চাঁদপুর । রোববার ৮ জুলাই ২০১৮ । ২৪ আষাঢ় ১৪২৫ । ২৩ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩২। যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে এবং তার কাছে সত্য আগমন করার পর তাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করে, তার চেয়ে অধিক জালেম আর কে হবে? কাফেরদের বাসস্থান জাহান্নামে নয় কি?

৩৩। যারা সত্য নিয়ে আগমন করছে এবং সত্যকে সত্য মেনে নিয়েছে, তারাই তো খোদাভীরু।

৩৪। তাদের জন্যে পালকর্তার কাছে তাই রয়েছে, যা তারা চাইবে। এটা সৎকর্মীদের পুরস্কার।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

                        


একটি সুন্দর মন থাকা একটি সুন্দর রাজ্যে বসবাস করার আনন্দের মতো।

 -জনওয়েলস


যে ব্যক্তি সবুর করে আল্লাহ তাকে তার শক্তি দেন, সবুরের শক্তির মতো বড় নেয়ামত আর কিছু নেই।    

 


ফটো গ্যালারি
গোল্ডেন বুট পাচ্ছেন হ্যারি কেইনই?
০৮ জুলাই, ২০১৮ ১৩:৪২:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন সবসময়ই প্রশংসিত হন তার গোল করার দক্ষতার জন্য। যেমন ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হলো লিথুয়ানিয়ার বিরুদ্ধে এবং সেই ম্যাচেই প্রথম গোলটি দিতে তিনি সময় নিয়েছিলেন মাত্র ৭৯ সেকেন্ড। সেই গোলটি দিতে তাকে ফুটবল স্পর্শ করতে হয়েছে মাত্র তিনবার। প্রিমিয়ার লিগের দুবারের শীর্ষ গোলদাতা কেইন এককভাবে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক। শেষ ষোলোতে কলাম্বিয়াকে হারানো পেনাল্টি গোলের মাধ্যমে তার গোলের সংখ্যা ছটি। তার কাছেই আছেন বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকু এবং এর পরই আছেন ফরাসি তারকা কিলিয়েন এমবাপ্পেসহ আরও কয়েকজন।



 


১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে গ্যারি লিনেকারও ৬টি গোল করেছিলেন, তবে এবার কেইনের সামনে আরও অন্তত দুটি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা আছে। এর মধ্যে একটি নিশ্চিত আর সেটি হলো সেমিফাইনাল, যাতে তার প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। আর সেমিফাইনালে জিতলে ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে ফ্রান্স বা বেলজিয়ামের। এসব কারণে হ্যারি কেইনের গোল সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এখনো। কেইনের ৬টি গোলের মধ্যে তিনটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। আর একটি হেড থেকে ও দুটি বক্সের ভেতর থেকে।  এর পর সবচেয়ে বেশি ৪টি গোল করেছেন লুকাকু। যার ৩টি বক্সের ভেতর থেকে আর একটি হেডে। ফরাসি তারকা গ্রিজম্যানের তিন গোলের মধ্যে দুটি পেনাল্টি আর একটি বক্সের বাইরে থেকে নেয়া শটে। এমবাপ্পের তিনটি গোলই এসেছে বক্সের ভেতর থেকে। এ ছাড়া দুটি করে গোল আছে ক্রোয়েশিয়া মদ্রিচ আর বেলজিয়ামের হ্যাজার্ডের । ২০১০ সালের বিশ্বকাপে প্রথম গোল্ডেন বুট দেয়া শুরু হয়। এর আগে ১৯৮২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেয়া হতো গোল্ডেন শু, আর এর আগে আনুষ্ঠানিক পদক না দিলেও দেয়া হতো সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার রদ্রিগেজ ও ১৯৯৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার সুকার ছয়টি করে গোল দিতে সর্বোচ্চ গোলদাতার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন। তবে ২০০২ সালে সর্বোচ্চ ৮ গোল করে গোল্ডেন জুতো পেয়েছিলেন ব্রাজিলের রোনালদো। আর ২০০৬ ও ২০১০ সালে ৫টি করে গোল দিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন যথাক্রমে জার্মানির ক্লোসার ও মুলার।



সূত্র : এবি নিউজ


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ১৩২০১৫
    পুরোন সংখ্যা