চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ৩ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের সুধীজন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম বলেন, যে কোনো মূল্যে চাঁদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা হবে। এছাড়া তিনি সড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সবপ্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৫-সূরা ফাতির

৫৫ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৫। হে মানুষ, তোমরা আল্লাহর গলগ্রহ। আর আল্লাহ; তিনি অভাবমুক্ত প্রশংসিত।

১৬। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে বিলুপ্ত করে এক নতুন সৃষ্টির উদ্ভব করবেন।

১৭। এটা আল্লাহর পক্ষে কঠিন নয়।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


মৃত্যুবরণ করার চেয়ে কষ্ট ভোগ করে বেঁচে থাকার জন্যে অধিক সাহসের প্রয়োজন।

-নেপোলিয়ান।


যিনিই বিশ^মানবের কল্যাণ সাধন করেন তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।


ফটো গ্যালারি
সদিচ্ছা এবং সৃষ্টিশীলতা থাকলে এমন ক্যাম্পাস গড়ে তোলা সম্ভব
ডাঃ দীপু মনি এমপি
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বসন্তের রং প্রকৃতি থেকে ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মনে। বসন্তকে বরণ করে নেয়াটা হলো বাঙালির শত বছরের ঐতিহ্য। বসন্ত যে কেবল বাঙালির মনেই দোলা দেয় না, এর আবেদন যে বিশ্বজনীন, তারই স্বাক্ষর রাখলো পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস। অনেকটা হঠাৎ করেই চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ডাঃ দীপু মনি কলেজের শিক্ষকম-লী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের বসন্তের শুভেচ্ছা জানাতে গতকাল বুধবার চলে আসেন পুরাণবাজার কলেজ ক্যাম্পাসে। তাদের প্রিয় মানুষটিকে কাছে পেয়ে বসন্ত বরণে এক ভিন্নমাত্রা পেল কলেজ ক্যাম্পাস।



'বসন্ত কেবল আনন্দ-উচ্ছ্বাসের রং ছড়ায় না, আমাদের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে শহীদদের রক্ত রঙিন স্মৃতির কথাও মনে করিয়ে দেয়। ১৯৫২ সালের আট ফাল্গুন বা একুশের পলাশরাঙা দিনের সঙ্গে তারুণ্যের সাহসী উচ্ছ্বাস আর বাঁধভাঙ্গা আবেগের জোয়ারও যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে।' কথাগুলো বললেন ডাঃ দীপু মনি এমপি। তাঁকে কলেজের শিক্ষকম-লী এবং ছাত্র-ছাত্রীরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। কলেজে প্রবেশ করেই ডাঃ দীপু মনি ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকদের নিয়ে সোজা চলে যান পুষ্পবেষ্টিত শহীদ বেদীতে। শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান একুশের শহীদদের।



তারপরই তিনি কলেজের ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষকম-লীকে নিয়ে বসন্তের আবাহনে মেতে ওঠেন। কলেজ অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার পুষ্পশোভিত দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাসের প্রতিটি প্রান্তর ঘুরে দেখেন। তিনি যাযাবর স্মৃতি ভবনস্থ (কলেজ হোস্টেলে) গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের খোঁজখবর নেন। কলেজ ক্যাম্পাসের পরিবেশ দেখে তিনি উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। সদিচ্ছা এবং সৃষ্টিশীলতা থাকলে এমন ক্যাম্পাস গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন। কলেজটির আরো সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্যে তিনি কিছু পরামর্শ দেন। কলেজকে এমন একটি নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য তিনি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার এবং শিক্ষকম-লীকে ধন্যবাদ জনান।



এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাক হায়দার চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, তমাল কুমার ঘোষ প্রমুখ।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬৬৩৮২
পুরোন সংখ্যা