চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০১৭। ৩০ কার্তিক ১৪২৪। ২৪ সফর ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩১-সূরা লোকমান


৩৪ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৪। কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহর নিকট রহিয়াছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন যাহা গর্ভাশয়ে আছে। কেহ জানে না আগামীকাল সে কি অর্জন করিবে এবং কেহ জানে না কোন স্থানে তাহার মৃত্যু ঘটিবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

অতিরিক্ত ঔষধ রোগ বৃদ্ধি করে।  -ভার্জিল।


মায়ের পদতলে সন্তানদের বেহেশত।


মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফরিদগঞ্জের জহিরের বাড়িতে শোকের মাতম
প্রবীর চক্রবর্তী
১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মালয়েশিয়ার জহুরবারু প্রদেশে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফরিদগঞ্জের জহির হোসেন (৩২) এর গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম বইছে। নিহত জহির ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব পোয়া গ্রামের ৩নং ওয়ার্ডের ছেলামত উল্যাহ বেপারী বাড়ির অলি মিয়া বেপারীর দ্বিতীয় পুত্র। তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক। বিয়ের কিছুদিন পর বিদেশ গিয়ে গত ৪ বছরে তিনি আর দেশে আসেননি। তাই শিশু সন্তানের মুখও মৃত্যুর আগে জহির দেখে যেতে পারলেন না।



জানা গেছে, জহির গাড়িতে করে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মালয়েশিয়ার জহুর প্রদেশে রোববার দুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। রোববার রাতে তার গ্রামের বাড়িতে স্বজনদের কাছে মৃত্যুর খবর আসলে শোকের মাতম শুরু হয়। নিহত জহিরের বড় ভাই কবির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সংসারের অভাব ঘুচাতে ১১ বছর আগে জহির মালয়েশিয়ায় যায়। ৭ বছর প্রবাস জীবন কাটানোর পর ৪ বছর আগে ছুটিতে বাড়িতে এসে বিবাহ করে পুনরায় মালয়েশিয়া চলে যায়। এরই মধ্যে তার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। আসছে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে তার বাড়িতে আসার কথা ছিল। রোববার রাতে মালয়েশিয়া থেকে মোবাইল ফোনে ভাইয়ের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংবাদ পাই।



জহিরের মা মইফুলেননেছা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ৪ ছেলের মধ্যে ৩ ছেলে বিদেশ থাকে। একসাথেই সকলে থাকে। জহিরের সাথে তার ছোট দুই ভাই কাদির ও সাদ্দাম ছিল। জহিরের ছায়ায় তারা থাকায় তিনি অনেকটা নিশ্চিন্তায় ছিলেন। সর্বশেষ একদিন পূর্বে তার সাথে কথা হয়। তখন বলেছিল জানুয়ারি মাসে আসবে। এখন জানুয়ারি নয়, জহির এর আগেই চলে আসতেছে, তবে লাশ হয়ে। জহিরের লাশ মালয়েশিয়া থেকে দেশে আনতে তিনি সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।



নিহত জহিরের স্ত্রী রাবেয়া বেগম জানান, জান্নাত নামে তাদের সাড়ে ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তার স্বামী বিয়ের পর পরই বিদেশ চলে গেলেও গত ৪ বছরে আর আসেন নি। ফলে একমাত্র মেয়ের মুখ দেখে যেতে পারেন নি তিনি।



ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান সোহেল জানান, জহিরের সংবাদ শুনে আমরা গ্রামবাসী মর্মাহত। এলাকায় ভালো ছেলে হিসেবে তার পরিচিত ছিল। লাশ দ্রুত দেশে আনার জন্যে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫২৫০৭৬
পুরোন সংখ্যা