চাঁদপুর। সোমবার ১৭ জুলাই ২০১৭। ২ শ্রাবণ ১৪২৪। ২২ শাওয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৮৬। তুমি আশা কর নাই যে, তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হইবে। ইহা তো কেবল তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ। সুতরাং তুমি কখনও কাফিরদের সহায় হইও না। ’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।


                        -ডাব্লিউ জি বেনহাম।


যাহাদের হৃদয় পবিত্র, দয়া ও সত্যে পূর্ণ, তাহারাই অমৃতলোক বেহেশতের অধিবাসী হবেন।


 

ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুইশ’ মিটার সড়কের করুণ দশা ॥ মানুষের দুর্ভোগ
প্রবীর চক্রবর্তী
১৭ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+
মাত্র দু’শ’ মিটার সড়কের দুর্দশা গত এক দশকেও কাটেনি। অথচ উপজেলার প্রধানতম সরকারি হাসপাতালের সড়ক এটি। ৩১ শয্যা থেকে কাগজে কলমে ৫০ শয্যায় উন্নীত এ হাসপাতালটিতে প্রতিদিন আউটডোরেই শ’ শ’ রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে। কিন্তু হাসপাতালের প্রবেশদ্বারের সড়কটির দুরবস্থার কারণে এ অঞ্চলের হাজারো মানুষের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে আগত রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ-রায়পুর সড়কের পাশে ১৯৬৩ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে প্রতিদিন কয়েক শ’ রোগী সেবা নিয়ে থাকে। কিন্তু হাসপাতালে প্রবেশ করার ২শ’ মিটার সড়কটি গত এক দশক ধরে দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলো। এ নিয়ে উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভাসহ বিভিন্ন সভায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সংস্কারের আবেদন করলে পৌর কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে সংস্কারের দায়িত্ব নেয়। সে অনুযায়ী গত এপ্রিল মাস থেকে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হলেও গত তিন মাসেও এটি সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদার। ফলে দুর্দশা আরো বেড়েছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের র‌্যালী নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবেশ করতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন অতিথিবৃন্দ। এ সময় তাঁরা জনগুরুত্ব বহন করলেও সড়কটিকে এভাবে ফেলে রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম শিপন জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়কটির সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন ছিল। না করাতে সেবা নিতে আসা রোগীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সর্বশেষ তিনি গত বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় এ দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেন। 

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান রানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে সড়কের কাজ ফেলে রাখা মেনে নেয়া যায় না। 

পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলা সদরের প্রধান সড়কটিসহ মোট ৬টি প্যাকেজে ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের নির্মাণ কাজের কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালের ২শ’ মিটার সড়কও রয়েছে। ওই অংশটুকুর কার্যাদেশ পায় এভারেস্ট ইন্টারন্যাশনাল। কাজের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করলে জরিমানা করা হবে।

 

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৪৫০
পুরোন সংখ্যা