চাঁদপুর। সোমবার ১৭ জুলাই ২০১৭। ২ শ্রাবণ ১৪২৪। ২২ শাওয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৮৬। তুমি আশা কর নাই যে, তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হইবে। ইহা তো কেবল তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ। সুতরাং তুমি কখনও কাফিরদের সহায় হইও না। ’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।


                        -ডাব্লিউ জি বেনহাম।


যাহাদের হৃদয় পবিত্র, দয়া ও সত্যে পূর্ণ, তাহারাই অমৃতলোক বেহেশতের অধিবাসী হবেন।


 

দুই মতলবে নৌকা তৈরি ও বিক্রির ধুম পড়েছে
১৭ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাবুল মুফতী



মতলব উত্তর উপজেলার সটাকি বাজার, বাংলাবাজার ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার নাগদা বাজার, মাছুয়াখাল বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে এখন নৌকা তৈরি এবং বিক্রির ধুম পড়েছে। এ দু'টি উপজেলায় এখন নৌকার ব্যাপক চাহিদা। কারণ, বর্ষাকাল চলছে। ফলে নৌকার কারিগররা এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।



মতলব উত্তর উপজেলার চরাঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময় একমাত্র বাহন হলো নৌকা। বোরোচর, চরওয়েস্টার, খুনেরচর, বাহেরচর, মহিষমারীসহ ২০টি গ্রামের রাস্তাঘাট বছরের প্রায় ৭ মাস পানির নিচে থাকে। ফলে এসব চরাঞ্চলের মানুষের সকল কাজ নৌকায় যাতায়াতের মাধ্যমেই করতে হয়। এমনকি স্কুল-কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ও নৌকায় যাতায়াত করতে হয়। এ বছর বন্যার পূর্বাভাস দেখা দেয়ায় চরাঞ্চলের মানুষ আগেই নৌকা কিনে রাখছে।



মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও, লামচরী, দিঘলদী, নলুয়া, পিংড়া, উপাদী, বহরী, আচলছিলা, বদরপুর, কাশিমপুর, চরমুকুন্দিসহ বেশ কটি গ্রামবাসীকেও বছরে প্রায় ৭ মাস নৌকায় চলাফেরা করতে হয়।



মতলব উত্তর উপজেলার সটাকি বাজার, বাংলাবাজার ও দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল এবং নাগদা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখানে নৌকা বানানো এবং বেচাকেনার ধুম পড়েছে। বাজারগুলোতে ডিঙ্গি নৌকার চাহিদা অনেক। গুণগত মানে টেকসই ও দামে অনেকটা সাশ্রয় হওয়ায় বাজারে ব্যাপকহারে নৌকা বেচা-কেনা হচ্ছে। মাছুয়াখাল ও নাগদা নৌকাবাজার হিসেবে অনেক আগ থেকেই পরিচিত। বাজারে পানসি ও কোসা নৌকাও কেনা-বেচা হচ্ছে।



দুই মতলব নদীবেষ্টিত এবং মতলব উত্তরের পশ্চিমে রয়েছে প্রমত্তা মেঘনা। নদী পার্শ্ববর্তী এলাকার অধিকাংশ মানুষের কোথাও যাতায়াত এবং চলাফেরার একমাত্র বাহন হওয়ায় এ মৌসুমে নৌকার ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে।



ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, ভারী বর্ষণে পানি বৃদ্ধির কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর নৌকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের এলাকায় অন্যান্য নৌকার তুলনায় ডিঙ্গি নৌকা বেশি বিক্রি হয়।



নৌকা কেনার জন্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ী ও খুচরা ক্রেতাগণ আসেন এই হাটগুলোতে। নাগদা বাজারে অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর নৌকার দাম একটু বেশি বলে জানান ক্রেতারা। ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায় একটি পানসি ও কোসা নৌকা বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে ডিঙ্গি নৌকা বিক্রি হচ্ছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকায়।



নৌকা তৈরির কারিগর সুখেন ও কমল বলেন, প্রতিদিন একজন কারিগর ১টি নৌকা তৈরি করতে পারেন। প্রতিটি ডিঙ্গি নৌকা আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হয়।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩৬২১৮
পুরোন সংখ্যা