চাঁদপুর। শনিবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৮। ৩০ পৌষ ১৪১৪। ২৫ রবিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৪-সূরা সাবা


৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মাক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০১। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি নভোমন্ডলে যা আছে এবং ভূমন্ডলে যা আছে সব কিছুর মালিক এবং তাঁরই প্রশংসা পরকালে। তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।


০২। তিনি জানেন যা ভূগর্ভে প্রবেশ করে, যা সেখান থেকে নির্গত হয়, যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় এবং যা আকাশে উত্থিত হয়। তিনি পরম দয়ালু ক্ষমাশীল।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


 


দুঃখ কখনো একা আসে না, সে দল বেঁধে আসে। -সেঙ্পিয়ার।


 


 


যাদের সামর্থ্য থাকা অবস্থায় হজ্ব করল না তারা ইয়াহুদী হইয়া মরুক অথবা নাসারা হইয়া মরুক তাতে আমার কিছু আসে যায় না।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী মহলের চেষ্টা। তদন্ত কমিটি গঠন
হাইমচরে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীর জীবন বিষিয়ে তুলেছে তারই এক শিক্ষক
হাইমচর ব্যুরো
১৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হাইমচর উপজেলা সদর আলগীবাজারস্থ দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন নিজ বিদ্যালয়ের এক এসএসএসি পরীক্ষার্থীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা ও উত্ত্যক্তকরণ বিষয় নিয়ে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় চলছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী মহলের কাছে তদবির করছেন ওই শিক্ষক ও তার পক্ষ অবলম্বনকারীরা। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের মোবাইল ফোনে কথোপকথন রেকর্ডিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।



ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শিক্ষক জাকির হোসেন তার বিদ্যালয়ে চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষার্থী (নামপ্রকাশ করা হলো না) এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন থেকে উত্ত্যক্ত করাসহ অশ্লীল ও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে আসছেন। শ্রেণী কক্ষে পাঠদানের বাইরে একান্তে পাওয়ার জন্যে ঐ ছাত্রীকে নানাভাবে চেষ্টা করাসহ হেনস্তা করতেন ওই শিক্ষক। এদিকে তার হাত থেকে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বাঁচার জন্যে বিষয়টি তার পরিবার ও সহপাঠিদের জানায়। শিক্ষক জাকির ওই শিক্ষার্থীকে সরাসরি কু প্রস্তাবের পাশাপাশি মোবাইল ফোনেও অশ্লীল প্রস্তাব দেয়। ভুক্তভোগী এই পরীক্ষার্থী বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছে। সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সামনে এসএসসি পরীক্ষা এবং আত্মসম্মানের ভয়ে শিক্ষার্থীর পরিবার কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে।



এদিকে অভিযুক্ত এ সহকারী প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন ব্যক্তিজীবনে মাদক সেবন, আপন খালার সাথে বিবাহ বন্ধনসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত থাকায় হাইমচর উপজেলায় বিতর্কিত শিক্ষক হিসেবে চিহ্নিত। মাদক এবং পরনারীতে আসক্তি তার দীর্ঘদিনের। তাকে শুধরানোর জন্যে পরিবার থেকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠালেও তার পরিবর্তন হয়নি। ইতঃপূর্বে উপজেলার গ-ামারা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায়ও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছিল।



এসব অভিযোগ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্যে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয়ে একটি সভা হয়েছে। আমি ক্ষমা প্রার্থী, আপনারা সামাজিকভাবে যে বিচার করবেন আমি মেনে নেবো। বিষয়টি নিয়ে আমার মানসম্মান নষ্ট না করার জন্যে অনুরোধ করছি। এ বিষয়ে দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মীর হোসেন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমরা এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ইতঃমধ্যে আমরা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।



এদিকে এসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের পক্ষ হয়ে একটি প্রভাবশালী মহল জোর চেষ্টা তদবির চালাচ্ছে। তদবিরের ফলে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবার চরম আতঙ্কে দিন পার করছে। লজ্জা-ভয়ের কারণে পরিবারটি নিজেদেরকে গুটিয়ে রেখেছে।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯২৫৯৭৮
পুরোন সংখ্যা