চাঁদপুর। বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭। ২৮ পৌষ ১৪২৩। ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৮২। ‘এবং ওজন করিবে সঠিক দাঁড়িপাল্লায়’।


১৮৩। ‘লোকদিগকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিবে না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাইবেন’।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

যারা আত্মপ্রশংসা করে খোদা তাহাদের ঘৃণা করে।                     -সেন্ট ক্লিমেন্ট। 


নারী-পুরুষ যমজ অর্ধাঙ্গিনী।        


ফটো গ্যালারি
পুলিশ সুপারের নির্দেশ মানছে না
শাহতলী ও মৈশাদীতে ট্রাক্টর চলাচল কি বৈধ?
১১ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

সোহাঈদ খান জিয়া চাঁদপুর সদরের শাহতলী ও মৈশাদী এলাকায় সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় শতাধিক যন্ত্রদানব ট্রাক্টর চলাচল করছে। এরা পুলিশ সুপারের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বীর দর্পে প্রতিদিন বালি ও বিভিন্ন পণ্য বহন করে চলছে। পূর্বের ন্যায় এরা দাপটের সাথে চলাচল করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। মনে হচ্ছে প্রশাসনই এদের চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনা জেলার সর্বত্র কার্যকর হলেও একমাত্র শাহতলী ও মৈশাদী এলাকার জন্যে ট্রাক্টর চলাচল মনে হয় বৈধ করা হয়েছে। ট্রাক্টর মালিকরা বাবুরহাট এলাকায় দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট পুলিশের সাথে যোগসাজসের মাধ্যমেই শাহতলী ও মৈশাদী থেকে পণ্য পরিবহণ করে চাঁদপুর-কুমিল্লা সড়কের উপর দিয়ে আশে পাশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করছে। এ দু'টি এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামো ট্রাক্টরের কারণে এখন ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপরদিকে দ্রতগতিতে এদের চলাচলের কারণে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী ছাত্র-ছাত্রীরা আতঙ্কের মাঝে আসা-যাওয়া করছে। আর কোমলমতি শিশুদের নিয়ে তদের পিতা-মাতা বেশি চিন্তিত থাকেন কখন আবার দুর্ঘটনা ঘটে যায়। আর ট্রাক্টর চালকদের মধ্যে বেশির ভাগ চালক অযোগ্য ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। এরা নিজেদের মনমতো বেপরোয়া গতিতে বাজারের মধ্যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়ে দ্রুতগতিতে ট্রাক্টর চালিয়ে থাকে। ট্রাক্টরে বহনকৃত বালি ঢেকে চলাচল করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। আবার কোনো কোনো ট্রাক্টরে বহনকৃত বালি ঢেকে নেয়া হলেও তা নামে মাত্র।

শাহতলী ও মৈশাদী এলাকায় ট্রাক্টরের কারণে শাহতলী-বাবুরহাট ফিডার সড়ক ও মৈশাদী-বাবুরহাট সড়কটি চলাচল অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য সড়কের স্ট্রাকচারও ধ্বংস করা হচ্ছে। এমনিভাবে দিনের পর দিন ট্রাক্টর চলাচল করলেও তা বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, আমাদের লোক সংখ্যা কম। তারপরও ওয়্যারলেছ মোড়ে অন টেস্ট ও নসিমনসহ বিভিন্ন গাড়ি আটক করা হচ্ছে। চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ অলিউল্যাহ অলি বলেন শাহতলী ও মৈশাদীতে ট্রাক্টর চলাচলের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩১৪৬৫৫
পুরোন সংখ্যা