চাঁদপুর। রোববার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ৩ আশ্বিন ১৪২৩। ১৫ জিলহজ ১৪৩৭

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৫-সূরা ফুরকান

৭৭ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৫। তুমি কি তোমার প্রতিপালকের প্রতি লক্ষ্য কর না কিভাবে তিনি ছায়া সম্প্রসারিত করেন? তিনি ইচ্ছা করিলে ইহাকে তো স্থির রাখিতে পারিতেন; অনন্তর আমি সূর্যকে করিয়াছি ইহার নির্দেশক।        

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


যে ব্যক্তি হালাল পথে রুজি করে সে প্রকৃত মুসলমান।  

-হযরত আঃ কাদের জিলানী (রহঃ)।


বিনয় ও সৌজন্য ঈমানের দুই শাখা এবং বৃথা বাক্যালাপ ও জাঁকজমক কপটতা (মুনাফেকির) দুই শাখা।     

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


শাহতলী কামিল মাদ্রাসার ২৪৩টি পশুর চামড়া বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর সদর উপজেলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী শাহতলী কামিল মাদ্রাসার হাবিবুর রহমান লিল্লস্নাহ বোডিংয়ের জন্যে সংগ্রহকৃত কোরবানির পশুর (গরু-ছাগল) চামড়া বিক্রিতে এ বছর ধস নেমেছে। বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় বিগত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর চামড়ার মূল্য সর্বনিম্ন পর্যায় নেমে এসেছে। আর এ জন্যে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ হতাশ হয়ে পড়েছে। তবে বিক্রিতে ধস নামলেও চামড়া প্রাপ্তিতে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেকটা সফল হয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এ বছর মোট প্রাপ্ত ২৪৩টি গরু ও ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮শ' ৭৩ টাকা। এর মধ্যে ১৯১টি গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ২শ' ৭৩ টাকা। আর ৫২টি ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬শ' টাকা। প্রতিটি গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে ৭৫০ টাকা করে। যা বিগত বছরের তুলনায় অর্ধেকের কম।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কোরবানির পশুর চামড়া প্রাপ্তির দিক দিয়ে শাহতলী ৭৫টি, হামানকর্দী ৬৮টি, আলগী পাঁচগাঁও ১৭টি, পাইকদী ২০টি, হাফানিয়া ৫টি, মৈশাদী ৩টি, ভাটেরগাঁও ১টি, আশিকাটি ১টি ও মমিনপুর থেকে ১টি গরুর চামড়া আংশিক ও পুরো পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৫২টি ছাগলের চামড়া উল্লেখিত বিভিন্ন গ্রাম থেকে পাওয়া যায়। এবারই প্রথম মাদ্রাসার লিল্লাহ বোডিংয়ে শাহতলী গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক চামড়া পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী জানান, বিগত বছরের চেয়ে এ বছর প্রত্যাশার চেয়েও বেশি চামড়া পেয়েছি। এ জন্যে প্রথমেই যারা চামড়া দিয়েছেন সেই সব দানশীল ব্যক্তির প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। চামড়া বিক্রিতে এ বছর লোকসান না হলেও আশানুরূপ আয় আসবে না। তাই আমি মাদ্রাসার লিল্লাহ বোডিং নিয়ে চিন্তায় আছি আগামীতে কীভাবে লিল্লাহ বোডিং চলবে। কারণ, প্রতি বছর কোরবানির পশুর চামড়ার আয় থেকেই লিল্লাহ বোডিংয়ে থাকা গরিব অসহায় শিক্ষার্থীদের জন্যে ব্যয় করা হয়ে থাকে। এ বছর উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে লিল্লাহ বোডিংয়ে থাকা শিক্ষার্থীরাও চামড়া সংগ্রহে এ প্রথম গ্রামে গ্রামে চষে বেড়িয়েছে। আশা করছি মাদ্রাসার লিল্লাহ বোডিংয়ের প্রতি এলাকাবাসী ও অভিভাবক মহলের যেই আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। আগামীতে তা আমরা কাটিয়ে উঠতে সমর্থ হবো।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা বেলাল হোসাইন জানান, আমরা খুবই আশাবাদী ছিলাম এ বছর এতদঞ্চলের দানকৃত কোরবানির পশুর চামড়ার আয় দিয়ে লিল্লাহ বোডিং সমৃদ্ধ হবে। এ বছর পশুর চামড়া প্রাপ্তিতে আমরা সফল হলেও বিক্রিতে বাজার পড়ে যাওয়ায় আমরা ভালো মূল্য পাইনি। তবে আয় কম হলেও আমরা হাল ছাড়ছি না। এলাকাবাসী এ মাদ্রাসার প্রতি খুবই আন্তরিক। আশা করছি আগামীতে এ অঞ্চলের মানুষের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৮০৩২৩
পুরোন সংখ্যা