চাঁদপুর। শুক্রবার ১৫ জুন ২০১৮। ১ আষাঢ় ১৪২৫। ২৯ রমজান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে আটককৃত বিএনপি'র ১৭ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে প্রেরন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৪-সূরা দুখান

৫৯ আয়াত, ৩ রুকু, ‘মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৭। উহাকে ধর এবং টানিয়া লইয়া যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,

৪৮। অতঃপর উহার মস্তকের উপর ফুটন্ত পানি ঢালিয়া শাস্তি দাও-

৪৯। এবং বলা হইবে ‘আস্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত!   ¬





 


assets/data_files/web

আদেশ সবাই দিতে পারে না।

  -শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।


যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ নয়।





 


ফটো গ্যালারি
অধ্যক্ষ ফেন্সি হত্যাকান্ড : পিবিআই'র তদন্তে ঘটনা নতুন দিকে মোড় নিচ্ছে
অ্যাডঃ জহিরের ২য় স্ত্রী জুলেখার ভগি্নপতি জেলহাজতে
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৫ জুন, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ শাহিন সুলতানা ফেন্সি হত্যাকান্ডের ঘটনা নতুন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে। ডিবি পুলিশ এবং পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-এর নিবিড় তদন্তে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে। তবে তদন্ত কাজ চূড়ান্ত করার স্বার্থে কোনো তথ্যই তাঁরা প্রকাশ করছে না। তারপরও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নানা আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অ্যাডঃ জহিরের দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমের ভগি্নপতি ওয়ায়েছকুরুনীকে আটক করার পর থেকেই মূলত ঘটনা ভিন্ন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে এমনটাই বোঝা যাচ্ছে। ওয়ায়েছকুরুনী বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। তবে ঘটনা যে দিকেই যাক, খুনের ঘটনার সাথে অ্যাডঃ জহির ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা প্রত্যক্ষভাবে যে জড়িত তা তদন্ত কর্মকর্তারা অনেকটা নিশ্চিত বলে ধারণা করা যাচ্ছে।



অধ্যক্ষ ফেন্সি হত্যাকান্ডের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে যে, এ হত্যা মামলার মূল তদন্ত করছে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। পাশাপাশি পিবিআই'র সদস্যরাও তদন্ত করছে। এই তদন্ত কাজের অংশ হিসেবে অ্যাডঃ জহিরের ভায়রা ভাই অর্থাৎ দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখার ভগি্নপতি চাঁদপুর জেলা মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়েছকুরুনীকে গত ১১ জুন সোমবার রাতে আটক করা হয়। মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের রাঢ়িকান্দি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর খুনের ঘটনার নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।



এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার অ্যাডঃ জহিরের মুহুরী কৃষ্ণাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডিবি পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছিলো। জুলেখার মুখোমুখি করে কৃষ্ণাকে কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কৃষ্ণাকে ছেড়ে দেয়া হয়।



এদিকে অধ্যক্ষ ফেন্সিকে পেশাদার খুনি দ্বারা খুন করা হয়েছে এমনটাই ধারণা করছে তদন্ত কর্মকর্তারা। আর এ খুন জুলেখা বেগমের চাপে এবং প্ররোচনাতেই করা হয়েছে অর্থাৎ অ্যাডঃ জহির ও জুলেখা উভয়ের যোগসাজশেই এ খুনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৮৬৬৫৪
পুরোন সংখ্যা