চাঁদপুর। রোববার ১২ নভেম্বর ২০১৭। ২৮ কার্তিক ১৪২৪। ২২ সফর ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩১-সূরা লোকমান

৩৪ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।



৩২। যখন তাদেরকে মেঘমালা সদৃশ তরঙ্গ আচ্ছাদিত করে দেয়, তখন তারা খাঁটি  মনে আল্লাহকে ডাকতে থাকে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে স্থলভাগের দিকে উদ্বার করে আনেন। তখন তাদের কেউ কেউ সরল পথ চলে, কেবল মিথ্যাচারী, অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিই আমার নির্দেশনাবলী অস্বীকার করে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


তরকারি কোটা দেখেই রাঁধুনি চেনা যায়

                               -টমাস ফুলার।


যে ব্যক্তির স্বভাবে নম্রতা নেই, সে সর্বপ্রকার কল্যাণ হতে বঞ্চিত।


সৌদি বাদশার সঙ্গে দেখা গেছে সাদ হারিরিকে
১২ নভেম্বর, ২০১৭ ১৩:৫৩:১৩
প্রিন্টঅ-অ+


সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সদ্য পদত্যাগ করা লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ আল-হারিরি সৌদি বাদশা সালমানকে অভিবাদন জানানোর জন্য অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে অপেক্ষা করছেন।



গতকাল শনিবার প্রকাশিত ওই ভিডিও চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ‘সৌদি বাদশা সালমান মদিনা থেকে ফেরার পর এক রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ধারাবাহিকভাবে রাজাকে কুর্নিশ এবং তার হাতে চুমো দিচ্ছেন। তখন দেখা যাচ্ছে, সাদ হারিরি লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং রাজার কাঁধে প্রথাগত চুমো দেয়ার রীতিনীতি সম্পূর্ণ না করেই তিনি তার অভিবাদন শেষ করছেন।’ এ সময় হারিরিকে বেশ হতাশাগ্রস্ত দেখা গেছে।



গত ৪ নভেম্বর শনিবার সৌদি আরব সফরে গিয়ে টেলিভিশনে দেয়া ভাষণের মাধ্যমে সাদ হারিরি লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এবং এখন সেখানেই তিনি অবস্থান করছেন। এ সময় তিনি লিখিত বক্তব্যে আকস্মিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।



এদিকে, হারিরির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ‘সৌদি আরব সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহকে মোকাবেলায় নিজের অনিচ্ছা প্রকাশ করায় সাদ হারিরিকে আগেই ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর উচিত ছিল।’



ওই সূত্রটি আরো বলেছে, লেবাননের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়ার আগে সাদ হারিরি সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেন।



তিনি বলেন, ‘ওই সব বৈঠকে যা ঘটে থাকতে পারে সে ব্যাপারে আমার বিশ্বাস হলো, হারিরি সৌদি কর্মকর্তাদের এ কথা বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষে গেলে লেবানন অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। আমার বিশ্বাস,  সৌদি কর্মকর্তারা তার বক্তব্যে খুশি হতে পারেনি। ফলে যা ঘটার তাই ঘটেছে।’



লেবাননে শিয়াপন্থী সংগঠন হিজবুল্লাহ সক্রিয় রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহকে সমর্থন দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাদ আল-হারিরি এ বিষয়টির কঠোর সমালোচনা করেছেন।



গত বছরের নভেম্বর মাসে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাদের নাম ঘোষণা করা হয়। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত মেয়াদেও তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।



গত বছর প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হওয়ার পর দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সাদ আল-হারিরি। তবে শুরু থেকেই তার নেতৃত্বের বিরোধিতা করে আসছে ইরান। অন্যদিকে সাদের পক্ষে আছে সৌদি আরব। তবে রিয়াদ থেকে তার পদ্যত্যাগের ঘোষণা বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।



সূত্র: পার্স টুডে


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩২১৭৯
পুরোন সংখ্যা