চাঁদপুর। রোববার ২২ এপ্রিল ২০১৮। ৯ বৈশাখ ১৪২৫। ৫ শাবান ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭- সূরা সাফ্ফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৪।  আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি তাকে উঁকি দিয়ে দেখতে চাও?

৫৫। অপর সে উঁকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে জাহান্নামের মাঝখানে দেখতে পাবে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


পরিশ্রমী লোকের নিকট সবচেয়ে সুখপ্রদ জিনিস হচ্ছে ঘুম।

  -জনবুলিয়ান।


মজুরের গায়ের ঘাম শুকাবার আগে তার মজুরি দিয়ে দাও।


ফটো গ্যালারি
ফটিকখিরা এসএ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঁচ জন শিক্ষকের এমপিওভুক্তি না হওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন
মোঃ ফারুক চৌধুরী
২২ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শাহ্রাস্তিতে ফটিকখিরা এসএ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ জন শিক্ষক এমপিওভুক্ত না হওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জানা যায়, ১৯৯৩ সালে দেশের নারী শিক্ষার উন্নয়নে প্রথম ফটিকখিরা এসএ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তখন বিদ্যালয়টিতে জুনিয়র বিদ্যালয় হিসেবে পাঠদান শুরু হয়। ২০০২ সালে বিদ্যালয়টিতে ৯ম শ্রেণী খোলা হয় ও পাঠদানের অনুমতি পেলে ২০০৪ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। একই সালে এসএসসি পরীক্ষায় ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হলেও দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর যাবৎ ষষ্ঠ হতে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানকারী ৫ জন শিক্ষকের এমপিওভুক্তি হয়নি।



বিদ্যালয়টির দাতা মোঃ আবুল খায়ের গং উক্ত বিদ্যালয়ের সম্পদটি বিদ্যালয়ের নামে অর্থাৎ মা ও বাবার নামে দিয়ে তাদের নামে নামকরণ করেছেন। বাবার নাম ছালামত উল্লা ও মায়ের নাম আমেনা হওয়ায় বিদ্যালয়ের নাম এসএ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় করা হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের ছাত্রী সংখ্যা ২৭১ জন। শিক্ষার্থী দিন দিন বাড়ছে। সরকার উন্নত প্রযুক্তিতে পাঠদানের জন্যে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যমানের যন্ত্রপাতি দিয়েছে। বিদ্যালয়ের হোস্টেল/পাঠদান কক্ষ, অফিস কক্ষ, শিক্ষকদের কক্ষ সব মিলিয়ে যেটুকু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো দেখা যায় সবটুকু আবুল খায়ের গংয়ের দান। বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে বিদ্যালয়ের ছাত্রী সংখ্যা ধারণ ও আধুনিক শিক্ষা বান্ধব সরঞ্জামাদি সংরক্ষণে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন জরুরি। ভবন সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের নিকট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম দরখাস্ত করেছিলেন। কিন্তু অদ্যাবধি নূতন ভবন হয়নি। দীর্ঘদিন থেকে যৎসামান্য সম্মানীর বিনিময়ে যে পাঁচ জন শিক্ষক পাঠদান দিয়ে বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান উন্নত ও ভালো ফলাফল করার জন্যে কাজ করছেন তারা সত্যিকার অর্থে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৩২০৩
পুরোন সংখ্যা