চাঁদপুর । মঙ্গলবার ১৭ জুলাই ২০১৮ । ২ শ্রাবণ ১৪২৫ । ৩ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫১। তাদের দুস্কর্ম তাদেরকে বিপদে ফেলেছে, এদের মধ্যেও যারা পাপী, তাদেরকেও অতি সত্বর তাদের দুস্কর্ম বিপদে ফেলবে। তারা তা প্রতিহত করতে সক্ষম হবে না।

৫২। তারা কি জানেনি, আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা রিজিক বৃদ্ধি করেন এবং পরিমিত দেন। নিশ্চয় এতে বিশ^াসী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


আস্থা ছাড়া বন্ধুত্ব থাকতে পারে না।

 -ত্রপিকিউরাস।


যে পরনিন্দা গ্রহণ করে সে নিন্দুকের অন্যতম।



 


ফটো গ্যালারি
মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়
শাহরাস্তিতে শিক্ষক-পরিবারের উপর হামলা
সোহাঈদ খান জিয়া
১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব ডিগ্রি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও মানবাধিকার সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগের চেয়ারম্যান শাহরাস্তির বানিয়াচো আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা খন্দকার মোঃ শামছুল আলম সুজন ও তার পরিবারবর্গের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় গত ১২ জুলাই কালিয়াপাড়া বাজারে তার উপর হামলা করা হয়। হামলাকারীরা হলো রবিউল আলম সাগর, কামাল হোসেন, জামাল হোসেন, মাজহারুল ইসলাম বাবলা জুয়েল, দেলোয়ার হোসেনসহ আরো ২-৩ জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী। পরদিন ১৩ জুলাই উল্লেখিতরা খন্দকার শামছুল আলম সুজনের বাড়িতে গিয়ে তার বোন সাবানা আক্তার পাখি, জান্নাতুল মাওয়া, ভাই খন্দকার মনির হোসেন ও ভাগিনা সাকিবকে বেধরক মারধর করে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েনেওয়া হয়। খন্দকার শামছুল আলম সুজন ও সাবানা পাখিকে চাদপুর সরকারি হাসপাতালে ডাঃ রেফার করে। বাকিদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এদের মধ্যে দায়ের কোপে আহত সাবানা পাখির বাম হাতে মারাত্মক জখম ও মাথায় আঘাত পাওয়ায় তাকে চাদপুর আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকি আহতদের মধ্যে খন্দকার শামছুল আলম সুজন সুস্থহওয়ায় চিকিৎসক তাকে রিলিজ দিয়ে দেন।



আহতরা আরো জানায় গত ১২ জুন উক্ত হামলাকারীরা তাদের উপর হামলা চালায়। ১৯ জুন রাত ঘর ভাংচুর করে লুটপাট চালিয়ে নগদ ২০ হাজার টাকা, দেড়ভরি স্বর্ণ ও ১টি মোবাইল সেট সহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যায়। তারা আরো জানায় উপজেলার দেবীপুর খন্দকার বাড়ির মাদক সম্রাট আমির সওদাগর, রিপন, মানিক ও সোহাগের মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে খন্দকার শামছুল আলম সুজন বিভিন্ন সময় মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা করে। স্থানীয় ফকির শাহ আকবর এর মাজারের ওরশের সময় উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে শিক্ষক পরিবারের উপর। এমনকি মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে হামলকারীদের আত্মীয়স্বজন। ১২ ও ১৯ জুনের হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করলে তারা বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১২ ও ১৩ জুলাই পুনরায় হামলা চালায়।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৭৭৬
পুরোন সংখ্যা