চাঁদপুর। শুক্রবার ১৫ জুন ২০১৮। ১ আষাঢ় ১৪২৫। ২৯ রমজান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫৫। তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ উত্তম বিষয়ের অনুসরণ কর তোমাদের কাছে অতর্কিত ও অজ্ঞাতসারে আযাব আসার পূর্বে।

৫৬। যাতে কেউ না বলে, হায় হায়, আল্লাহ সকাশে আমি কর্তব্যে অবহেলা করেছি এবং  আমি ঠাট্টা-বিদ্রুপকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম।

৫৭। অথবা না বলে, আল্লাহ যদি আমাকে পথপ্রদর্শন করতেন, তবে অবশ্যই আমি পরহেযগারদের একজন হতাম।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন





 


assets/data_files/web

শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে যে গো।

 -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


নারী পুরুষের যমজ অর্ধাঙ্গিনী।

 


ফটো গ্যালারি
অধ্যক্ষ ফেন্সি হত্যাকান্ড : পিবিআই'র তদন্তে ঘটনা নতুন দিকে মোড় নিচ্ছে
অ্যাডঃ জহিরের ২য় স্ত্রী জুলেখার ভগি্নপতি জেলহাজতে
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৫ জুন, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ শাহিন সুলতানা ফেন্সি হত্যাকান্ডের ঘটনা নতুন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে। ডিবি পুলিশ এবং পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-এর নিবিড় তদন্তে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে। তবে তদন্ত কাজ চূড়ান্ত করার স্বার্থে কোনো তথ্যই তাঁরা প্রকাশ করছে না। তারপরও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নানা আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অ্যাডঃ জহিরের দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমের ভগি্নপতি ওয়ায়েছকুরুনীকে আটক করার পর থেকেই মূলত ঘটনা ভিন্ন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে এমনটাই বোঝা যাচ্ছে। ওয়ায়েছকুরুনী বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। তবে ঘটনা যে দিকেই যাক, খুনের ঘটনার সাথে অ্যাডঃ জহির ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা প্রত্যক্ষভাবে যে জড়িত তা তদন্ত কর্মকর্তারা অনেকটা নিশ্চিত বলে ধারণা করা যাচ্ছে।



অধ্যক্ষ ফেন্সি হত্যাকান্ডের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে যে, এ হত্যা মামলার মূল তদন্ত করছে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। পাশাপাশি পিবিআই'র সদস্যরাও তদন্ত করছে। এই তদন্ত কাজের অংশ হিসেবে অ্যাডঃ জহিরের ভায়রা ভাই অর্থাৎ দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখার ভগি্নপতি চাঁদপুর জেলা মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়েছকুরুনীকে গত ১১ জুন সোমবার রাতে আটক করা হয়। মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের রাঢ়িকান্দি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর খুনের ঘটনার নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।



এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার অ্যাডঃ জহিরের মুহুরী কৃষ্ণাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডিবি পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছিলো। জুলেখার মুখোমুখি করে কৃষ্ণাকে কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কৃষ্ণাকে ছেড়ে দেয়া হয়।



এদিকে অধ্যক্ষ ফেন্সিকে পেশাদার খুনি দ্বারা খুন করা হয়েছে এমনটাই ধারণা করছে তদন্ত কর্মকর্তারা। আর এ খুন জুলেখা বেগমের চাপে এবং প্ররোচনাতেই করা হয়েছে অর্থাৎ অ্যাডঃ জহির ও জুলেখা উভয়ের যোগসাজশেই এ খুনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২৯৯৯৬
পুরোন সংখ্যা