


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৫,১২,৪৯৬ ৮,২৪,৩৫,৪৮২
সুস্থ ৪,৫৬,০৭০ ৫,৮৪,৪৩,৫১৫
মৃত্যু ৭,৫৩১ ১৭,৯৯,২৯৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮০৬৫৩৮
পুরোন সংখ্যা