চাঁদপুর । শুক্রবার ১৩ জুলাই ২০১৮ । ২৯ আষাঢ় ১৪২৫ । ২৮ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৪। বল, ‘সকল সুপারিশ আল্লাহরই ইখতিয়ারে, আকাশম-লী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব আল্লাহরই, অতঃপর তাঁহারই নিকট তোমরা প্রত্যানীত হইবে’।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


দুষ্ট লোকেরা তাদের গড়া নরকেই বাস করে।

 টমাস ফুলার।


যারা অতি অভাবগ্রস্ত, দীন-দরিদ্র, কেবল তারা ভিক্ষা করতে পারে।



                       


ফটো গ্যালারি
বেহেস্তবাসী সম্বন্ধে হাদীসে রাসূল (সাঃ)
আলহাজ্ব মোঃ আবদুল হক মোল্লা
১৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


১) হযরত ইমরান হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী করীম (সাঃ) ঘোষণা করেছেন যে, আমি জান্নাতের অধিবাসী সম্পর্কে অবহিত হয়েছি। আমি জানতে পারলাম জান্নাতের অধিকাংশ অধিবাসী হবে গরিব লোক। জাহান্নামীদের সম্পর্কে অবহিত হয়েছি, আমি জানতে পারলাম এর অধিকাংশ অধিবাসী হবে মহিলা।



২। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে কায়েস আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন আল্লাহর রাসুল ঘোষণা করেছেন, জান্নাতে মুমিনদের জন্যে দামী মোতির তাঁবু থাকবে, যার উচ্চতা ত্রিশ মাইল। এর প্রতিটি কোণে মুমিনদের জন্যে এমন স্ত্রী থাকবে যাদেরকে অন্যরা কখনও দেখেনি।



৩) হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ঘোষণা করেন, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আমি আমার নেক বান্দাদের জন্যে এমন নেয়ামত সমূহ তৈরি করে রেখেছি যা কোনো চক্ষু দেখে নাই। কোনো কান শুনে নাই, এমনকি কোনো মানুষের মনে তার কল্পনাও আসতে পারে না।



৪) হযরত সাহল ইবনে সাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) ঘোষণা করেন আমার উম্মত হতে ৭০ হাজারের একটি দল বেহেস্ত লাভ করবে। তারা একত্রে বেহেস্তের দরজা অতিক্রম করবে। তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাদের ন্যায় উজ্জ্বল।



৫) হযরত আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ঘোষণা করেছেন-বেহেস্তে একটি গাছ আছে। যার ছায়াতলে বিশেষ দ্রুতগামী অশ্বারোহী একশত বছর চলে ও তা অতিক্রম করতে পারবে না।



৬) হযরত ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী করীম (সাঃ) কে একটি রেশমী জ্বব্বা হাদীয়া দেয়া হলো। অথচ তিনি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। লোকেরা তা খুব পছন্দ করলো, তখন তিনি বললেন ওই সত্তার কসম। যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ অবশ্যই জান্নাতের সাদ ইবনে মূআয়ের রূপাল এর চেয়ে ও অধিক সুন্দর হবে।



৭) হযরত সাহল ইবনে সাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী কারীম (সাঃ) ঘোষণা করেছেন বেহেস্তে চাবুক রাখা যায়। এ পরিমাণ স্থান ও দুনিয়ায় এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও উত্তম।



৮) হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) ঘোষণা করেন যে, অবশ্যই বেহেস্তীগণ তাদের ওপরের বালা খানার অধিবাসীদের এমনভাবে দেখতে পাবে। যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জ্বল দীপ্তিমান তারকা দেখতে পাও। এটি হবে তাদের মধ্যে মর্যাদার পার্থক্যের কারণ। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহর (সাঃ) এতো নবীগণের জায়গা, তারা ছাড়া অন্যরা সেখানে পৌঁছাতে পারবে না। তিনি বললেন, হ্যাঁ সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, যেসব লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে এবং নবীগণকে সত্য বলে স্বীকার করবে। তারা সেখানে পৌঁছতে পারবে।



৯) আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূল (সাঃ) ঘোষণা করেন জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দলটির লোকগণের চোহারা পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় দীপ্ত হবে। তাদের মুখের থু-থু উৎপত্তি না থাকে সর্দি থাকবে না, মল-মূত্রের বেগ হবে না; কোনো প্রকার রোগের আক্রমণ হবে না। তাদের ব্যবহারিক আসবাবপত্র বর্তন, পেয়ালা স্বর্ণ নির্মিত হবে। মাথা আছড়াবার চিরুনী পর্যন্ত স্বর্ণরৌপ্যের তৈরি হবে। সুগন্ধির জন্য বিশেষ আগরের ধুনির ব্যবস্থা থাকবে। তাদের ঘাম কস্তুরির ন্যায় সুগন্ধিময় হবে। তাদের প্রত্যেকে দুই, দুইজন বিশেষ পরিনীতা থাকবেন। তাদের সৌন্দর্য এমন হবে যে, তাদের পায়ের গোছা সমুহের হাড্ডি মগজ বাহির হতে দেখা যাবে। বেহেস্তীদের পরস্পরের কোনো রকম আপদ-বিপদ হবে না। যেন তারা সকলে একমন এক প্রাণ, তারা সকাল-বিকাল আল্লাহ তায়ালার পবিত্রতা প্রকাশ করবেন।



১০) হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত : হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ঘোষণা করেছেন নিশ্চয়ই বেহেস্তীরা তাদের ঊধর্ে্ব বালাখানার বাসিন্দাদের এমনভাবে দেখতে পাবে। যেমনভাবে তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিগন্তের একটি উজ্জ্বল তারা দেখতে পাও। এটা তাদের মধ্যে মর্যাদার পার্থক্যের কারণে হবে। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করবেন যে, হে নবী করীম (সাঃ) ওটি নবীদের স্থান। অন্যেরা তো সেখানে পৌঁছতে পারবে না। তিনি বললেন, সে সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে এবং নবীগণের সত্যতা স্বীকার করবে। তারা সেখানে পৌঁছতে পারবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৪৫১৬৮
পুরোন সংখ্যা