চাঁদপুর। শুক্রবার ১২ জানুয়ারি ২০১৮। ২৯ পৌষ ১৪২৪। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৩-সূরা আহ্যাব


৭৩ আয়াত, ৯ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭২। আমি আকাশ পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে এই আমানত পেশ করেছিলাম, অতঃপর তারা একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হল; কিন্তু মানুষ তা বহন করল। নিশ্চয় সে জালেম-অজ্ঞ।


৭৩। যাতে আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারীর, মুশরিক পুরুষ, মুশরিক নারীদেরকে শাস্তি দেন এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


 


সবকিছুর মধ্যে আইনই হচ্ছে রাজা।


-হেনরি আলফোর্ড।


 


 


পিতার আনন্দে খোদার আনন্দ এবং পিতার অসন্তুষ্টিতে খোদার অসন্তুষ্টি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছনার চিত্রনাট্যের গোমর ফাঁস-৩
তদন্ত কমিটি তাদের অনুসন্ধানে যা পেলেন
ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
১২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ফরিদগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় তদন্ত কমিটি ৭২ ঘন্টা সময় পেয়েছিলেন। তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট তৈরি করতে আরো ২/৩ দিন সময় নেন। পরে গত ৪ জানুয়ারি রিপোর্ট প্রকাশ করেন। রিপোর্ট প্রকাশ করতে গিয়ে কমিটির সদস্যরা জানান, তারা দায়িত্ব পেয়ে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকেই সবার আগে বিবেচনা করেছেন। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর বিষয়সহ আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করেছেন। কারণ প্রতিষ্ঠানকে ঘিরেই যত ঘটনার সৃষ্টি করা হয়েছে বলে তাদের তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। তাদের তদন্তে প্রতিহিংসার সাথে সাথে কোচিং বাণিজ্যও বড় হয়ে এসেছে। ফারহানা যে কোচিং সেন্টারে পড়তো তাতে শিক্ষক হিসেবে ছিলেন এআর পাইলটের খ-কালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান রাজু এবং সেন্টারের মালিক ও শিক্ষক ফরহাদ। যারা এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট।



গত ২৯ ডিসেম্বর ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্দিষ্ট কিছু লোক জড়ো হওয়া, শিক্ষার্থী ফারহানার মা, মামা, তার কোচিং সেন্টারের শিক্ষক এবং তাদের সাথে যুক্ত হওয়া এআর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির একজন সদস্যের আচরণ শুরু থেকেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।



তদন্ত রিপোর্টে কমিটি মন্তব্য করেছেন, এ আর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে ২৭ ডিসেম্বর। ফলাফলে দেখা গেছে, শিক্ষার্থী ফারহানাসহ আরো অনেক শিক্ষার্থী পদার্থ বিজ্ঞানে অকৃতকার্য হয়েছে। যার শিক্ষক ছিলেন বিদ্যালয়ের খ-কালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান রাজু।



রিপোর্টে প্রকাশ, বার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে রসায়ন ও পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষায় স্কুলের নির্দিষ্ট প্রশ্নের বাইরেও হাতে লেখা প্রশ্ন সরবরাহ করেন শিক্ষকরা। দ্রুত তা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু তারপরও কিছু শিক্ষার্থী হাতে লেখা প্রশ্নের উত্তর দেন। যা কেটে দেয়ার নির্দেশনা দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলে ফারহানাসহ বেশ কিছু শিক্ষার্থী পদার্থ বিজ্ঞানে অকৃতকার্য হয়। ফলে ওই বিষয়ের শিক্ষক মেহেদী হাসান রাজু শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নের সম্মুখীন হন। আর সে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্যে উঠে পড়ে লাগেন। রাসেল হাসানকে ফাঁসাতে অাঁটতে থাকেন কৌশল।



ফারহানার মা মেহেদী হাসান রাজুর কাছে ফলাফল খারাপের কারণ জানতে চাইলে সে নিজে, কোচিং সেন্টারের আরেক শিক্ষক ফরহাদ, ফারহানার মামা আরিফ ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রেজাউল করিম সকলেই গত ২৭ ডিসেম্বর রাতে ফারহানাদের বাড়ি যান। সেখানে সকলেই ফারহানার খারাপ ফলাফলের জন্যে রাসেল হাসানকে দায়ী করেন। এমনকি বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য ফারহানাকে বিক্ষুব্ধ করে তোলেন।



তদন্ত কমিটির কাছে ফারহানা, তার মা ও মামা স্বীকারোক্তিমূলক লিখিত বক্তব্যে বলেন, রাসেলকে এভাবে লাঞ্ছিত করার কাজটা মেহেদী হাসান রাজু ও ফরহাদের পরিকল্পনা মোতাবেক হয়েছে। তাদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।



এছাড়া তদন্ত কমিটির কাছে তদন্তকালে প্রতীয়মান হয়েছে, পরিকল্পিতভাবেই পুরো ঘটনাটি সোস্যাল মিডিয়াসহ সাংবাদিকদের সরবরাহ করার জন্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘটনা শুরুর আগে থেকেই ভিডিও করা হয়, যা উদ্দেশ্যমূলক। আধ ঘন্টার মধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়াতেও বিদ্যালয়ের ইমেজ নষ্ট করার অপচেষ্টা ছিল।



রিপোর্টে না লিখলেও তদন্ত কমিটির কয়েকজন জানান, একটি ঘৃণ্য কাজ এভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে যারা করেছে তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। আমরা তদন্ত করতে গিয়ে এমন কিছু তথ্য পেয়েছি, যা আমাদেরকে বিস্মিত করেছে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৮৩৬৭৯
পুরোন সংখ্যা