চাঁদপুর, রোববার ৬ ডিসেম্বর ২০২০, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ২০ রবিউস সানি ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
আজ কচুয়া মুক্ত দিবস
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
০৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আজ রোববার ৬ ডিসেম্বর কচুয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানী বাহিনীকে কচুয়ার মাটি থেকে বিতাড়িত করা হয় এবং কচুয়াকে স্বাধীন করা হয়।



৫ ডিসেম্বর দিবাগত গভীর রাতে পাক সেনাদের একটি শক্তিশালী সু-সজ্জিত ব্যাটালিয়ান কচুয়া-কালিয়াপাড়া একমাত্র পাকা রাস্তায় কচুয়ার অদূরে লুন্তি গ্রাম নামক স্থানে তাদের গাড়ির বিশাল বহর রেখে কাকডাকা ভোরে কচুয়া অভিমুখে মার্চ করে স্বল্প সময়ে কচুয়া বাজারে পেঁৗছে বাজারটি লুটপাট করে এবং জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। একটি গ্রুপ উল্লেখিত লুন্তি গ্রামটি ঘেরাও দিয়ে চলচাতুরির অংশ হিসেবে মর্টারের শেল নিক্ষেপ করে। গ্রামটি জ্বালিয়ে দেয়ার পূর্ব প্রস্তুতি নিলেও রাজাকাররা ভিন্ন পথে পালিয়ে যাওয়ার কারণে গ্রামটি নিশ্চিত ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায়। তাদের আগমনী বার্তায় এ গ্রামের নারী-পুরুষ ও মহিলারা গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। কারণ ওই গ্রামের খন্দকার বাড়ির সামনে কচুয়ার একমাত্র পাকা রাস্তায় ট্রেন্স কাটাসহ বিভিন্নভাবে ব্যারিকেড তৈরি করে মুক্তিযোদ্ধা সালাহউদ্দিন মানিকসহ যুদ্ধকালীন ডেপুটি কমান্ডার জাবের মিয়া ও এয়াকুব মাস্টারের নেতৃত্বে হোসেনপুর বাজারের উত্তর পাশের ব্রিজটি গুঁড়িয়ে দেয়।



পরের দিন ৬ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত কচুয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেন যুদ্ধকালীন এফএফ কমান্ডার ও পালাখাল গ্রামের কৃতী সন্তান আব্দুর রশিদ পাঠান। লোমহর্ষক কাহিনী ও ধ্বংসলীলা তাকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। এ অবস্থায় তীক্ষ্ন প্রতিভার অধিকারী দুঃসাহসী বিএলএফ কমান্ডার ওয়াহিদুর রহমানের নেতৃত্বে তখনও কচুয়ার মুক্তাঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ চলতে থাকে। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন দক্ষ প্রশিক্ষক জাবের মিয়া। কচুয়া মুক্ত হবার পর কচুয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আঃ মবিন, ডেপুটি কমান্ডার জাবের মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আবুল মাস্টার, ওসমান গণি পাটওয়ারী, শাহআলম পাটওয়ারী, দেওয়ান সিরাজুল ইসলাম, হেদায়েত উল্যাহ, মরহুম আঃ হালিম, মরহুম একেএম মফিজুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের আবিদ, আঃ বারী, আঃ রহিম, গাজী ইউসুফ, সালাহউদ্দিন মানিক, মোঃ হাফিজ পাটওয়ারী, মোঃ হানিফ, জুনাব আলী, চারু মিয়া, গাজী শফিক, আঃ মতিন, আনোয়ার সিকদার, খায়ের মাস্টার, মরহুম আলী আহম্মদ, আলী আশ্রাফ, দেলোয়ার হোসেন, শফিকুর রহমান এবং হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি, বরুড়াসহ বিভিন্ন রণাঙ্গনে বেশ কিছু সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা মরণপণ লড়াইয়ে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন।



 


এই পাতার আরো খবর -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৮৩-সূরা মুতাফ্ফিফীন


৩৬ আয়াত, ১ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১। যাহারা আল্লাহর সান্নিধ্যপ্রাপ্ত তাহারা উহা দেখে।


২২। পুণ্যবানগণ তো থাকিবে পরম স্বাচ্ছন্দ্যে,


২৩। তাহারা সুসজ্জিত আসনে বসিয়া অবলোকন করিবে।


২৪। তুমি তাহাদের মুখম-লে স্বাচ্ছন্দ্যের দীপ্তি দেখিতে পাইবে,


 


শিক্ষা হচ্ছে ধনাগার এবং সংস্কৃতি মৃত্যুহীন।


-হেনরি অ্যাডামস।


 


 


 


 


 


যে পরনিন্দা করে সে নিন্দুকের অন্যতম।


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৫,১২,৪৯৬ ৮,২৪,৩৫,৪৮২
সুস্থ ৪,৫৬,০৭০ ৫,৮৪,৪৩,৫১৫
মৃত্যু ৭,৫৩১ ১৭,৯৯,২৯৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৮০৪৬
পুরোন সংখ্যা